প্রকাশ : ২৩ আগস্ট, ২০১৭ ০২:৪৪:৩১
থেমে নেই আগ্রাসন ►জনপ্রতিনিধিদের রাজত্ব ইয়াবা সাম্রাজ্যে
বাংলাদেশ বাণী, ফরিদুল মোস্তফা খান, কক্সবাজার থেকে : ২০০৭ সালে ১১ জানুয়ারির আগে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের উদ্যোগে কক্সবাজারের টেকনাফে একটি সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিতে এসেছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি মহিউদ্দিন চৌধুরী। এ উপলক্ষ্যে মঞ্চ তৈরী, তোরণ নিমার্ণ করে সাজানো হয়েছিল। কিন্তু ওই তোরণের দেখা পাননি মহিউদ্দিন চৌধুরী। আর মঞ্চের পরিবর্তে গাড়িতে দাঁড়িয়ে বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। সমাবেশে যোগ দিতে তিনি টেকনাফ পৌঁছার আগেই তোরণ ও মঞ্চ ভেঙ্গে চালানো হয় তান্ডব। আর ওই তান্ডবের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ওই সময়ের টেকনাফের পৌর বিএনপি সভাপতির দায়িত্বে থাকা বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদ।

সময় গড়িয়েছে । ১/১১ এর পরে আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে মহাজোট ক্ষমতায় আসলে রাতা-রাতি আওয়ামী লীগের নেতা বনে যান সাবেক এ বিএনপি নেতা জাফর আহমদ। পিতার সঙ্গে যুবদল, ছাত্রদল করা পুত্ররাও হয়ে যান আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতা। টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদ বর্তমানে টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগেরও সহ-সভাপতি।

রাতা-রাতি এ দল বদলের নেপথ্যের কারণ হিসেবে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে “ইয়াবা ব্যবসার নিরাপত্তা”। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ইয়াবা ব্যবসায়ীদের তালিকায় ঘুরে-ফিরে নাম এসেছে জাফর আহমদ সহ তার ৩ পুত্রের। সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর হয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো মাদকদ্রব্য পাচার সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে ইয়াবার গডফাদার হিসেবে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। যেখানে ১১ নম্বরে স্থান পেয়েছেন জাফর আহমদ। তার পর্যায়ক্রমে নাম এসেছে তার পুত্র মোস্তাক আহমদ, দিদার আহমদ ও বর্তমান টেকনাফ সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহানের নাম।

গোয়েন্দা তথ্য, পুলিশের প্রতিবেদন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর তালিকা সহ প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে পিতা-পুত্রের সিন্ডিকেটটি অত্যন্ত শক্তিশালী। নেপথ্যে অবস্থান করে নির্ধারিত বিশ্বস্ত লোক দিয়ে পরিচালিত হয় এ ইয়াবা ব্যবসা। যাদের অনেকেই ইয়াবার তালিকাভূক্ত হলেও ইতিমধ্যে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন। এ বিশ্বস্ত লোকের তালিকায় স্থান পেয়েছে নাজিরপাড়া এলাকার মৃত মোজাহের মিয়ার পুত্র এনামুল হক। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ৭৬৪ জনের ইয়াবা ব্যবসায়ীর তালিকায় ৬ নম্বরে রয়েছে এনামুল হকের নাম। যিনি মাদকদ্রব্য মামলায় কারাগারে থাকলেও ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য (মেম্বার) নির্বাচিত হন। গত এক মাস আগে কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) একটি দল এনামুল হকের ইয়াবার আস্তানায় অভিযান চালাতে গেলে ডিবি পুলিশের উপর হামলা চালায় তার নেতৃত্বের সিন্ডিকেটটির সদস্যরা। এব্যাপারে টেকনাফ থানায় মামলাও হয়েছে। এ পিতা-পুত্রের সিন্ডিকেটটির অপর এক শক্তিশালী এবং বিশ্বস্ত প্রতিনিধি টেকনাফ সদর ইউনিয়নের সদস্য (মেম্বার) এবং প্যানেল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। টেকনাফের লেঙগুরবিল এলাকায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইয়াবা ব্যবসায়ীর তালিকাভূক্ত।

