প্রকাশ : ০৪ আগস্ট, ২০১৫ ১৩:৩৭:১৫
তাঁর রাজনৈতিক সংগ্রামের বড় পুঁজিই ছিল সাহস ও সততা

আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী : পনের আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুদিবস। বছর ঘুরে দিবসটি আবার  আগত। এই মৃত্যুবার্ষিকী পালনের নানা আয়োজন চলছে। গত চল্লিশ বছর ধরেই তার কর্মজীবন ও রাজনীতির নানা মূল্যায়ন চলছে। আমিও তার জীবন ও রাজনৈতিক সংগ্রাম নিয়ে বহু বছর ধরে লিখছি। আজ তাকে নিয়ে কিছু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা লিখতে চাই। আমার বলার কথা, পাকিস্তান আমলে বাংলাদেশে বহু বড় বড় নেতা ছিলেন। তাদের সবাইকে ডিঙিয়ে শেখ মুজিব যে বঙ্গবন্ধু হয়ে গেলেন, জাতির পিতা হলেন তার বড় কারণ তার চরিত্রের অদম্য সাহস ও সততা। অনেক নেতার মধ্যে সততা ছিল সাহস ছিল না। অনেকের মধ্যে সাহস ছিল, সততা ছিল না। আর বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনে এই দু’টিই ছিল তার বড় পুঁজি, আর এই পুঁজির জোরেই তিনি বিশ শতকের শ্রেষ্ঠ বাঙালি হিসেবে জনরায় পেয়েছেন।

আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার থেকে একটি কাহিনি বলি। ১৯৬৫ সালের শেষের দিকের কথা। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ১৭ দিনের সেপ্টেম্বর যুদ্ধ তখন শেষ হয়ে গেছে। এই যুদ্ধের সময়েই স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে যায়, বাংলাদেশের (তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তান) রক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে পাকিস্তান সরকারের কিছু মাত্র মাথাব্যথা নেই। দেশরক্ষার সকল প্রস্তুতি ও অর্থ কেবল পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য। এছাড়া সর্বক্ষেত্রেই ছিলো ভয়াবহ আঞ্চলিক বৈষম্য।

বঙ্গবন্ধু (তখনো তিনি বঙ্গবন্ধু হননি) এই সময় তার ঐতিহাসিক ছয় দফা প্রণয়ন করেন। এই ছয় দফা নিয়ে তিনি প্রথম শহীদ সিরাজউদ্দীন হোসেনের (তখন দৈনিক ইত্তেফাকের বার্তা সম্পাদক) সঙ্গে আলোচনায় বসেন। এই বৈঠকে আমিও উপস্থিত ছিলাম। পরে তিনি ছয় দফার প্রস্তাবগুলো নিয়ে দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসেন। শেখ মুজিবের ইচ্ছা ছিল, এই ছয় দফা তিনি পাকিস্তানের তত্কালীন প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব খানের হাতে দেবেন। আইয়ুব খান তখন ঢাকা সফরে আসছেন এবং রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা গিয়েছিল।

ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশন রোডের “ইত্তেফাক ভবনে” দ্বারবন্ধ কক্ষে শেখ মুজিবের সঙ্গে মানিক মিয়ার আলোচনা হলো। আমি পরে মানিক ভাইয়ের কাছেই এই বৈঠকের কথা শুনেছি। মানিক ভাই শেখ মুজিবকে বলেছেন, তিনি যদি একা আইয়ুব খানের হাতে এই প্রস্তাবগুলো দিতে যান, তাহলে তাকে বিচ্ছিন্নতাবাদী, রাষ্ট্রদ্রোহী আখ্যা দিয়ে জেলে বন্দী করা হবে। কারণ, ছয় দফায় পূর্ব পাকিস্তানের জন্য আলাদা প্যারা মিলিশিয়া গঠন, বৈদেশিক বাণিজ্য প্রদেশের হাতে ন্যস্ত করা এবং সহজ বিনিময়যোগ্য (easily convertible) আলাদা মুদ্রা ব্যবস্থার প্রস্তাব পাকিস্তানের অবাঙালি সামরিক শাসকদের মাথায় আগুন ধরিয়ে দেবে।

