প্রকাশ : ১৮ মার্চ, ২০১৭ ২৩:২৩:১৬
বাজারজাত ও চাঁদা নিয়ে শঙ্কায়
খাগড়াছড়িতে আম্রপালি মুকুলের রেকর্ডে কৃষকেরা খুশি
বাংলাদেশ বাণী, মোঃ মাসুদ রানা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : খাগড়াছড়িতে আমের মুকুল অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিটি আম গাছ মুকুলে ভরপুর। আম গাছ গুলো যেন টুপি পড়েছে। গাছে প্রচুর মুকুল আসায় কৃষকও খুশি। তবে ভালো ফলন হলেও বাজার ব্যবস্থাপনার অভাব ও ব্যাপক চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত ট্যাক্স আদায়ের কারণে ন্যায্য মূল্য পাওয়া নিয়ে সঙ্কিত কৃষক। অপর দিকে হঠাৎ বৃষ্টিতে কৃষক ক্ষতির আশঙ্কা করলেও কৃষি কর্মকর্তারা বলছে, যত্ম নিলে আম টিকে যাবে এবং আম আকারে বড় হবে।

খাগড়াছড়ির সু-স্বাদু আম্রপালি আমের সারাদেশে সুনাম রয়েছে। এবার  প্রতিটি আম্রপালি আম গাছে মুকুল বা ফুল এসেছে ব্যাপক। যা অতীতে সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। তাই চাষীরা এখন মুকুল রক্ষাসহ গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে বাম্পার ফলনের আশা করছে কৃষক। তবে সুষ্ঠ বাজার ব্যবস্থাপনা না থাকার পাশাপাশি সরকারী ট্যাক্স ও পথে পথে চাঁদাবাজির কারণে ন্যায্যমূল্য বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা করছে চাষীরা।

খাগড়াছড়ির বড়পিলাক এলাকার আম চাষী বাবুল গাজী জানান, তিনি এ বছর ২৫ একর জমিকে আম্রপালি সহ বিভিন্ন প্রকারে আম চাষ করেছেন। আম গাছে বিগত বছরগুলোর চেয়ে এ বছর ভালো মুকুল এসেছে। তবে হঠাৎ বৃষ্টির কারণে আম বাগানে বাড়তি খরচ বেড়ে যাবে।

জালিয়াপাড়ার আম চাষী মো. শাহাজ উদ্দিন জানান, গত বছর প্রায় ৩০লাখ টাকার আম বিক্রি করেছে। এ বছর মুকুল অনুযায়ী ফল আসলে দ্বিগুন আম বিক্রি করা যাবে।

খাগড়াছড়ি জেলা সদরে আম চাষী অনিমেষ চাকমা রিংক জানান, হঠাৎ বৃষ্টিতে আমের মকুলের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। সে সাথে ব্যয়ও বেড়ে যাচ্ছে। তবে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ বলছে, এতে আমের ক্ষতি হবে না। বরং আমের আকার বড় হবে।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে জনৈক আম চাষী বলেন, খাগড়াছড়িতে আম চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও বাজার ব্যবস্থাপনা অভাব ও আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলোর ব্যাপক চাঁদাবাজি রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত ট্যাক্স আদায়ের কারণে বাইরে ব্যবসায়ীরা না আসার কারণে কৃষকেরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না।

খাগড়াছড়ি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মো. আবুল কাশেম জানান, আম ও লিচু চাষীরা যাতে সুফল পায় এ জন্যে তারা নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে কৃষক প্রশিক্ষণ করে নানাভাবে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। তার মতে, খাগড়াছড়ি জেলায় চলতি বছরে প্রায় ২হাজার ৭শ হেক্টর জমিতে আম্রপালি আমের পাশাপাশি রাংগুয়া, হীম সাগর, রত্না, মল্লিকা, গোপালভোগ যা গত বছরের চেয়ে প্রায় এক হাজার হেক্টর বেশি। সে সাথে আম্রপালি আম চাষি গত বছরের চেয়ে ৫০টি পরিবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫শ পরিবারে। মুকুল অনুযায়ী যদি ফল টিকে যায়, তাহলে প্রতি কেজি আম ৫০ টাকা করে বিক্রি করলেও কৃষক প্রায় দেড়শ কোটি টাকার আম্রপালি আম বিক্রি করতে পারবে।

খাগড়াছড়িতে উৎপাদিত আম্রপালি আম বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনৈতিক চিত্র। তবে প্রয়োজন সুষ্ঠ বাজার ব্যবস্থাপনা ও ব্যাপক চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত চাঁদাবাজি বন্ধ।
 
সর্বশেষ সংবাদ
  • জার্মানী, সুইডেন ও ইইউ’র রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি জোরালো সমর্থন রাবি ছাত্রী অপহরণ : সাবেক স্বামীসহ ২ জনকে ১ দিনের রিমান্ড বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যমান চিনি আইন রহিতের সিদ্ধান্তমহানগরী ঢাকাকে ‘সেফনগরী’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন ১০ কার্য দিবস চলবেস্থানীয় সরকারের অধীন দেশের ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানে ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণবিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না : খালেদা জিয়া
  • জার্মানী, সুইডেন ও ইইউ’র রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি জোরালো সমর্থন রাবি ছাত্রী অপহরণ : সাবেক স্বামীসহ ২ জনকে ১ দিনের রিমান্ড বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যমান চিনি আইন রহিতের সিদ্ধান্তমহানগরী ঢাকাকে ‘সেফনগরী’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন ১০ কার্য দিবস চলবেস্থানীয় সরকারের অধীন দেশের ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানে ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণবিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না : খালেদা জিয়া
উপরে