প্রকাশ : ১১ এপ্রিল, ২০১৮ ০৩:২০:৫২
আধার কেটে আলোর দেখা প্রাচীন সভ্যতা'র দেশ মিশর দূতাবাসে
বাংলাদেশ বাণী, কায়রো, (মিশর) থেকে ইউ, এইচ, খান : প্রাচীন সভ্যতা ও আফ্রিকার দরজা হিসাবে মিশর সমাদৃত। মিশর বললেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠে পিরামিড আর নীল নদ। মিশর বাংলাদেশের বিশেষ বন্ধুরাষ্ট্র। স্বাধীনতার পর থেকেই মিশর বাংলাদেশকে বিভিন্ন ভাবে সহোযগিতা করে আসছে।

আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিমন্ডলেও মিশর ও বাংলাদেশ একে উপরকে সমর্থন করে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর তুলনায় মিশরে প্রবাসী বাংলাদেশীর সংখ্যা খুবই নগন্য। আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়, কায়রো বিশ্ববিদ্যালয় সহ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নের জন্য বাংলাদেশ থেকে গড়ে ৫০ থেকে ১০০ জন ছাত্র-ছাত্রী প্রতিবছর মিশর আসেন।

অতীতে মিশরের বিভিন্ন সেক্টরে বাংলাদেশ থেকে নিয়মিত শ্রমিক আসত। কিন্তু আরব বসন্তের পর মিশরের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় শ্রমিকের স্রোত কমে যায়। আর সর্বশেষ মিশর সরকার বাংলাদেশ সহ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের ওয়ার্ক পারমিট দেয়া একে বারে বন্ধ করে দেয়। ইতিমধ্যেই মিশরের বিভিন্ন সেক্টরে বাংলাদেশী অনেক ব্যাবসায়ীরা প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছেন। অনেকে টুরিস্ট ভিসায় এসে বিভিন্ন ভাবে থেকে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

অতীতে মিশর দূতাবাসের বেশ কিছু সফল কর্মকান্ড রয়েছে। বিশেষ করে আরব বসন্তের সময় মিশর প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ, লিবিয়ার বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশীদের নিরাপদে লিবিয়া থেকে বের করে প্রথমে মিশর ও পরে বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যাবস্থা মিশর দূতাবাসই করেছিল। অনেক ভাল কর্মময় অতীত ইতিহাস থাকা সত্বেও বিগত কয়েক বছর দূতাবাসে শনির দশা ভর করেছিল। লাগামহীন দূর্নীতি, প্রবাসীদের সাথে খারাপ আচরণ, সময়মত কনসূলেট সার্ভিস প্রদান না করা সহ বিভিন্ন অভিযোগে দূতাবাসের বিরুদ্ধে প্রবাসীরা বেশ অসন্তুষ্ট হয়ে উঠেছিল।

একেবারে নেহায়েত প্রয়োজন না হলে কেউ দূতাবাসে যেতে চাইতো না। এছাড়া দালাল ও সিন্ডিকেটের ছিল চরম রাজত্ব। দূতাবাসের অল্প কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর মদদে বাংলাদেশের কয়েকজন সন্ত্রাসী মিশরে অপরাধের এক স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছিল। মুক্তিপনের জন্য অপহরন, চাদাবাজি ও মানব পাচার হয়ে উঠেছিল নিত্যদিনের ঘটনা।  

তবে দিন বদলেছে। এতক্ষন যা পড়লেন সবই এখন অন্ধকার অতীত । মিশর দূতাবাস এখন নতুন আলোয় উদ্ভাসিত। দীর্ঘদিন রাষ্ট্রদূত বিহীন থাকার পর বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য বরেন্য কূটনৈতিক মোহাম্মদ আলী সরকার মিশরের রাষ্ট্রদূত হিসাবে গত বছর ফেব্রুয়ারীতে দায়ীত্ব গ্রহন করেন। তারপর থেকেই বদলে যেতে থাকে মিশর দূতাবাসের চিত্র। তিনি লাগাম টেনে ধরেন সকল ধরনের দূর্নীতির। পরিস্থিতি সম্পর্কে জানার জন্য তিনি গোপনে প্রবাসীদের সাথে আলোচনা শুরু করেন এবং তাদের পরামর্শ চান।

শুধু মাত্র জনগনের সেবা নিশ্চিত করার জন্য তিনি চাকরীর শেষ বয়সেও সর্বোচ্য অবস্থানে থেকে মধ্যরাত অব্দি প্রবাসীদের নিকট ছুটে বেরিয়েছেন। কথা বলেছেন মানুষের সাথে। শুনেছেন তাদের অভিযোগ ও পরামর্শ।  কোন দূতবাসে রাষ্ট্রদূতের এধরনের কর্মপরিকল্পনা বাংলাদেশের কূটনৈতিক ইতিহাসে খুবই বিরল।

