প্রকাশ : ০৪ এপ্রিল, ২০১৭ ০৩:১১:৫৮
শ্রমবাজারের সন্ধান বাংলাদেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশ বাণী, ৪ এপ্রিল, ঢাকা : বর্তমান বিশ্ব শ্রমবাজারে বাংলাদেশকে টিকে থাকতে হলে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির বিষয়টি গুরুত্বসহকারে আমলে নিয়ে সে অনুযায়ী কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং এর কোনো বিকল্প নেই। তবে এ ক্ষেত্রে ‌তার ব্যত্যয় ঘটছে।

বর্তমান বৈশ্বিক মন্দারকালে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের শ্রমবাজার ধরে রাখার পাশাপাশি নতুন নতুন শ্রমবাজারের সন্ধান বাংলাদেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। যে করেই হোক বাংলাদেশকে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে।

একই সঙ্গে অভিবাসন ব্যয় হ্রাস, দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি, অভিবাসনের পর কর্মীদের সহযোগিতা দান এবং দূতাবাসগুলোকে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর ব্যাপারে সরকারকে আরও অধিক মনোযোগী হতে হবে।

এক প্রতিবেদনে প্রকাশ, আনুপাতিকহারে নারীকর্মী পাঠানোর শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় বিদেশে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কর্মক্ষেত্র সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়েছে। শুধু গত বছরের ডিসেম্বরেই ৫০ হাজার পুরুষকর্মীর পাসপোর্ট জমা নেয়নি সৌদি দূতাবাস। পরবর্তী মাসগুলোয়ও এ ধারা অব্যাহত রয়েছে। এ অবস্থায় সে দেশে শ্রমিক রপ্তানিতে ভয়াবহ ধস নেমেছে।

গত ডিসেম্বর থেকে সৌদি দূতাবাস প্রতি ১০০ জনে ২৫ জন নারী ও ৭৫ জন পুরুষের পাসপোর্ট জমা না দিলে পুরুষকর্মীদের পাসপোর্ট জমা নেয়া বন্ধ করে দেয় সংশ্লিষ্ট দূতাবাস। দেশের রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো আনুপাতিক হারে নারীকর্মী জোগাড়ে ব্যর্থ হওয়ায় হাজার হাজার পুরুষকর্মীর পাসপোর্ট আটকে যাচ্ছে। ফলে দেশটির বিশাল শ্রমবাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আমরা মনে করি এই অবস্থার দ্রুত অবসান হওয়া জরুরি। কারণ বাংলাদেশ যদি শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয় এবং সৌদি দূতাবাস যদি নারী-পুরুষ আনুপাতিক হারকে অধিকহারে গুরুত্ব দিয়ে কঠোর অবস্থানে থাকে তা হলে শ্রমিক রপ্তানির ক্ষেত্রে বড় ধরনের ধস নামবে। যা রেমিটেন্সের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

মনে রাখতে হবে দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রেখেছে প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিটেন্সপ্রবাহ। সুতরাং বিদেশে জনশক্তি রপ্তানিতে যাতে কোনোরকম ব্যত্যয় না ঘটে সেদিকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে বিশেষ মনোযোগ দেয়া অতীব জরুরি।

বলার অপেক্ষা রাখে না যে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের শ্রমিকদের যথেষ্ট চাহিদা থাকা সত্ত্বেও আমরা বিভিন্ন সময়ে শ্রমিক রপ্তানি করতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছি। এর পাশাপাশি রয়েছে প্রবাসে বাংলাদেশি শ্রমিকদের নানা ধরনের অপরাধপ্রবণতা। ফলে বিদেশি বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বাংলাদেশের শ্রমিকরা যেসব দেশে কর্মরত রয়েছে ওইসব দেশের বাংলাদেশ দূতাবাস কী করছে?

অপরাধকর্ম ছাড়াও অনেক শ্রমিকই মানবেতর জীবনযাপন করছে, অনেকেই প্রতারিত হচ্ছে। এসব বিষয়েও সরকারকে তদারকিতে আনতে হবে।

অপরাধপ্রবণতা ছাড়াও দক্ষ শ্রমিকের অভাবে বাংলাদেশ অনেক দেশের শ্রমবাজার হারাচ্ছে। নতুন নতুন বাজার সন্ধানের পাশাপাশি শ্রমবাজার ধরে রাখার চেষ্টা চালাতে হবে। কারণ বিদেশে কর্মরত বিপুলসংখ্যক শ্রমিক যদি বেকার হয়ে দেশে ফিরে আসে তখন কী হবে? এমনিতেই তো দেশে কর্মসংস্থানের দারুণ অভাব। সুতরাং বাড়তি চাপ সহ্য করা খুবই কঠিন। এ বিষয়েও সরকার ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে ভাবতে হবে।

জনশক্তি রপ্তানি প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও ত্রুটিমুক্ত করতে পররাষ্ট্র, প্রবাসী কল্যাণ, শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে সম্মিলিতভাবে কাজ করাও জরুরি। দূতাবাসগুলোয় কর্মরতদের অদক্ষতার বিষয়টি আমলে নেয়া উচিত। দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও প্রবৃদ্ধির কথা বিবেচনায় এনে সরকার অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
সর্বশেষ সংবাদ
  • সিকান্দারের ব্যাটিং নৈপুণ্যে : স্বাগতিকরা ৪০ রানে হারিয়েছে সিলেট সিক্সার্সকেইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি মধ্যপ্রাচ্যের ‘নয়া হিটলার’ : সৌদি যুবরাজবঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের স্বীকৃতি যথাযথ মর্যাদায় সারা দেশে উদযাপন আজআওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষের সত্যিকার উন্নতি হয় : প্রধানমন্ত্রী দশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন শেষ হয়েছেজার্মানী, সুইডেন ও ইইউ’র রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি জোরালো সমর্থন রাবি ছাত্রী অপহরণ : সাবেক স্বামীসহ ২ জনকে ১ দিনের রিমান্ড বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও
  • সিকান্দারের ব্যাটিং নৈপুণ্যে : স্বাগতিকরা ৪০ রানে হারিয়েছে সিলেট সিক্সার্সকেইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি মধ্যপ্রাচ্যের ‘নয়া হিটলার’ : সৌদি যুবরাজবঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের স্বীকৃতি যথাযথ মর্যাদায় সারা দেশে উদযাপন আজআওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষের সত্যিকার উন্নতি হয় : প্রধানমন্ত্রী দশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন শেষ হয়েছেজার্মানী, সুইডেন ও ইইউ’র রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি জোরালো সমর্থন রাবি ছাত্রী অপহরণ : সাবেক স্বামীসহ ২ জনকে ১ দিনের রিমান্ড বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও
উপরে