প্রকাশ : ০৮ আগস্ট, ২০১৭ ০১:২১:৫৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ★ বিতর্কিত স্মৃতিফলক ! থমকে আছে নির্মাণ কাজ
বাংলাদেশ বাণী, রাবি প্রতিনিধি : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবি স্মৃতিফলকে বঙ্গবন্ধুর ছবি নিচের দিকে রেখে অসম্মানিত করা হয়েছে এমন অভিযোগ উঠার পর থেকে থমকে আছে নির্মাণ কাজ। নির্ধারিত সময়ের ৯ মাস অতিবাহিত হয়ে গেলেও নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি। তাছাড়া কবে নাগাদ শেষ হচ্ছে নির্র্মাণ কাজ সে নিয়েও সৃষ্টি হয়েছে অনিশ্চয়তার। অনেকে দাবি করছেন, সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠন ও স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীদের আন্দোলনের মুখে সিদ্ধান্তহীনতায় কাজ এগোতে পারছেন না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে নির্মাণ কর্তৃপক্ষ দাবী করছেন, নতুন করে বাজেট বরাদ্দ না পাওয়ার কারণে স্মৃতিফলকের নির্মাণ কাজ শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না।

জানতে চাইলে নির্মাণ কমিটির আহবায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক সুলতান উল ইসলাম বলেন, একসাথে বাজেট করে স্মৃতিফলকটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি। ভৌত কাঠামো নির্মাণ ও শৈল্পিক এই দুই টি পর্যায়ে অর্থ বরাদ্দ দিয়ে কাজ হচ্ছে। এভাবে অর্থ বরাদ্দ নিয়ে কাজ শুরু হয়েছিল।

কবে নাগাদ শেষ হচ্ছে সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন যে পরিমাণ অর্থ স্মৃতিফলকটি নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সে অর্থ ব্যয় হয়ে গেছে।  নির্মাণ কাজ শেষ করার জন্য এখনও অনেক টাকা ব্যায়ের প্রয়োজন। বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অর্থ বরাদ্দের বিষয়ে আবেদন করা হয়েছে সিন্ডিকেটের অনুমোদন পেলে অতিদ্রুত কাজ শেষ করা হবে।
এ বিষয়ে কৌশলে বাজেটে বরাদ্দ না পেলে কাজ সমাপ্ত করা সম্ভব হচ্ছে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে বিতর্কিত অবস্থায় পড়ে থাকা এ স্মৃতিফলকটি ভেঙ্গে নতুন করে তৈরি করতে হবে  বলে দাবি জানিয়েছিল বিশ^বিদ্যালয় ছাত্রলীগ ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এনিয়ে বছরের এপ্রিলের ১৫ তারিখে প্রথম বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা। পরে মে মাসে আবারও মে মাসের ১৪ তারিখে মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি খায়রুজ্জামান লিটন, সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারকে সাথে নিয়ে আবারও বিক্ষোভ করেন।

তারা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে বঙ্গবন্ধু সকলের উর্ধ্বে। ক্যাম্পাসে এই স্মৃতিফলকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি নিচের দিকে স্থাপন করে তাকে চরমভাবে অবমাননা করা হয়েছে। তাই বঙ্গবন্ধুকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে নতুন করে স্মৃতিফলক নির্মাণের দাবি জানান তারা।
তবে নতুন করে তৈরি হবে কি হবে না সে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা নির্মাণ কমিটির কোন সুনির্দিষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, গত প্রশাসনের আমলে আমরা আন্দোলন করেছিলাম। নতুন উপাচার্য আসার পর আমরা বঙ্গবন্ধুর ছবি বিকৃতি নিয়ে কথা বলেছি। উপাচার্য আমাদের আস্বস্ত করেছেন যে বঙ্গবন্ধুকে তার সম্মানের স্থানে রেখেই স্মৃতিফলকের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হবে।

স্মৃতিফলকের নির্মাণ কাজ থেমে থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য আনন্দ কুমার সাহা বলেন, দৃশ্যত থেমে আছে দেখালেও প্রকৃত অর্থে নির্মাণ কাজ থেমে নেই। উপাচার্য মহোদয়ের সাথে আলোচনা হয়েছে তিনি বিষয়টি দেখছেন। তাছাড়া অতি দ্রুত নির্মাণ কাজ শেষ করা হবে বলেও জানান তিনি।
নতুন করে নির্মাণ হবে কিনা এ বিষয়ে তিনি বলেন, যদি প্রয়োজন হয় তবে সে বিষয়ে প্রশাসন পদক্ষেপ নিবে।

জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিরক্ষা এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গত বছরের ১০ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলক এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন উপাচার্য ড. মুহম্মদ মিজানউদ্দিন। স্মৃতিফলকটির নির্মাণ ব্যায় ধরা হয় ৬১ লাখ টাকা।
তাছাড়া স্মৃতিফলক নির্মাণ কাজ গত বছরের শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের (১৪ ডিসেম্বর) আগেই সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সর্বশেষ সংবাদ
  • জার্মানী, সুইডেন ও ইইউ’র রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি জোরালো সমর্থন রাবি ছাত্রী অপহরণ : সাবেক স্বামীসহ ২ জনকে ১ দিনের রিমান্ড বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যমান চিনি আইন রহিতের সিদ্ধান্তমহানগরী ঢাকাকে ‘সেফনগরী’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন ১০ কার্য দিবস চলবেস্থানীয় সরকারের অধীন দেশের ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানে ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণবিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না : খালেদা জিয়া
  • জার্মানী, সুইডেন ও ইইউ’র রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি জোরালো সমর্থন রাবি ছাত্রী অপহরণ : সাবেক স্বামীসহ ২ জনকে ১ দিনের রিমান্ড বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যমান চিনি আইন রহিতের সিদ্ধান্তমহানগরী ঢাকাকে ‘সেফনগরী’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন ১০ কার্য দিবস চলবেস্থানীয় সরকারের অধীন দেশের ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানে ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণবিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না : খালেদা জিয়া
উপরে