প্রকাশ : ২৯ মে, ২০১৭ ০২:৩৬:৩৬
তীব্র দাবদাহের কারণে বাড়ছে শিশু রোগী সংখ্যা, সতর্কতা প্রয়োজন
বাংলাদেশ বাণী, ঢাকা, ২৯ মে : গত কয়েক দিন ধরেই চলছে তীব্র দাবদাহ। এই গরমে যেন জনজীবনই ওষ্ঠাগত। অতিরিক্ত গরমের কারণে নানা ধরনের দুর্ভোগে বিপর্যস্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষের জীবন। ভুগতে হচ্ছে নানা রকম অসুখ-বিসুখেও। হাসপাতালগুলোতেও ভিড় বাড়ছে রোগীর। আর যখন প্রচন্ড দাবদাহে শিশুরোগীর সংখ্যা বাড়ছে তখন তা সন্দেহাতীভাবেই উদ্বেগজনক পরিস্থিতির ইঙ্গিত বহন করে।

বলার অপেক্ষা রাখে না যে, স্বাভাবিকভাবেই এই পরিস্থিতিতে শিশুদের বিশেষ যত্ন নিতে হবে, রোদ থেকে দূরে রাখার পাশাপাশি তাদের গায়ে যাতে ঘাম না জমে, সেটি খেয়াল রাখতে হবে। বাতাসে রাখা ছাড়াও জ্বর বা কোনো অসুখ দেখা দিলে দেরি না করে ডাক্তারের কাছে নেয়ার পরামর্শও দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

আমরা মনে করি, এহেন পরিস্থিতিতে মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদেরকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ সাপেক্ষে কার্যকর পদক্ষেপ নিশ্চিত করার বিকল্প নেই।
পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত খবরে জানা যাচ্ছে যে, গত কয়েক দিনের তীব্র দাবদাহের কারণে রোগী বাড়ছে। মূলত জ্বর, টাইফয়েড, আমাশয় ও ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যাই বেশি। আর যেখানে কিছুদিন আগেও হাসপাতালের বেশকিছু বিছানা ফাঁকা থাকতো সেখানে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে যে, ফাঁকা তো নেই, উপরন্তু স্থান সংকুলান না হওয়ায় রোগীদের ফিরে যেতে হচ্ছে।

ঢাকা শিশু হাসপাতালের একজন সিনিয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ৬০০ থেকে ৬৫০ রোগী আসত, এখন সেখানে ৮০০ থেকে ৮৫০ রোগী আসছে। মূলত গত এক দেড় সপ্তাহ ধরে গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে এমনটি জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, আমরা বলতে চাই, এই বিরূপ আবহাওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতি সামগ্রিকভাবেই উৎকণ্ঠার। ফলে, অভিভাবক সচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়টি যেমন জরুরি, তেমনি সরকার সংশ্লিষ্টদেরও যথাযথ উদ্যোগ জারি রাখতে হবে। এটা সত্য যে, বিপুল জনসংখ্যার এই দেশে চিকিৎসা নিশ্চিত করা সহজ নয়। এ ছাড়া চিকিৎসক এবং চিকিৎসা সরঞ্জামাদির সংখ্যাও প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। ফলে, পরিস্থিতি অনুযায়ী সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে এ সংক্রান্ত পরিস্থিতি মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া অপরিহার্য। বিশেষ করে যেভাবে একের পর শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে, এই বিষয়টি আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্টরা বিশেষ নজর দেবে এমনটি আমাদের কাম্য।

উল্লেখ্য যে, বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসকরা চিকিৎসা দিচ্ছেন এবং প্রতিদিন অসংখ্য রোগী ফেরত যাচ্ছে এমন ঘটনা যেমন ঘটছে, তেমনিভাবে জরুরি হলে অন্য হাসপাতালে পাঠানোরও ব্যবস্থা করছেন। এ ছাড়া জানা গেছে, চিকনগুনিয়া রোগীদেরও সাধারণ রোগীদের মতো চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। আর এটা নিয়ে যাতে কোনো বিভ্রান্তি না ছড়ায় এই বিষয়টিও বিশেষভাবে নজর দেয়া হচ্ছে।

আমরা বলতে চাই, এই সময়ে যে দুঃসহ গরমের মধ্য দিয়ে মানুষকে জীবনযাপন করতে হচ্ছে তার ফলে জ্বর, ডায়রিয়া থেকে শুরু করে নানা অসুখ-বিসুখ বৃদ্ধির কারণে চিকিৎসা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। আবার যদি শিশু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে তবে তা স্বাভাবিকভাবেই এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। আমরা মনে করি, প্রয়োজনে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালাতে হবে, বিশেষ করে এই সময়গুলোতে করণীয়র বিষয়টি তুলে ধরে অভিভাবকদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে।

