প্রকাশ : ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০৩:১৬:৪৭
রোহিঙ্গা নারীদের যৌনাচার ! প্রতিনিয়ত বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি
বাংলাদেশ বাণী, ফরিদুল মোস্তফা খান, কক্সবাজার থেকে : মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের ক্ষত এখনো শুকোয়নি রোহিঙ্গাদের শরীর ও মন থেকে। এরই মধ্যে ভাল বেতন, নিরাপত্তা, আরাম আয়েশী জীবন যাপন, সর্বোপরি বাংলাদেশী ভাল পরিবারের ছেলেরা বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অনৈতিক, অসামাজিক কাজে নামানো হচ্ছে শত শত রোহিঙ্গা মেয়েদের।

এসব অসামাজিক ও অনৈতিক কর্মকান্ডের পিছনে কাজ করছে স্থানীয় সংঘবদ্ধ দালালচক্র। এদের অর্থের বিনিময়ে সার্বিক সহায়তা করছে রোহিঙ্গা মাঝি নামক দালালরা। অন্যদিকে বাংলাদেশে এক শ্রেনীর লোক ধর্মীয় বেশ ভুষা পরিধান করে ত্রান সহায়তার নামে ক্যাম্পে বেআইনিভাবে অবস্থান করে রোহিঙ্গা কিশোরী ও তরুনীদের বিয়ে করার অভিযোগ উঠছে। লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গাদের মাঝে অনাকাংকিত এধরনের অবাধ যৌনাচারে স্থানীয় অভিভাবকগণ ও আতংকিত। আশ্রিত রোহিঙ্গাদের মাঝে মরণ ব্যধি এইডস রোগীর সংখ্যা বাড়ায় স্থানীয় ভাবে স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে লোকজন।

উখিয়ার একাধিক অস্থায়ী আশ্রয় শিবিরে অনুসন্ধান কালে অবাধ যৌনাচার, অনৈতিক কর্মকান্ড ও অবৈধ মেলামেশার ব্যাপারে স্পর্শ কাতর নানা তথ্য পাওয়া গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উখিয়ার তাজনিমার খোলা খেলা মাঠ সংলগ্ন ২০১৩-২০১৪ সালের গড়ে উঠা সামাজিক বনায়নে রোহিঙ্গা বস্তির এক মাঝ বয়সী মহিলা তার ১৭ বছরের কিশোরী কন্যা জানান, প্রায় দুই মাস পূর্বে এখানে রাখাইনের মংডু থেকে এসে আশ্রয় নেয় পাড়া প্রতিবেশীদের সাথে।

কিশোরীর মা জানান, স্বামী ৫/৬ বছর ধরে মালয়েশিয়া প্রবাসী। মংডুতে দু’তলা কাঠের বাড়ি, জমিজামা, সহায় সম্পদ সবই ছিল। মিয়ানমার সেনাবাহিনী সেগুলো পুড়ে দেওয়ায় ১৬ ও ১৭ বছরের ২ মেয়ে এবং ১১ বছরের এক ছেলেকে নিয়ে পালিয়ে আসতে পেরেছে। নিজের হাপানি সহ নানা রোগে অসুস্থ। তাই ত্রান সহ বিভিন্ন স্থানে জোয়ান মেয়েদের চলাফেরা করতে হয়। পার্শ্ববর্তী শেড়ের ব্লক মাঝি এক দিন এসে মেয়ে দুটোকে চট্টগ্রামে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেয়।

প্রবাসী স্বামীর সাথে যোগাযোগও নেই। এরই মধ্যে প্রতিবেশী জনৈক ব্যক্তির মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ হয় স্বামীর সাথে। স্বামীকে জানানোর পর মেয়েদের অচেনা লোকের সাথে বিয়ে দিতে নিষেধ করেন। কিন্তু মাঝি বা রোহিঙ্গা সর্দার সহ আরো কয়েকজন লোক যে অবস্থা শুরু করেছে তাতে কি করবে ভেবে পারছে না ঐ মহিলা। তা ছাড়া রোহিঙ্গা জোয়ান ছেলেরা মেয়ে দুটোকে নানা ভাবে বিরক্ত করে আসছে।