এই ব্যাপারে মানিক ভাইয়ের প্রস্তাব ছিল ছয় দফা নিয়ে তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তানের অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর এটা সকল দলের সর্বসম্মত দাবি হিসেবে আইয়ুব খানকে জানানো হোক। বঙ্গবন্ধু তাতে রাজি হলেন এবং ঠিক হলো মানিক ভাই তার ধানমন্ডির বাসায় এক নৈশ ভোজসভায় সকল নেতাকে আমন্ত্রণ জানাবেন এবং ওই ভোজসভাতেই ছয়দফা নিয়ে আলোচনা হবে।

মানিক ভাই তার ঘনিষ্ঠ সহচর মোতাহার হোসেন সিদ্দিকীর মাধ্যমে সকল নেতাকে তার বাড়িতে আমন্ত্রণ জানান। আমি তখন ‘ইত্তেফাকের’ সম্পাদকীয় বিভাগে কাজ করি। মানিক ভাই কি কারণে জানি না, আমাকেও তার বাড়ির নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। নির্দিষ্ট রাতে মানিক ভাইয়ের ধানমন্ডির বাসায় (বর্তমানে তার পুত্র আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর বাসা) নেতারা এলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন নূরুল আমিন, হামিদুল হক চৌধুরী, সৈয়দ আজিজুল হক নান্না মিয়া এবং আরো অনেকে। শেখ মুজিবতো ছিলেনই, সোহরাওয়ার্দী-কন্যা বেগম আখতার সোলায়মানও ছিলেন।

খাওয়া-দাওয়া শেষে রাজনৈতিক আলাপ। বঙ্গবন্ধু এক সময় তার ছয় দফার প্রস্তাবগুলো তাদের জানালেন। ঘরে যেন সহসা বজ্রপাত হলো। সকলেই নিশ্চুপ। প্রথমেই হামিদুল হক চৌধুরী কথা বললেন। তিনি বলতে গেলে ভয়ে কাঁপছিলেন। বললেন, এটাতো দেশভাগের প্রস্তাব। প্রেসিডেন্ট আইয়ুবকে এ প্রস্তাব জানালে তিনি আমাদের সকলকে ধরে দেশদ্রোহিতার দায়ে জেলে পুরবেন। একে একে সকলেই তাদের অভিমত জানালেন। এই সর্বনাশা প্রস্তাব নিয়ে কেউ আইয়ুবের সঙ্গে বৈঠক করতে যাবেন না।

ছয় দফার সবচাইতে বেশি বিরোধিতা করলেন, শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী-কন্যা বেগম আখতার সোলায়মান। তিনি ভাঙা ভাঙা বাংলায় বললেন “আমার বাবা পাকিস্তান বানাইছে। এই পাকিস্তান আমি ভাঙতে দেব না। মুজিব, তুমি পাকিস্তান ভাঙতে চাইছো।” শেখ মুজিব তাকে স্মরণ করিয়ে দিলেন, স্বাধীন যুক্ত বাংলা গঠনের প্রস্তাব ছিলো শহীদ সোহ্রাওয়ার্দীরই। সেটা যদি হতো তাহলে পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদের এই দাস জীবন-যাপন করতে হতো না।