সর্বশেষে আমরা এ কথাই বলতে চাই যে, চলতি তাপপ্রবাহে শিশুদের প্রতি বিশেষ যত্ন নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শিশু বিশেষজ্ঞরা, সেটি আমলে নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিশ্চিত করা জরুরি। মনে রাখা সঙ্গত, শিশুদের পোশাক থেকে শুরু করে খাওয়া-দাওয়া সবদিকে নজর দেয়া হলে এই পরিস্থিতি অনেকাটাই মোকাবেলা করা সম্ভব হবে।

সামগ্রিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ সাপেক্ষে চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরো এগিয়ে নেয়া এবং এই গরমের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবেলায় সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে এমনটি আমাদের সময়ের প্রত্যাশা।

 
সর্বশেষ সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাতায়াতের রুটম্যাপ প্রণয়নবিশ্ব ভালবাসা দিবসে অমর একুশের গ্রন্থমেলায় দর্শনার্থীদের ঢলশেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ নির্ধারিত সময়ের আগেই উন্নত দেশে পরিণত হবে : সরকারি দলরোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা নিরসনে ইইউ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে টাঙ্গাইলের মধুপুরে চাঞ্চল্যকর রূপা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ৪ জনের ফাঁসি’র আদেশআদালতের আদেশ অনুযায়ী কারাগারে ডিভিশন পেলেন খালেদা জিয়াভারতীয় গণমাধ্যমের মন্তব্য খালেদার দণ্ড হাসিনাকে শক্তিশালী করেছেএকুশের বই মেলায় প্রাণ এসেছে : বেড়েছে বিক্রি জনগণের জানমাল রক্ষায় যতদিন প্রয়োজন ততদিনই পুলিশি নিরাপত্তা থাকবে : আইজিপি‘রায়ের কপি হাতে পেলেই হাইকোর্টে আপিল করা হবে’তারেকসহ অন্যদের ১০ বছর কারাদন্ড-জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় রায় : সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ৫ বছর জেল ভীত হবেন না : আশ্বস্ত করছি ৮ ফেব্রুয়ারি কিছু হবে না : আইজিপি রাষ্ট্রপতি পদে এ্যাড. মো. আবদুল হামিদের পক্ষে মনোনয়নপত্র দাখিলবিএডিসি ও পিআইবি আইনের খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভাবিএনপিসহ সবদল একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে : সিইসি'র আশাবাদরাষ্ট্রপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ চূড়ান্ত করেছেনরক্তঋনে কেনা, কারো দানে নয় ! ‘অমর একুশের সিঁড়ি বেয়ে আমার বাংলা মায়ের কোল’শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে যাচ্ছে : বাহাদুর বেপারীশুরু হলো বাংলা একাডেমিতে মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলারক্তঋনে কেনা, কারো দানে নয়! ‘অমর একুশের সিঁড়ি বেয়ে আমার বাংলা মায়ের কোল’
  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাতায়াতের রুটম্যাপ প্রণয়নবিশ্ব ভালবাসা দিবসে অমর একুশের গ্রন্থমেলায় দর্শনার্থীদের ঢলশেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ নির্ধারিত সময়ের আগেই উন্নত দেশে পরিণত হবে : সরকারি দলরোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা নিরসনে ইইউ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে টাঙ্গাইলের মধুপুরে চাঞ্চল্যকর রূপা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ৪ জনের ফাঁসি’র আদেশআদালতের আদেশ অনুযায়ী কারাগারে ডিভিশন পেলেন খালেদা জিয়াভারতীয় গণমাধ্যমের মন্তব্য খালেদার দণ্ড হাসিনাকে শক্তিশালী করেছেএকুশের বই মেলায় প্রাণ এসেছে : বেড়েছে বিক্রি জনগণের জানমাল রক্ষায় যতদিন প্রয়োজন ততদিনই পুলিশি নিরাপত্তা থাকবে : আইজিপি‘রায়ের কপি হাতে পেলেই হাইকোর্টে আপিল করা হবে’তারেকসহ অন্যদের ১০ বছর কারাদন্ড-জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় রায় : সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ৫ বছর জেল ভীত হবেন না : আশ্বস্ত করছি ৮ ফেব্রুয়ারি কিছু হবে না : আইজিপি রাষ্ট্রপতি পদে এ্যাড. মো. আবদুল হামিদের পক্ষে মনোনয়নপত্র দাখিলবিএডিসি ও পিআইবি আইনের খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভাবিএনপিসহ সবদল একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে : সিইসি'র আশাবাদরাষ্ট্রপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ চূড়ান্ত করেছেনরক্তঋনে কেনা, কারো দানে নয় ! ‘অমর একুশের সিঁড়ি বেয়ে আমার বাংলা মায়ের কোল’শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে যাচ্ছে : বাহাদুর বেপারীশুরু হলো বাংলা একাডেমিতে মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলারক্তঋনে কেনা, কারো দানে নয়! ‘অমর একুশের সিঁড়ি বেয়ে আমার বাংলা মায়ের কোল’
উপরে