কুতুপালং আশ্রয় শিবিরের উখিয়া টিভি রিলে কেন্দ্রের আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা ছব্বির আহমদ (ছদ্ম নাম) জানান, এখানে মেয়েদের নিয়ে অনেক বিপদ। দেশে সেনাবাহিনী ও স্থানীয় মগদের অত্যচার থেকে বেঁচে আসলেও পূর্ব থেকে অবস্থান করা রোহিঙ্গাদের কবল থেকে মেয়েদের রক্ষা করা যাচ্ছে না। আশ্রয় শিবিরে রোহিঙ্গারা স্থানীয় উঠতি বয়সের ছেলেদের নিয়ে বস্তির অলিগলিতে এমনকি অনেক সময় বিভিন্ন ঘরে উকি মারে। বিশেষ করে যাদের ঘরে একটু চোখে লাগার মত মেয়ে রয়েছে।

তিনি জানান, রোহিঙ্গা মাঝিরা প্রলোভন, হুমকি, ত্রান না দেয়া সহ নানা চাপে রেখে রোহিঙ্গা মেয়েদের দালালদের কাছে তুলে দিতে বাধ্য করছে। তিনি জানান, পার্শ্ববর্তী ব্লক থেকে ইতিমধ্যে ৬টি মেয়ে উধাও হয়ে গেছে। এসব মেয়েরা নাকি কক্সবাজার শহরে গিয়ে কোথাও থাকে ভাল বেতনও পাই। বিপদে পড়ে আসা রোহিঙ্গাদের দেখতে, খোঁজ খবর নিতে অনেক ধরনের লোক আসছে।

বাংলাদেশীদের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে অবস্থানরত পুরনো রোহিঙ্গারাও নানা উছিলায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসছে। সব চেয়ে বেশী ক্ষতিকর কাজ করছে রোহিঙ্গা মাঝিরা। যারা মিয়ানমারে সরকারের বিভিন্ন বাহিনীর সাথে দালালি করে সাধারন রোহিঙ্গাদের নানা ভাবে হয়রানি করে আসছিল এখানে এসেও তারা একই কাজে লিপ্ত হয়েছে।

রাখাইনে থাকতে রোহিঙ্গারা কখনো বাংলাদেশের এ আধুনিক পরিবেশ পরিস্থিতির সাথে পরিচিত ছিল না। তাই রাখাইনে বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনে শিকার হওয়া এসব রোহিঙ্গা বাংলাদেশী ও পুরনো রোহিঙ্গাদের অবস্থা দেখে দেশে ফিরে না যাওয়ার একটা রোগ কাজ করছে বলে তিনি জানান। তাই এধরনের রোহিঙ্গারা এ সমন্ত অন্যায় কাজের পিছনে ঝুঁকে পড়ছে বলে অনেক রোহিঙ্গারা অভিযোগ করেন।

মিয়ানমারে রাখাইন ও উদ্বাস্তু জীবনের এ পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা অভিভাবকগণ রোহিঙ্গা মেয়েদের নিয়ে এধরনের অনৈতিক, অসামাজিক কার্যকলাপে অনেকটা চিন্তিত। আর এক শ্রেনীর রোহিঙ্গা তাদের মেয়েদের নানা কায়দায় বিয়ে প্রস্তাব বা দিয়ে দিচ্ছে তাদের কিশোরী ও তরুনীদের ভবিষ্যৎ নিরাপদ ভেবে হাল ছেড়ে দিয়ে স্বস্থি পাচ্ছে। সরকারী বিধি নিষেধ উপেক্ষা করে আশ্রয় শিবিরগুলোতে রাত্রিযাপন ও রোহিঙ্গা কিশোরী নিয়ে অজানার উদ্দেশ্যে যাওয়ার কালে ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশী আইন শৃংখলা ও নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছে।

স্বাস্থ্য সচেতন স্থানীয় লোকজনের মতে পর্যটন শহর কক্সবাজার ও পাশ্ববর্তী বাণিজ্যিক শহর চট্টগ্রাম। এখানে কোন না কোন কাজের সংস্থান হয়ে থাকে। অনেক আগে থেকে কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবির থেকে অবাধ বেআইনি যৌনাচার, মাদক সেবন, পাচার সহ নানা অনৈতিক, অসামাজিক কাজ কারবার চলে আসছে। সম্প্রতি যোগ হয়েছে আরো সাড়ে ৬ লক্ষ রোহিঙ্গা। এদের অধিকাংশ নারী ও শিশু। কুতুপালং ও আশপাশের রোহিঙ্গা শিবিরগুলো থেকে রোহিঙ্গা কিশোরী, শিশু, যুবতী, বিবাহিত, স্বামী হারা অনেকে নানা ফাঁদে পড়ে পাচার হয়ে বাধ্য হচ্ছে যৌনাচারে লিপ্ত হতে।