রাষ্ট্রদূত একটি যুদ্ধ শুরু করেছিলেন। দূতাবাসের সকল সিস্টেমের আমূল পরিবর্তন শুরু করেন। সর্বশেষ নতুন কাউন্সেলর (রাজনৈতিক) এ.টি.এম আব্দুর রউফ মন্ডল যোগদান করার পর দূতাবাসের স্বচ্ছতার একটি  নতুন মাত্রা সৃষ্টি হয়। এখন আর কাউকে কোন কিছুর জন্য তদবির করতে হয় না। নেই কোন অযথা লাইন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে যে কেউ তার সেবা নিতে পারে এখন সহজেই। ঘুষ বানিজ্য একেবারেই বিলুপ্ত। শুরু হয়েছে ডিজিটাল সেবা ব্যাবস্থা। নতুন ইস্যুকৃত পাসপোর্ট আসার খবর এখন ওয়েব সাইটেই পাওয়া যায়। তাছাড়া ফোন সার্ভিস এবং তথ্য সেবার আমূল উন্নতি হয়েছে।  

মিশরের কায়রো মিশন মূলত একটি ছোট দূতাবাস। সাধারনত এধরনের দূতাবাস গুলোকে তিন কর্মকর্তার (থ্রি ম্যান শো) দূতাবাস বলা হয়। একজন রাষ্ট্রদূত, একজন কাউন্সেলর ও একজন শ্রম সচিব। মিশর দূতাবাসে শ্রম সচিব হিসাবে কর্মরত আছেন জনাবা জোবাইদা মান্নান। অতি স্বল্প লোকবল নিয়ে মেহেনতি প্রবাসী শ্রমিকদের উনি যথাসাধ্য সেবা দিচ্ছেন। গত বছর মিশরে অবৈধ প্রবাসীদের ব্যাপক হারে গ্রেপ্তার শুরু করে মিশরীয় পুলিশ। এতে বিপুল সংখ্যক অবৈধ বাংলাদেশী প্রবাসী গ্রেপ্তার হয়েছিল।

ছোট একটি দল নিয়ে সকল গ্রেপ্তারকৃত প্রবাসী কর্মীদের দ্রুততম সময়ে ট্রাভেল ডকুমেন্ট সহ আইনি জটিলতা শেষে তাদের বাংলাদেশে পাঠানোর বিশেষ ব্যাবস্থা গ্রহন করেন। এতে দীর্ঘদিন জেলে থাকার বদলে গড়ে ১৫ দিনের মধ্যেই গ্রেপ্তারকৃত বাংলাদেশীরা দেশে ফেরত যেতে স্বক্ষম হন। মিশরের বেশীরভাগ শ্রমিকই বর্তমানে অবৈধ। তাদের সমস্যা সমাধানে আইনের ভেতর থেকে জনাবা জোবাইদা মান্নানের নেতৃত্বে সর্বোচ্য সেবা দিয়ে যাচ্ছে মিশরস্থ শ্রম বিভাগ।

মিশর প্রবাসীদের সেবা পাওয়ার জন্য যা করনীয় :

অনেক প্রবাসীই দূতাবাসে গিয়ে কোন ধরনের প্রমান দলিল দাখিল না করেই বিভিন্ন ডকুমেন্টের জন্য অনুরোধ করেন। প্রথমত মনে রাখা দরকার আইনগত ভাবে আপনি দূতাবাস থেকে যে কোন ধরনের সেবা গ্রহন করার জন্য আপনি যে বাংলাদেশের নাগরিক তার প্রমান দাখিল করতে হবে। সাধারনত পাসপোর্টের কপি দাখিল করতে হয়। যদি পাসপোর্ট হারিয়ে যায় তা হলে ডিজিটাল জন্মনিবন্ধন ও ভোটার আইডি (যদি থাকে) তার ফটোকপি দাখিল করতে হবে।

আপনি বাংলা বলতে পারেন বলেই যে আপনাকে সব সেবা দিবে তা কিন্তু নয়। সব কিছুরই একটি আইন আছে। এবার ধরুন আপনার ছাত্র স্বংক্রান্ত একটি প্রশংসাপত্র দরকার মিশরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার জন্য। আপনি গিয়ে পাসপোর্টের কপি দিয়েই দূতাবাসের চিঠি চাইলেন। কিন্তু আপনি যে ছাত্র তার প্রমান দিলেন না। তাহলে দূতাবাস কি করে আপনার চিঠি ইস্যু করবে। অনেকে শুধু সার্টিফিকেটের কপি দিয়ে চিঠি চান।

