প্রকাশ : ২০ নভেম্বর, ২০১৭ ২৩:০৭:০২
দালাল চক্র হাতিয়ে নিয়েছে কোটি টাকা
আমতলীতে সরকারি বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি পেতে জালিয়াতির আশ্রয়
বাংলাদেশ বাণী, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি : আমতলীতে বিদ্যালয়কে সরকারি তালিকাভুক্তির জন্য জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া পরীক্ষার্থী সাজিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ২০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়ে চলছে নানা বিতর্ক। বাস্তবে ছাত্র-ছাত্রী না থাকলেও কাগজপত্রে বিদ্যালয়গুলোর ছাত্র-ছাত্রী ও ভবন দেখিয়ে জাতীয়করণের তালিকাভুক্ত করতে চেষ্টা চালালেও বাস্তবে বিদ্যালয় গুলোর বেশীর ভাগেরই কোন অস্তিত্ব নেই। বিদ্যালয়গুলি সরকারি হবে, এ আশ্বাস দিয়ে শিক্ষকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি দালাল চক্র বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিদ্যালয় গুলোতে শিক্ষার্থী না থাকলেও অন্য বিদ্যালয় থেকে ধার করা ছাত্র-ছাত্রী এনে পরীক্ষার্থী দেখাচ্ছে। ধার করা পরীক্ষার্থী দিয়ে রোববার থেকে অনুষ্ঠিতব্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় পূর্ব খেকুয়ানী বেসরকার্রী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৩ জন, মঠবাড়ীয়া বাজারখালী বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৪ জন, উত্তর পূর্ব ডালাচারা মুক্তিযোদ্ধা শহীদ স্মৃতি বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৩ জন, পূর্ব হরিদ্রা বাড়ীয়া বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৫ জন, পশ্চিম গুলিশাখালী বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৪ জন, দক্ষিণ ডালাচারা বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৪জন, পূর্ব খাকদান বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৩জন, কালিপুরা বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৫জন, কৃষ্ণনগর বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৫জন, পশ্চিম চরখালী বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ২জন, দক্ষিন গাজীপুর এস এম  বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৪ জন, উত্তর পশ্চিম চিলা বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ২জন, চর রাওঘা বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ২জন, মধ্য কুলাইরচর বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৪ জন, মধ্য পশ্চিম চিলা বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ২জন, উত্তর পশ্চিম সোনাউঠা বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৪ জন, কাঠালিয়া  বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৩জন, উত্তর পূর্ব লোদা  বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৫জন, পশ্চিম চন্দ্রা মাদবর বাড়ী বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৪ জন, উত্তর টিয়াখালী আদর্শ গুচ্ছ গ্রাম  বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৪ জন, বলইবুনিয়া  বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৫জন, দক্ষিন তারিকাটা  বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৪জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। তবে এসব শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোর নয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে এসব বিদ্যালয় গুলোর বেশির ভাগই কাগজ পত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ। দু’একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঘর থাকলেও তাতে কোন দিন ক্লাশ হয়নি বলে স্থানীয়রা জানান। কাগজে কলমে থাকা এসব স্কুল সরকারি করন এবং শিক্ষক নিয়োগের কথা বলে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি দালাল চক্র। দালার চক্রের প্রধান হচ্ছে হলদিয়া হাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মহসীন মোল্লাও হরিদ্রা বাড়িয়া বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল মৃধা ও উত্তর পূর্ব ডালাচারা শহীদ স্মৃতি বেসরকারী প্রাথমিক বিদালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মফিজ উদ্দিন।

এই দালাল চক্রের একজন উত্তর পূর্ব ডালাচারা শহীদ স্মৃতি বেসরকারী প্রাথমিক বিদালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.মফিজ উদ্দিন জানান, বিদ্যালয়টি নতুন করতে যাচ্ছি। এখানে কিছু এদিক-সেদিক হয়েছে। বিষয়গুলো না দেখার জন্য অনুরোধ করেন তিনি।

আমতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান বলেন, আমি আমতলীতে যোগদান করার পূর্বেই বিদ্যালয়গুলো ডি আর ভূক্ত হয়েছে। কেউ জালিয়াতি করে থাকলে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. বদরুদ্দোজা শুভ বলেন, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বরগুনা জেলা প্রশাসক মোঃ মোখলেচুর রহমান বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত বিদ্যালয় এবং এর সাথে যারা জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 
সর্বশেষ সংবাদ
  • রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনাবাসিক দূতদের আলোচনা ও সমর্থনত্যাগের মহিমায় যোগ্য নাগরিক হিসেবে নিজেদেরকে গড়ে তুলেতে হবে : প্রধানমন্ত্রীমহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাসাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর গভীর শ্রদ্ধাবিজয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে যান চলাচলে ডিএমপি’র নির্দেশনামহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণীআজ মহান বিজয় দিবস : শোক আর রক্তের ঋণ শোধ করার গর্বে উজ্জীবিত জাতি দেশবরেণ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী আর নেইমৃত্যুদন্ডাদেশপ্রাপ্ত বিদেশে পলাতক যুদ্ধাপরাধীদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে : সেতুমন্ত্রীমিয়ানমারে সহিংসতা শুরুর প্রথম মাসেই অন্তত ৬ হাজার ৭ শ’ রোহিঙ্গাকে হত্যা : এমএসএফবিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় গোটা জাতি'র শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণআজকের সম্পাদকীয়- আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস : গোটা জাতি'র বিনম্র শ্রদ্ধা ৩ দিনের সরকারি সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী আজ দেশে ফিরবেন গেইলের বিধ্বংসী সেঞ্চুরি : ঢাকা ডায়নামাইটসকে ৫৭ রানে হারালো রংপুর রাইডার্সকংগ্রেসের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে রাহুল গান্ধীর নাম ঘোষণা নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরি বিধি প্রকাশ করেছে সরকারআওয়ামীলীগের ওপর মানুষের বিশ্বাস ও সমর্থন বৃদ্ধি পেয়েছে : সজীব ওয়াজেদ জয় ‘অগ্নিকন্যা মতিয়া চৌধুরী নকলাকে কৃষিখাতে সফল বিপ্লবের সাফল্য দেখিয়েছেন’আগামী নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীআজ বেগম রোকেয়া দিবস : রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী'র পৃথক বাণী
  • রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনাবাসিক দূতদের আলোচনা ও সমর্থনত্যাগের মহিমায় যোগ্য নাগরিক হিসেবে নিজেদেরকে গড়ে তুলেতে হবে : প্রধানমন্ত্রীমহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাসাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর গভীর শ্রদ্ধাবিজয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে যান চলাচলে ডিএমপি’র নির্দেশনামহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণীআজ মহান বিজয় দিবস : শোক আর রক্তের ঋণ শোধ করার গর্বে উজ্জীবিত জাতি দেশবরেণ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী আর নেইমৃত্যুদন্ডাদেশপ্রাপ্ত বিদেশে পলাতক যুদ্ধাপরাধীদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে : সেতুমন্ত্রীমিয়ানমারে সহিংসতা শুরুর প্রথম মাসেই অন্তত ৬ হাজার ৭ শ’ রোহিঙ্গাকে হত্যা : এমএসএফবিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় গোটা জাতি'র শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণআজকের সম্পাদকীয়- আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস : গোটা জাতি'র বিনম্র শ্রদ্ধা ৩ দিনের সরকারি সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী আজ দেশে ফিরবেন গেইলের বিধ্বংসী সেঞ্চুরি : ঢাকা ডায়নামাইটসকে ৫৭ রানে হারালো রংপুর রাইডার্সকংগ্রেসের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে রাহুল গান্ধীর নাম ঘোষণা নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরি বিধি প্রকাশ করেছে সরকারআওয়ামীলীগের ওপর মানুষের বিশ্বাস ও সমর্থন বৃদ্ধি পেয়েছে : সজীব ওয়াজেদ জয় ‘অগ্নিকন্যা মতিয়া চৌধুরী নকলাকে কৃষিখাতে সফল বিপ্লবের সাফল্য দেখিয়েছেন’আগামী নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীআজ বেগম রোকেয়া দিবস : রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী'র পৃথক বাণী
উপরে