তবে টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জানিয়েছেন, তিনি কোনভাবেই ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত নন।
পিতা-পুত্রের সিন্ডিকেটটির সাথে রয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভূক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ীর নাজিরপাড়ার বহুল আলোচিত এজাহার মিয়ার পুত্র নুরুল হক ভূট্টোও। যার বিরুদ্ধে ইয়াবা বাহিনী গঠন করে দায়িত্বপালনকালে কক্সবাজারের ৬ সাংবাদিকের উপর হামলা, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজনের উপর হামলা, চোখ উপড়ে নেয়া, কান কেটে দেয়া সহ নানা অপরাধে মামলা রয়েছে।

পুলিশের দেয়া তথ্য মতে, নির্বাচিত জন প্রতিনিধিদের নেতৃত্বে টেকনাফে রয়েছে একটি শক্তিশালী ইয়াবা সিন্ডিকেট। যে সিন্ডিকেটটি কৌশলে ইয়াবার রাম রাজত্ব পরিচালনা করছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজার সফরে এসে ইয়াবা রোধে কঠোর হুশিয়ারি এবং এরপর পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) টেকনাফ সফরে গিয়ে কঠোর নির্দেশের পর মাঠপর্যায়ে ইয়াবা রোধে অভিযান শুরু করে পুলিশ।

এ অভিযানের অংশ হিসেবে শীর্ষ ৫০ জনের একটি তালিকা তৈরী করে তাদের ধরতে মাঠেও নেমেছে পুলিশ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, এ ৫০ জন মূলত: বিভিন্ন সিন্ডিকেটের প্রতিনিধি হয়ে সীমান্তে ইয়াবার চালান গ্রহণ করে থাকেন। আর এ শীর্ষ ৫০ জনের মধ্যে এক নম্বরে যে নাম রয়েছে তিনি হলেন, টেকনাফ পৌরসভার পুরাতন পল্লানপাড়ার কালা মিয়ার পুত্র ফিরোজ আহমদ। গত ১৩ আগস্ট ডিবি পুলিশের একদল সদস্য এ ফিরোজ আহমদকে আটক করলেও তাকে ফিল্মি স্টাইলে অস্ত্র ঠেকিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেয় কোস্টগার্ড। এ ব্যাপারে ডিবি পুলিশের এসআই আলমগীর হোসেন বাদি হয়ে টেকনাফ থানায় সাধারণ ডায়েরীও করেছে। যার নাম্বর  ৫৫৭।

সংশ্লিষ্ট সংস্থার তথ্য মতে, এ ফিরোজ এক সময়ের তালিকাভূক্ত চিহ্নিত ডাকাত। বর্তমানে জাফর আহমদ চেয়ারম্যানের ভাড়া বাসায় অবস্থান করেন তিনি। কৌশলে কোস্টগার্ডের সোর্স হিসেবে কাজ করলেও তার মূল কাজ পিতা-পুত্র সিন্ডিকেটের নাফনদীর একটি অংশ দিয়ে আসা ইয়াবা চালান আদান-প্রদান করা।

সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর হয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো মাদকদ্রব্য পাচার সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে ইয়াবার গডফাদার জাফর আহমদ ও তার তিন পুত্রের নাম আসলেও তার বড় পুত্র মোস্তাক আহমদ নিখোঁজ রয়েছে দেড় বছরের বেশি সময় ধরে। তিনি কোথায় তা নিশ্চিত করা যায়নি বা কেন নিখোঁজ তাও নিশ্চিত নয়।

