প্রকাশ : ১৩ মার্চ, ২০১৭ ০২:৩২:২৯
সুনামগঞ্জে কয়েক হাজার একর বোরো ফসলী জমিতে ছড়িয়ে পড়েছে ‘ভাটানী রোগ’
বাংলাদেশ বাণী, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জে বোরো চাষীরা পড়েছেন মহা বিপাকে। একদিকে বোরো ফসল রক্ষার বেরীবাঁধ নিয়ে যেমন শঙ্কিত কৃষকরা অপরদিকে কাংলার হাওর সহ ছোট বড় বেশ কয়েকটি হাওরের কয়েক হাজার একরের বোরো ফসলী জমিতে নতুন করে দেখা দিয়ে ভাটানী নামের ধানের গোড়া পচন রোগ। এ যেন কৃষকদের উপর চলছে মরার ওপর খরার ঘাঁ।’ জেলার সদর উপজেলার বিভিন্ন হাওরে ঊনত্রিশ-ধানের জমিতে ইতিমধ্যে পোকার আক্রমণে এ রোগ ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। পোকার আক্রমণে জমিতে রোপণকৃত ধানের চারা গাছের পুরো গোড়া পচে মরে যাচ্ছে। ধান গাছের মড়ক প্রতিরোধে বিভিন্ন প্রকারের ওষুধ প্রয়োগ করলেও সুফল না পেয়ে অনেকটা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাজারো কৃষক।  পরামর্ম কিংবা এ রোগ প্রতিরোধ করণীয় সম্পর্কে দিক নির্দেশনা দেয়ার জন্য মাঠ পর্যায়ে দেখা মিলছে না কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্বশীলদেরও।   সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে, সদর উপজেলার সুরমা, জাহাঙ্গীরনগর, রঙ্গারচর, কুরবাননগর ও মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকার জমিতে মারাত্মকভাবে পোকার আক্রমণ দেখা দিয়েছে। এলাকার কাংলার হাওরের ও ছোট হাওরের জমিতে ঊনত্রিশ ধানের গাছের গোড়ায় পচন রোগে আক্রমণ করেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারী কৃষি অফিসার বিকাশ কুমার তালুকদার জানান, ধান গাছে ‘ভাটানী’ রোগের আক্রমণ হয়েছে।’ অপরদিকে ভোক্তভোগী কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন,  ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি অফিসার জমিতে এসে  কোনদিন দেখেননি বা তাদেরকে কোনো পরামর্শও দেননি কীভাবে এ রোগ প্রতিরোধ করা যায়।এ কারনে বাধ্য হয়ে শহরের বিভিন্ন ওষুধের দোকানিকে জিজ্ঞেস করে ওষুধ কিনে এনে প্রয়োগ করছেন জমিতে। তাতেও  ধানগাছের গোড়া পচন রোগ প্রতিরোধ হচ্ছে না।’ সরজমিনে গেলে স্থানীয় কৃষকরা জানান, প্রথমে ধান গাছের গোছা কালো হয়। পরে পাতা লাল হয়। এরপর ধান গাছের পুরো গোছায় পচন ধরে মরে যায়। তারা পোকার আক্রমণ সন্দেহ করে মাঝরা পোকার ওষুধ প্রয়োগ করেছেন। তবুও কোনো কাজ হয়নি। ধান গাছের মড়ক প্রতিকারে কোনো ব্যবস্থা না হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।’কৃষকরা আরো জানান, তারা সরকারি অফিস থেকে ঊনত্রিশ-ধানের বীজ প্রতি প্যাকেট ৩৬০ টাকা দরে কিনে এনে চারা করে রোপণ করেছেন। এই ঊনত্রিশ ধানের গাছের গোছায়-ই মড়ক দেখা দিয়েছে।  তারা আরো জানান, গত বছর ধানের গাছে মড়ক ছিল না, এবার এই এলাকায় কাংলার হাওর সহ আশে পাশের বেশ কয়েকটি ছোট বড় হাওরের কয়েক হাজার একর বোরো ফসলী জমিতে  ঊনত্রিশ ধানের গাছে এই মড়ক দেখা দিয়েছে।’ সুরমা ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের বাসিন্দা রুস্তম আলী ও কুলসুম বেগমের সাড়ে তিন কেয়ার, হাসিনা খাতুনের ৫ কেয়ার, লেদু মিয়ার ৫ কেয়ার, কৃষ্ণনগর গ্রামের আব্দুল আলীর ২ কেয়ার, রাহাত আলীর ২ কেয়ার জমিসহ পুরো এলাকায় বিভিন্ন কৃষকের সকল ঊনত্রিশ ধানের গাছে মড়ক দেখা দিয়েছে। এছাড়াও বেরীগাঁও এলাকার জমিতে রহমত আলীর ৪ কেয়ার, মাসুম মিয়ার ১ কেয়ার জমিতে এই মড়ক দেখা দিয়েছে বলে জানান কৃষকরা।
সৈয়দপুর গ্রামের কৃষক রুস্তম আলী ও লেদু মিয়া বলেন,  রোপণ করা ঊনত্রিশ ধান গাছে প্রথমে গোড়া থেকে পঁচন শুরু করে, পরে ধানের পুরো গোছা মরে শুকিয়ে গেছে ও ধীরে ধীরে জমির সকল ঊনত্রিশ ধানের গাছ মরে যাচ্ছে।’
সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল আউয়াল বলেন, ‘এই এলাকায় হাওর গুলোতে বর্তমানে  ঊনত্রিশ ধান গাছের যে মড়ক দেখা দিয়েছে তাকে স্থানীয় ভাবে এ মড়ক রোগেকে ‘ডিগ’ বলা হয়ে থাকে।’সদর উপজেলা কৃষি অফিসার সালাহ উদ্দিন টিপু বৃহস্পতিবার‘ বলেন,  এখন এই মড়ক প্রতিরোধ করতে হলে জমিতে থাকা পানি শুকানোর পর ৫ কেজি এমপিও’র সাথে ছত্রাক নাশক একত্র করে প্রয়োগ করতে হবে। এই রোগের নাম গোড়া পচা রোগ।’
সর্বশেষ সংবাদ
  • জার্মানী, সুইডেন ও ইইউ’র রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি জোরালো সমর্থন রাবি ছাত্রী অপহরণ : সাবেক স্বামীসহ ২ জনকে ১ দিনের রিমান্ড বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যমান চিনি আইন রহিতের সিদ্ধান্তমহানগরী ঢাকাকে ‘সেফনগরী’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন ১০ কার্য দিবস চলবেস্থানীয় সরকারের অধীন দেশের ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানে ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণবিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না : খালেদা জিয়া
  • জার্মানী, সুইডেন ও ইইউ’র রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি জোরালো সমর্থন রাবি ছাত্রী অপহরণ : সাবেক স্বামীসহ ২ জনকে ১ দিনের রিমান্ড বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যমান চিনি আইন রহিতের সিদ্ধান্তমহানগরী ঢাকাকে ‘সেফনগরী’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন ১০ কার্য দিবস চলবেস্থানীয় সরকারের অধীন দেশের ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানে ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণবিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না : খালেদা জিয়া
উপরে