কিন্তু মনে রাখা দরকার দূতাবাস শুধু্ একটি মিডিয়া মাত্র যা বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ হয়ে মিশরের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করে। দূতাবাসের কোন কিছু তদন্ত করার জন্য গোয়েন্দা টিম নেই যে আপনার দেয়া তথ্য দেশে গিয়ে মিলিয়ে দেখবে। আপনাকে শিক্ষা মন্ত্রনালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সত্যায়িত করা সার্টিফিকেট দাখিল করতে হবে। এটাই আইন। অথবা আপনি বিয়ের অনুমতিপত্র চাইলে আপনি যে অবিবাহিত তার সার্টিফিকেট লাগবে যা দেশের নিজ জেলার ডিসি অফিস প্রদান করে থাকে। বিয়ের জন্য

অভিভাবকের নোটারীকৃত অনুমতি পত্র আবশ্যক। যা দেশ থেকে করিয়ে আনতে হয়। সবার মনে রাখা দরকার এগুলো দূতাবাসের কোন কর্মকর্তার মস্তিস্কপ্রসূত আইডিয়া নয়। এগুলো পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের দূতাবাসের সেবা সংক্রান্ত আইন। অনেকে পাসপোর্ট করতে আসেন খালি হাতে। প্রত্যেকটি সেবার জন্য আলাদা আলাদা বাংলা বা ইংরেজী আবেদন পত্র ও প্রয়োজনীয়তার স্বাপেক্ষে প্রমানাদি দাখিল করলে আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আপনার কাঙ্খিত সেবা পাবেন।

শ্রম বিভাগে অনেকে প্রবাসে সংগঠিত ঘটনার বিচার নিয়ে আসে। প্রথমেই মনে রাখা দরকার শ্রম বিভাগ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নয়। মিশরে সংগঠিত যে কোন ধরনের অপরাধের তদন্ত ও বিচার মিশরের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উপর বর্তায়। অনেকে হুন্ডির টাকা, আদম ব্যবসার জটিলতা নিয়ে দূতাবাসের কাছে বিচার চান। দূতাবাসের এবিষয়ে কোন সার্ভিস দেয়ার কথা না। তারপরও সব সময় দূতাবাস ক্ষতিগ্রস্থদের কথা চিন্তা করে যথা সম্ভব ব্যাবস্থা গ্রহন করেন। অনেকে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে দূতাবাসকে সমাধান করে দেয়ার জন্য চাপ দেয়। যা সম্পূর্ন অযৌক্তিক।

তারপরও দূতাবাস বিভিন্ন সময় প্রবাসীদের মাঝে শান্তির লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের মধ্যস্থতা করে দিয়ে থাকে। দূতাবাসের সাহায্যে বিশেষ করে শ্রম বিভাগের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের আইন আনুগ ব্যাবস্থা নিয়মিত নেয়া হয় । কাউকে বাংলাদেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে তুলে দেয়া হয়, কাউকে মিশরীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে তুলে দেয়া হয়। গত কয়েক বছরের অপরাধের রাজত্ব অনেকটাই কমেছে এই ধরনের পদক্ষেপের ফলে।

মিশর প্রবাসীদের মাঝে দূতাবাস নিয়ে এখন খুশির ভাব বিরাজ করছে। সবাই আশা করছে কর্মকর্তারা বদলী হলেও এই সুন্দর ব্যাবস্থা বহাল থাকবে। প্রবাসীরা এখন স্বাচ্ছন্দে দূতাবাসে আসতে পারেন। প্রবাসে একখন্ড বাংলাদেশের ছোয়া পাবেন দূতাবাসে গেলে। দূতাবাসের নিচতলায় একটি মন্তব্য বই আছে। কোন অভিযোগ বা অনুরোধ থাকলে লিখে আসতে পারেন। নিশ্চিত থাকতে পারেন  এই মন্তব্য বই নিয়মিত চেক করা হয় এবং প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়া হয়।

দূতাবাসে যাওয়ার পূর্বেই আবেদন লিখে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সাথে করে নিয়ে নিন। এরপর সাধারনত পাচ মিনিটেই আপনার আবেদন জমা দিয়ে দিতে পারবেন। বাইরে নোটিশ বোর্ডে কোন সেবার জন্য কেমন সময় লাগবে এবং কখন ডেলিভারি নিতে হবে তা সুন্দর করে লেখা আছে। নির্দিষ্ট সময় পরে গেলে আপনার কাগজপত্র ঠিক থাকলে আপনার কাঙ্খিত সেবাটি প্রস্তুত অবস্থায় পাবেন। কোন মাধ্যম বা দালালের প্রয়োজন একেবারেই নেই। সব সময় পরিস্কার করে আবেদন , দেশের বিস্তারিত ঠিকানা ও বর্তমান ঠিকানা, ফোন নম্বর লিখে দিন। আর হ্যা দুপুর এগারোটার আগে জমা দিতে পারলে ঐ দিনই আপনার আবেদনটি প্রয়োজনীয় বিভাগে পাঠানো হবে।

