প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৪:০২:৫৬
মহেশখালীর যুদ্ধাপরাধ মামলার ১২ আসামির হদিস নেই
বাংলাদেশ বাণী, ফরিদুল মোস্তফা খান, কক্সবাজার থেকে : মহেশখালীর আলোচিত যুদ্ধাপরাধের মামলার ১৭ আসামির ১২ জন এখনো আত্মগোপনে। মামলার শুরুতে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও কারগারে মৃত্যু হয় একজনের। কারাগারে রয়েছে ৪ জন। একজন শর্তসাপেক্ষে জামিনে রয়েছেন। পলাতকদের গ্রেপ্তারের কোন চেষ্টা নেই এমন অভিযোগ উঠেছে মহেশখালীর মুক্তিযোদ্ধাদের।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মহেশখালীতে ৯৪ জনকে হত্যা, ৫০ জন মহিলাকে ধর্ষণ, ৭৩০ টি বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ১০০ জনকে জোরপূর্বক ধর্মান্তর ও ৭০ জন সংখ্যালঘুকে জোরপূর্বক খতনা করার অপরাধে দায়েরকৃত মামলা অভিযোগ গঠনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্তকারি দল ৭৯ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করলেও জীবিত ৩৪ জনের অপরাধ তদন্ত করেন। তৎমধ্যে প্রাথমিক সাক্ষ্য প্রমান পাওয়ায় ৬জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত ৬ জনকে গ্রেপ্তার করার পর অন্যরা আত্মগোপনে চলে গেছে। মৌলভী সামসুদ্দোহা নামের একজন আসামির মৃত্যু হয় কারাগারে। আবদুল মজিদ মাস্টার নামের একজন আসামি মামলা চলাকালে মৃত্যু হয়। বর্তমানে সালামত উল্লাহ খান, ওসমান গণী, বাদশা মিয়া ও মৌলভী নুরুল ইসলাম কারাগারে রয়েছেন। শর্তসাপেক্ষে জামিনে আছেন রশিদ মিয়া। পলাতক রয়েছেন মৌলভী জাকরিয়া সিকদার, অলি আহমদ, মৌলভী আমজাদ আলী, মোঃ জালাল উদ্দিন, সাইফুল ইসলাম সাবুল, মমতাজ আহমদ, হাবিবুর রহমান, মৌলভী আব্দুল মজিদ, আব্দুল শুক্কুর, মোলভী সামসুদ্দোহা, মো. জাকারিয়া , মো. জিন্নাহ ওরফে জিন্নাত আলী , মোলভী জালাল ও আব্দুল আজিজ ।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মহেশখালী উপজেলার সাবেক কমান্ডার ছালেহ আহমদ ১৭ জন যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে তদন্ত করতে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে আবেদন করেন। এর সুত্র ধরে মাঠ পর্যায়ে তদন্ত করে ৭৯ জন মানবতা বিরোধী অপরাধের সাথে জড়িত বলে চিহ্নিত করা হয়।

প্রথম আবেদনকারি মুক্তিযোদ্ধা ছালেহ আহমদ জানিয়েছেন, বিগত ৪৭ বছর ধরে যাদের বিচারের জন্য বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা চালিয়েছি। এখন বিচারের প্রক্রিয়া শুরু হলেও ১২ আসামি ধরা ছোয়ার বাইরে রয়েছেন। অভিযুক্তরা মহেশখালীর বিভিন্ন স্থানে যেভাবে গনহত্যাসহ মানবতা বিরোধী অপরাধ সংগঠিত করেছে তা কল্পনারও বাইরে। তাদের দৃষ্ঠান্তমুলক শাস্তি হবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বর্তমান দলিল অনুযায়ি ৯৪ জনকে হত্যার বিষয়টি থাকলেও নিহতের সংখ্যা ৮০০ এরও বেশী।

১৯৭১ সালে ২৩ মার্চ যখন দেশব্যাপী যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছিল তখন চট্টগ্রাম ও বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় সাড়ে ৭৫০ জন ব্যবসায়ি আদিনাথ এর প্রায় ১২০০ গজ উত্তরে আশ্রয় নিয়েছিল। ১৯৭১ সালের ৬ মে মহেশখালীতে পাকবাহিনীর অভিযান শেষ করে চলে যাওয়ার আগ মুহুর্তে অভিযুক্তদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ি হানাদার বাহিনী ভারী অস্ত্র নিয়ে ওই পাহাড়ে হামলা চালিয়ে অধিকাংশ লোককে হত্যা করে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ওই আশ্রয় স্থল থেকে বিপুল পরিমান কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