কক্সবাজার শহর, টেকনাফের শামলাপুর থেকে ইনানী হয়ে কক্সবাজার সমুদ্র বীচে খোলা বালিয়াড়ি সংলগ্ন ঝাউবনে সন্ধ্যার পর থেকে বিচ্ছিন্ন ভাবে রোহিঙ্গা মেয়েদের নিয়ে দালালদের অনৈতিক দেহ ব্যবসা চালানোর অভিযোগ সচেতন মহলের।

উখিয়া পালংখালী ইউপি চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, যত্রতত্র রোহিঙ্গা আশ্রয় নেওয়ায় স্থানীয় কিশোর-যুবক ও বিবাহীত অনেকের রোহিঙ্গা শিবিরে অনৈতিক যাতায়াত বাড়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয় এসব ছেলেদের কেউ একা আবার অনেকে সংঘবদ্ধ ভাবে রোহিঙ্গা শিবির গুলোতে গমনাগমনে স্থানীয় অভিভাবকদের পাশাপাশি অনেক সংসারে নানা পারিবারিক ও সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এমনিতে রোহিঙ্গাদের মাঝে ধর্মীয় অনূভূতি, কুসংষ্কার, শিক্ষার অভাব কাজ করছে। শিবিরগুলোতে রোহিঙ্গাদের মাঝে অবাধে যৌনাচারের অভিযোগ স্থানীয় লোকজনের।

উখিয়া বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজ অধ্যক্ষ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক হামিদুল হক চৌধুরী স্থানীয় সচেতন মহেলর সাথে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বিগত একদশকের বেশী সময় ধরে আমরা বিভিন্ন ভাবে এসব অনৈতিক, অসামাজিক ও আইন শৃংখলা পরিপিন্থি কর্মকান্ডের কথা বলে আসছি।


কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ছাড়িয়ে সংঘবদ্ধ দালালচক্র ঢাকা সহ বড় বড় শহরে আবাসিক হোটেল-মোটেল, গেষ্ট হাউজ, বাসা ভাড়া নিয়ে রোহিঙ্গা মেয়েদের দিয়ে পতিতাবৃত্তি করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও রোহিঙ্গা শিবির থেকে অসংখ্য নারী বিভিন্ন কায়দায় পাচার হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। রোহিঙ্গা নারীদের কর্তৃক যে সমস্ত উদ্বেগ জনক যৌনচার ও মরন ব্যধি এইডস রোগের খবর পাওয়া যাচ্ছে তা খুবই আতংক ও চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকির আশংখ্যা রয়েছে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল বলেন, বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ সহ আইন শৃংখলা বাহিনীর লোকজন অনেক রোহিঙ্গাদের আটক করে থাকে। এসব রোহিঙ্গাদের সংশ্লিষ্ট শিবিরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপরও নানা ভাবে বিভিন্ন কায়দায় রোহিঙ্গারা যত্রতত্র ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি উদ্বেগ জনক।

তবে এব্যাপারে পুলিশ সর্বদা রোহিঙ্গা ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সর্বক্ষনিক বিশেষ চেক পোষ্টের মাধ্যমে তৎপর রয়েছে বলে তিনি জানান। স্বাস্থ্য বিভাগের কক্সবাজার সিভিল সার্জন ডাক্তার আব্দুস সালাম বলেন, ইতিমধ্যে এইডস আক্রান্ত রোহিঙ্গা রোগীর সংখ্যা শতাধিক হয়েছে। এদের অধিকাংশ মিয়ানমারে থাকতে এ রোগে আক্রান্ত হয়েছিল। নতুন রোগিও পাওয়া যাচ্ছে। তা ছাড়া লোকলজ্জা ও পরিবেশ পরিস্থিতির কারনে অনেকে এইডস আক্রান্ত হওয়ার পরও নিজেদের আড়াল করে রাখছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