সকল প্রবসীদের মনে রাখা দরকার সেবা পাওয়ার জন্য আমাদেরও কিছু দায়ীত্ব আছে। প্রথমত আপনি একটু ভাল ব্যাবহার ও আন্তরিকতা দূতাবাসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের আনন্দ দেয়। আপনি যেমন প্রবাসে কাজ করছেন তারও প্রবাসে কাজই করছেন। প্রতিদিন তদের অসংখ্য আপনার মত লোককে ফেস করতে হয়। নিয়মিত অডিটের ভেতর দিয়ে তাদের যেতে একটি ডকুমেন্ট ত্রুটি তাদের চাকরীর জন্য হুমকি হতে পারে। তাই আইন মেনে সেবা নিন। প্রতিটি দূতাবাসের প্রথম কাজই হচ্ছে প্রবাসীদের সেবা দেওয়া।

 
সর্বশেষ সংবাদ
  • সমগ্র জাতির পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনগোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় জাতির জনকের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাবাংলাদেশকে দ্বিতীয় পাকিস্তান বানাতে খুনি মুশতাক-জিয়া অনেক অপকর্ম করেছে : শেখ সেলিমবঙ্গবন্ধু স্মরণে শেখ হাসিনা রচিত “শেখ মুজিব আমার পিতা” আজ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু'র শাহাদতবার্ষিকীআজ শোকাবহ ১৫ আগষ্ট : আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধাবরেণ্য সাংবাদিক ও সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার আর নেই‘শেখ মুজিব পালিয়ে যাবে না, মরলে বাংলার মাটিতেই মরবে’৩-০ গোলে নেপালকে উড়িয়ে দিয়ে সেমিতে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলসেই রাতের বর্ণণা ❏ ঘাতকদের মুখোমুখি হয়েও গর্জে উঠেছিলেন জাতির জনক আগামী ২২ আগস্ট পবিত্র ঈদুল আজহামোমিনুলের বিধ্বংসী ব্যাটিং : জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ ‘এ’ দলকোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ করেছে সরকারবাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের ১৪-০ গোল পাকিস্তানের জালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভায় ১২টি প্রকল্প অনুমোদন আজ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের ৮৮ তম জন্মবার্ষিকীতারেক জিয়ার নীল নকশা বাস্তবায়ন হয়নি : রুখে দিল সরকারমধ্যপাড়া পাথর খনি থেকে ফের ৩ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিকটন পাথর উধাওআন্দোলনরত কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের ঘরে ফিরে যাওয়ার আহবান প্রধানমন্ত্রী'র আজ ২২ শ্রাবণ : বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী
  • সমগ্র জাতির পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনগোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় জাতির জনকের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাবাংলাদেশকে দ্বিতীয় পাকিস্তান বানাতে খুনি মুশতাক-জিয়া অনেক অপকর্ম করেছে : শেখ সেলিমবঙ্গবন্ধু স্মরণে শেখ হাসিনা রচিত “শেখ মুজিব আমার পিতা” আজ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু'র শাহাদতবার্ষিকীআজ শোকাবহ ১৫ আগষ্ট : আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধাবরেণ্য সাংবাদিক ও সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার আর নেই‘শেখ মুজিব পালিয়ে যাবে না, মরলে বাংলার মাটিতেই মরবে’৩-০ গোলে নেপালকে উড়িয়ে দিয়ে সেমিতে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলসেই রাতের বর্ণণা ❏ ঘাতকদের মুখোমুখি হয়েও গর্জে উঠেছিলেন জাতির জনক আগামী ২২ আগস্ট পবিত্র ঈদুল আজহামোমিনুলের বিধ্বংসী ব্যাটিং : জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ ‘এ’ দলকোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ করেছে সরকারবাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের ১৪-০ গোল পাকিস্তানের জালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভায় ১২টি প্রকল্প অনুমোদন আজ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের ৮৮ তম জন্মবার্ষিকীতারেক জিয়ার নীল নকশা বাস্তবায়ন হয়নি : রুখে দিল সরকারমধ্যপাড়া পাথর খনি থেকে ফের ৩ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিকটন পাথর উধাওআন্দোলনরত কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের ঘরে ফিরে যাওয়ার আহবান প্রধানমন্ত্রী'র আজ ২২ শ্রাবণ : বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী
উপরে