মোস্তাক আহমদ কোথায় এমন প্রশ্নের উত্তরে তার পিতা টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদ বলেন, “একজন সন্তান দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ থাকার কষ্টের বিষয়টি একমাত্র পিতা-মাতারাই অনুভব করতে পারেন। আমার বড় পুত্র মোস্তাককে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনীর লোকজন ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ; এমনটা জনশ্রুতি রয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তারপরও প্রিয় সন্তানের খোঁজ পেতে টেকনাফ থানায় একটি মামলা করেছি।”
তবে এখনো পর্যন্ত প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা তার সন্ধানের ব্যাপারে কোন ধরণের তথ্য জানাতে পারেনি বলে জানান তিনি ।

জাফর আহমদের অপর পুত্র দিদার আহমদকে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে সিন্ডিকেটটির ইয়াবা নিয়ন্ত্রক হিসেবে বলা হয়েছে। এ দিদার আহমদ দীর্ঘ সময় মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন শহরে অবস্থান করে এ সিন্ডিকেটটি শক্তিশালী করেন। এমনকি মিয়ানমারের থাকা অবস্থায় দিদার ইয়াবা কারখানা পরিদর্শন সহ মিয়ানমারের শীর্ষ ইয়াবা ডিলারদের সাথে সখ্যতা তৈরী করেন বলেও উল্লেখ রয়েছে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে।

তিন পুত্রসহ নিজের নাম তালিকায় থাকার প্রসঙ্গে টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদ বলেন, ঘুরে ফিরে ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত থাকার সরকারি প্রশাসনের বিভিন্ন সংস্থার তালিকায় আমার নাম থাকার বিষয়টি নিয়ে নিজেও বিস্মিত। অথচ ইয়াবা ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করতে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার লোকজনকে তথ্য দিয়ে আমি নানাভাবে সহায়তা করেছি।
তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন নিয়ে আমি বিগত উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। মাননীয় প্রন্ত্রী সার্বিক দিক বিবেচনা করে আমাকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন। যদি ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত থাকতাম তাহলে আমাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করতেন না। ”

রাজনৈতিক ও নির্বাচনী প্রতিদ্বন্ধিদের ষড়যন্ত্রের শিকার দাবি করে জাফর বলেন, সরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিবেদনে নাম থাকলেও ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত থাকার ব্যাপারে দেশের কোন থানায় আমার বিরুদ্ধে মামলা নেই। এমনকি ইয়াবাসহ কখনো কোন দিন আইন-শৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনীর হাতে ধরা পড়েছি এমন কোন নজিরও নেই। তাছাড়া কোন ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনীর কাছ থেকে ছাড়িয়ে আনার চেষ্টা করেছি তাও কেউ বলতে পারবে না।

তারপরও কেন ঘুরে-ফিরে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিবেদনে আমার এবং পুত্রদের নাম উঠে আসে তা নিয়ে চরমভাবে বিব্রত বলে জানান তিনি।

একই সিন্ডিকেটভূক্ত না হলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালের তালিকায় ইয়াবা ব্যবসায়ী আরো অনেকেই টেকনাফের ৬ টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার নির্বাচিত জনপ্রধি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকায় সাবরাং ইউনিয়নের মন্ডলপাড়ার ১নম্বরে রয়েছে সাবরাং ইউনিয়নের আলীর ডেইল এলাকার ২নম্বর ওয়ার্ডে সদস্য (মেম্বার) আকতার কামালের নাম। একই তালিকায় রয়েছে তার আরেক ভাই। ইয়াবা তালিকায় পানছড়িপাড়ার ৩নম্বরে রয়েছে ৪নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) শামসুল আলমের নাম।

এ তালিকায় রয়েছে তার পিতা সহ আরো ৩ ভাইয়ের নাম। নয়াপাড়ার অংশের ১০ নম্বরে রয়েছে ৬ নম্বর ওয়ার্ডে সদস্য (মেম্বার) নির্বাচিত মোহাম্মদুর রহমানের নাম। এছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের অপর এক ইয়াবা ও মানবপাচারকারির তালিকায় রয়েছে, সাবরাং ১নম্বর ওয়ার্ডে সদস্য (মেম্বার) মোয়াজ্জেম হোসেন দানুর নাম। ইয়াবার তালিকায় বাহারছড়ার ইউনিয়নের পুরানপাড়া এলাকায় রয়েছে বাহারছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিজ উদ্দিনের নাম। তার নাম মানবপাচারকারি, রোহিঙ্গা মদদদাতার তালিকায়ও রয়েছে। ইয়াবা তালিকায় হ্নীলা ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডে জামাল হোছাইনের নাম রয়েছে।