কিছুক্ষণ চললো তুমুল তর্ক-বিতর্ক। ছয় দফার প্রস্তাবগলো লেখা একটি কাগজ ছিলো টেবিলের উপর। সকল নেতাকে সেটা দেখাবার জন্য বঙ্গবন্ধু লিখে এনেছিলেন। যখন দেখা গেল কোনো নেতাই এই প্রস্তাব আইয়ুবের কাছে উত্থাপনে সাহসী নন, তখন তিনি টেবিল থেকে ছোঁ মেরে কাগজটা নিজের হাতে তুলে নেন এবং বলেন, ‘‘আপনারা যখন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের স্বার্থ ও অধিকারের কথা আইয়ুব খানের কাছে তুলতে সাহসী নন, তখন একাজটি আমাকে একাই করতে হবে, তাতে যদি জেলে যেতে হয়, ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলতে হয়, আমি রাজি আছি।” সেদিনের মতো সেখানেই মানিক ভাইয়ের বাসার সভা ভঙ্গ। তার পরের ছয় দফা ও এগারো দফার সংগ্রামের কথা সকলেরই জানা। তা এখন ইতিহাস।

এবার তার সততা সম্পর্কে (এবং দেশপ্রেম) আমার অভিজ্ঞতাপ্রসূত একটি গল্প বলি। ১৯৬৬ সালের কথা। বঙ্গবন্ধু ছয় দফার দাবি নিয়ে সারা পূর্ব পাকিস্তানে ঝটিকা সফরে ব্যস্ত। আজ একস্থানে বক্তৃতা দিয়ে গ্রেফতার হন, তারপর জামিনে মুক্ত হয়ে আরেক স্থানে গিয়ে বক্তৃতা দিয়ে গ্রেফতার হন। এরই ধারাবাহিকতা চলছে। এই সময় চট্টগ্রামের প্রয়াত নেতা ফজলুল কাদের চৌধুরী ইসলামাবাদ থেকে ঢাকায় আসেন। তিনি তখন আইয়ুব খানের মন্ত্রিসভার সদস্য।

ঢাকায় এলে ফজলুল কাদের চৌধুরী নয় নম্বর দিলু রোডে একটি সাদা বিরাট দোতলা বাড়িতে থাকতেন। সাংবাদিক হিসেবে তার সঙ্গে আমার পরিচয় হওয়ার পর থেকে ঘনিষ্ঠতা বেড়েছিল। রাজনৈতিক মতামতে আমরা বিপরীত দুই মেরুর লোক হলেও তিনি আমাকে খুব স্নেহ করতেন। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এলেই আমাকে টেলিফোন করে বলতেন, তোমার জন্য পতেঙ্গার লাল তরমুজ এনেছি। তাড়াতাড়ি এসে নিয়ে যাও। চট্টগ্রামে তার টাইগার হিলের বাসাতেও কয়েকবার গেছি। সাকা চৌধুরীকেও দেখেছি। তারুণ্য পেরিয়ে তিনি আরেক ব্যক্তিতে পরিণত হবেন, তা তখন ভাবিনি।

সে কথা থাক। ফজলুল কাদের চৌধুরীর মুখেই শুনেছি, কলকাতায় ছাত্রজীবনে তিনি এবং শেখ মুজিব ঘনিষ্ঠ ছিলেন। সেই ঘনিষ্ঠতা রাজনৈতিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও এখনো বজায় আছে। কলকাতায় ছাত্র থাকাকালে ফজলুল কাদের চৌধুরী নিখিল ভারত মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি ছিলেন। তিনি এবং শেখ মুজিব এক সঙ্গে সুভাষ বসুর হলওয়েল মনুমেন্ট ভাঙার মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন। অতীতের এসব কথা স্মরণ করতে গিয়ে তিনি আমাকে দিলু রোডের বাসায় বসে একদিন বললেন, ‘শেখ মুজিবের রাজনীতির সঙ্গে আমার মিল নেই। কিন্তু তার সাহস ও সততার কোনো তুলনা হয় না। তার প্রমাণ আবার আমি পেয়েছি।’

সেই প্রমাণটা কি? বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ফজলুল কাদের চৌধুরীর ঘনিষ্ঠতার কথা জেনে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব একদিন তাকে ডেকে বললেন, শেখ সাহেবের সঙ্গে আপনার ঘনিষ্ঠতার কথা জেনেছি। তিনি সম্ভবত আমার কথাটাই শুনবেন। আপনি আমার চেক বুক নিয়ে তার কাছে যান। আমি ব্লাংক চেকে সই করবো। শেখ সাহেবকে বলুন, ছয় দফার দাবি ছেড়ে দিতে। তারপর যতো কোটি টাকা তার ইচ্ছে ওই চেক বুকে সেই অঙ্কটা যেন বসান।