স্বাস্থ্য কর্মীদের রোহিঙ্গা শিবির গুলোতে এব্যাপারে সচেতনামুলক কর্মকান্ড বৃদ্ধি করে নতুন এইডস রোগি শনাক্তের জন্য বলা হয়েছে। এধরনের আরো অনেক এইসড রোগি রোহিঙ্গা শিবির গুলোতে থাকতে পারে বলে তিনি জানান। এ জন্য উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এইচআইভি এইডস রোগ নির্ণয়ের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এতদাঞ্চলে ব্যপক হারে এইচআইভি এইডস রোগ শনাক্ত হওয়ায় পর্যটন এলাকাসহ স্থানীয় ভাবে লোকজনের মাঝে চরম স্বাস্থ্য ঝুঁিকর আশংকা করা হয়েছে।

 
সর্বশেষ সংবাদ
  • রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনাবাসিক দূতদের আলোচনা ও সমর্থনত্যাগের মহিমায় যোগ্য নাগরিক হিসেবে নিজেদেরকে গড়ে তুলেতে হবে : প্রধানমন্ত্রীমহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাসাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর গভীর শ্রদ্ধাবিজয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে যান চলাচলে ডিএমপি’র নির্দেশনামহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণীআজ মহান বিজয় দিবস : শোক আর রক্তের ঋণ শোধ করার গর্বে উজ্জীবিত জাতি দেশবরেণ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী আর নেইমৃত্যুদন্ডাদেশপ্রাপ্ত বিদেশে পলাতক যুদ্ধাপরাধীদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে : সেতুমন্ত্রীমিয়ানমারে সহিংসতা শুরুর প্রথম মাসেই অন্তত ৬ হাজার ৭ শ’ রোহিঙ্গাকে হত্যা : এমএসএফবিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় গোটা জাতি'র শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণআজকের সম্পাদকীয়- আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস : গোটা জাতি'র বিনম্র শ্রদ্ধা ৩ দিনের সরকারি সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী আজ দেশে ফিরবেন গেইলের বিধ্বংসী সেঞ্চুরি : ঢাকা ডায়নামাইটসকে ৫৭ রানে হারালো রংপুর রাইডার্সকংগ্রেসের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে রাহুল গান্ধীর নাম ঘোষণা নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরি বিধি প্রকাশ করেছে সরকারআওয়ামীলীগের ওপর মানুষের বিশ্বাস ও সমর্থন বৃদ্ধি পেয়েছে : সজীব ওয়াজেদ জয় ‘অগ্নিকন্যা মতিয়া চৌধুরী নকলাকে কৃষিখাতে সফল বিপ্লবের সাফল্য দেখিয়েছেন’আগামী নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীআজ বেগম রোকেয়া দিবস : রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী'র পৃথক বাণী
  • রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনাবাসিক দূতদের আলোচনা ও সমর্থনত্যাগের মহিমায় যোগ্য নাগরিক হিসেবে নিজেদেরকে গড়ে তুলেতে হবে : প্রধানমন্ত্রীমহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাসাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর গভীর শ্রদ্ধাবিজয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে যান চলাচলে ডিএমপি’র নির্দেশনামহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণীআজ মহান বিজয় দিবস : শোক আর রক্তের ঋণ শোধ করার গর্বে উজ্জীবিত জাতি দেশবরেণ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী আর নেইমৃত্যুদন্ডাদেশপ্রাপ্ত বিদেশে পলাতক যুদ্ধাপরাধীদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে : সেতুমন্ত্রীমিয়ানমারে সহিংসতা শুরুর প্রথম মাসেই অন্তত ৬ হাজার ৭ শ’ রোহিঙ্গাকে হত্যা : এমএসএফবিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় গোটা জাতি'র শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণআজকের সম্পাদকীয়- আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস : গোটা জাতি'র বিনম্র শ্রদ্ধা ৩ দিনের সরকারি সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী আজ দেশে ফিরবেন গেইলের বিধ্বংসী সেঞ্চুরি : ঢাকা ডায়নামাইটসকে ৫৭ রানে হারালো রংপুর রাইডার্সকংগ্রেসের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে রাহুল গান্ধীর নাম ঘোষণা নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরি বিধি প্রকাশ করেছে সরকারআওয়ামীলীগের ওপর মানুষের বিশ্বাস ও সমর্থন বৃদ্ধি পেয়েছে : সজীব ওয়াজেদ জয় ‘অগ্নিকন্যা মতিয়া চৌধুরী নকলাকে কৃষিখাতে সফল বিপ্লবের সাফল্য দেখিয়েছেন’আগামী নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীআজ বেগম রোকেয়া দিবস : রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী'র পৃথক বাণী
উপরে