ইতিমধ্যে ইয়াবাসহ আটক হয়ে জামাল হোসেন কারাগারে রয়েছে। ইয়াবার তালিকায় ৮নং ওয়ার্ডে নুরুল হুদা, ৯নং ওয়ার্ডে মোহাম্মদ আলীর নামও রয়েছে। টেকনাফ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির ভাই মুজিবুর রহমানের নাম ইয়াবা তালিকায় ৭ প্রভাবশালীর একজন হিসেবে উল্লেখ্য রয়েছে। একই তালিকায় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর একরামুল হক, ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শাহ আলম নাম রয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে তার ৩ ভাই ১ ভাবীর নামও। টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) আজিম উল্লাহর নামও রয়েছে। আর এসব জনপ্রতিনিধির নেতৃত্বে পৃথক সিন্ডিকেটে ইয়াবা পাচারের বিষয়টিও পুলিশের পক্ষে নিশ্চিত করা হয়েছে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আফরুজুল হক টুটুল জানান, অনেক জনপ্রতিনিধি, প্রভাবশালী ব্যক্তি ইয়াবার সাথে সংশ্লিষ্ট। এটা সকলেই জানেন। এর মধ্যে অনেকের নামে মামলা না থাকলেও ইতিমধ্যে পুলিশের কাছে পর্যাপ্ত প্রমাণ এসে পৌঁছেছে। যাদের বিষয় তথ্য প্রহাতে এসেছে তাদের ধরতে চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্যান্যদের বিষয়েও তথ্য-প্রমাণ হাজির করার চেষ্টা চলছে। এটা ইয়াবা রোধে পুলিশের কৌশলও বলা যাবে। যতটা প্রভাবশালী হোক আর নির্বাচিত জনপ্রধি হোক কেউ রেহাই পাবে না। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই তার কিছু প্রমাণ সাধারণ মানুষ দেখতে পাবেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নিদের্শ যে কোনভাবেই ভয়াবহ মাদক ইয়াবা রোধ করতে হবে। আর এটা করতে পুলিশ এখন প্রস্তুত।
 
সর্বশেষ সংবাদ
  • সিকান্দারের ব্যাটিং নৈপুণ্যে : স্বাগতিকরা ৪০ রানে হারিয়েছে সিলেট সিক্সার্সকেইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি মধ্যপ্রাচ্যের ‘নয়া হিটলার’ : সৌদি যুবরাজবঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের স্বীকৃতি যথাযথ মর্যাদায় সারা দেশে উদযাপন আজআওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষের সত্যিকার উন্নতি হয় : প্রধানমন্ত্রী দশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন শেষ হয়েছেজার্মানী, সুইডেন ও ইইউ’র রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি জোরালো সমর্থন রাবি ছাত্রী অপহরণ : সাবেক স্বামীসহ ২ জনকে ১ দিনের রিমান্ড বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও
  • সিকান্দারের ব্যাটিং নৈপুণ্যে : স্বাগতিকরা ৪০ রানে হারিয়েছে সিলেট সিক্সার্সকেইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি মধ্যপ্রাচ্যের ‘নয়া হিটলার’ : সৌদি যুবরাজবঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের স্বীকৃতি যথাযথ মর্যাদায় সারা দেশে উদযাপন আজআওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষের সত্যিকার উন্নতি হয় : প্রধানমন্ত্রী দশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন শেষ হয়েছেজার্মানী, সুইডেন ও ইইউ’র রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি জোরালো সমর্থন রাবি ছাত্রী অপহরণ : সাবেক স্বামীসহ ২ জনকে ১ দিনের রিমান্ড বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও
উপরে