শহীদ ইউনুচের পরিবারের একজন সদস্য জানিয়েছেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে মামলা হলেও অধিকাংশ যুদ্ধাপরাধী এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় আমরা অপমান বোধ করছি। আমরা আসামিদের বিচার দেখে যেতে চাই। অধিকাংশ আসামি কক্সবাজারেই আছে এমন দাবী করে ওই শহীদ পরিবারের সদস্যরা জানান, পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারের কোন চেষ্টাই করছে না। এই পর্যন্ত কোন যুদ্ধাপরাধীর খোঁজ খবর নেওয়া হয়নি প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ জানিয়েছেন, পলাতক যুদ্ধাপরাধীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
তদন্তকারি কর্মকর্তা (এএসপি) নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, তদন্ত সম্পন্ন করে প্রতিবেদন দাখিলের পর এখন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য্য হয়েছে। গ্রেপ্তারের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের।

 
সর্বশেষ সংবাদ
  • একুশের গ্রন্থমেলায় মেলায় প্রতিদিনই বই বিক্রি বাড়ছেআন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাতায়াতের রুটম্যাপ প্রণয়নবিশ্ব ভালবাসা দিবসে অমর একুশের গ্রন্থমেলায় দর্শনার্থীদের ঢলশেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ নির্ধারিত সময়ের আগেই উন্নত দেশে পরিণত হবে : সরকারি দলরোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা নিরসনে ইইউ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে টাঙ্গাইলের মধুপুরে চাঞ্চল্যকর রূপা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ৪ জনের ফাঁসি’র আদেশআদালতের আদেশ অনুযায়ী কারাগারে ডিভিশন পেলেন খালেদা জিয়াভারতীয় গণমাধ্যমের মন্তব্য খালেদার দণ্ড হাসিনাকে শক্তিশালী করেছেএকুশের বই মেলায় প্রাণ এসেছে : বেড়েছে বিক্রি জনগণের জানমাল রক্ষায় যতদিন প্রয়োজন ততদিনই পুলিশি নিরাপত্তা থাকবে : আইজিপি‘রায়ের কপি হাতে পেলেই হাইকোর্টে আপিল করা হবে’তারেকসহ অন্যদের ১০ বছর কারাদন্ড-জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় রায় : সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ৫ বছর জেল ভীত হবেন না : আশ্বস্ত করছি ৮ ফেব্রুয়ারি কিছু হবে না : আইজিপি রাষ্ট্রপতি পদে এ্যাড. মো. আবদুল হামিদের পক্ষে মনোনয়নপত্র দাখিলবিএডিসি ও পিআইবি আইনের খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভাবিএনপিসহ সবদল একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে : সিইসি'র আশাবাদরাষ্ট্রপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ চূড়ান্ত করেছেনরক্তঋনে কেনা, কারো দানে নয় ! ‘অমর একুশের সিঁড়ি বেয়ে আমার বাংলা মায়ের কোল’শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে যাচ্ছে : বাহাদুর বেপারীশুরু হলো বাংলা একাডেমিতে মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলা
  • একুশের গ্রন্থমেলায় মেলায় প্রতিদিনই বই বিক্রি বাড়ছেআন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাতায়াতের রুটম্যাপ প্রণয়নবিশ্ব ভালবাসা দিবসে অমর একুশের গ্রন্থমেলায় দর্শনার্থীদের ঢলশেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ নির্ধারিত সময়ের আগেই উন্নত দেশে পরিণত হবে : সরকারি দলরোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা নিরসনে ইইউ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে টাঙ্গাইলের মধুপুরে চাঞ্চল্যকর রূপা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ৪ জনের ফাঁসি’র আদেশআদালতের আদেশ অনুযায়ী কারাগারে ডিভিশন পেলেন খালেদা জিয়াভারতীয় গণমাধ্যমের মন্তব্য খালেদার দণ্ড হাসিনাকে শক্তিশালী করেছেএকুশের বই মেলায় প্রাণ এসেছে : বেড়েছে বিক্রি জনগণের জানমাল রক্ষায় যতদিন প্রয়োজন ততদিনই পুলিশি নিরাপত্তা থাকবে : আইজিপি‘রায়ের কপি হাতে পেলেই হাইকোর্টে আপিল করা হবে’তারেকসহ অন্যদের ১০ বছর কারাদন্ড-জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় রায় : সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ৫ বছর জেল ভীত হবেন না : আশ্বস্ত করছি ৮ ফেব্রুয়ারি কিছু হবে না : আইজিপি রাষ্ট্রপতি পদে এ্যাড. মো. আবদুল হামিদের পক্ষে মনোনয়নপত্র দাখিলবিএডিসি ও পিআইবি আইনের খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভাবিএনপিসহ সবদল একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে : সিইসি'র আশাবাদরাষ্ট্রপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ চূড়ান্ত করেছেনরক্তঋনে কেনা, কারো দানে নয় ! ‘অমর একুশের সিঁড়ি বেয়ে আমার বাংলা মায়ের কোল’শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে যাচ্ছে : বাহাদুর বেপারীশুরু হলো বাংলা একাডেমিতে মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলা
উপরে