আমি বিস্মিত হয়ে বলেছি, আপনি সেই চেকবই নিয়ে শেখ সাহেবের কাছে গিয়েছিলেন? ফজলুল কাদের চৌধুরী বলেছেন, না, চেকবই নিয়ে যাইনি। কিন্তু আইয়ুব খানের প্রস্তাবটা নিয়ে গিয়েছিলাম। প্রস্তাবটা শুনে শেখ মুজিব কিছুক্ষণ চুপ থেকেছেন। তারপর বলেছেন, আপনাকে বড় ভাইয়ের চোখে দেখি বলে কিছু বলছি না। নইলে বলতাম এ বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। কখনো এধরনের প্রস্তাব নিয়ে আমার কাছে আসবেন না। তার কথা শুনে অপমানবোধ করিনি। বরং মনে হয়েছে পাকিস্তানের রাজনীতিতে মুজিবই একজন খাঁটি মানুষ।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় ক্যান্টনমেন্টে বন্দী থাকার সময় যখন প্যারোলে মুক্তি নিয়ে আইয়ুব খানের আহূত রাওয়ালপিন্ডির গোলটেবিল বৈঠকে যেতে শেখ মুজিব অসম্মতি জানান, তখন তার আত্মীয় এবং আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় তার অন্যতম আইনজীবী অ্যাডভোকেট সালাম খান শেখ মুজিবকে এই বলে ভয় দেখান যে, ‘গোলটেবিলে গেলে তার জীবন রক্ষা পাবে। না গেলে ষড়যন্ত্র মামলা চলবে এবং তার মৃত্যুদণ্ড হওয়া সুনিশ্চিত।’ বন্দী জননেতা জবাব দিয়েছিলেন, ‘আপনি দোয়া করুন। ফাঁসির কাষ্ঠে দাঁড়িয়েও যেন বাঙালির স্বাধিকারের কথা বলে যেতে পারি।’

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ইসলামী শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিব যখন লাহোরে যান (১৯৭৪) তখন বিমান বন্দরে নেমেই দেখেন তার জন্য অপেক্ষারত মোটর গাড়িতে বাংলাদেশের পতাকা লাগানো নেই। তিনি গার্ড অব অনার গ্রহণের পর পতাকাবিহীন গাড়িতে চড়ে শহরে ঢুকতে অসম্মতি জানান, বলেন, ‘পতাকা না আসা পর্যন্ত আমি বিমান বন্দরেই অপেক্ষা করবো।” পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ তাড়াতাড়ি গাড়িটি বাংলাদেশের পতাকায় সজ্জিত করেন এবং বঙ্গবন্ধু তাতে আরোহণ করেন।

লাহোরের পাকিস্তান টাইমস পত্রিকায় এই ঘটনাটির কথা লিখে তখন এক পাকিস্তানি সাংবাদিক মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘শেখ মুজিবের মতো দৃঢ়চেতা ও সাহসী একজন নেতা পেলে পাকিস্তান বহু বিপর্যয় থেকে বেঁচে যেতো। এই লাহোরেই ১৯৪০ সালে আরেক বাঙালি নেতা ফজলুল হককে খেতাব দেওয়া হয়েছিল শেরে বাংলা। মুজিব বাঘের চাইতেও সাহসী।”

বঙ্গবন্ধুর সাহস, সততা ও দেশপ্রেমের আরো অনেক কাহিনি আমি জানি। সময় ও সুযোগ পেলে বারান্তরে তা লিখবো।

সূত্র : আওয়ামী লীগ ফেসবুক পেজ

-তথ্য ইত্তেফাক
সর্বশেষ সংবাদ
  • বিএনপির সঙ্গে কোন রাজনৈতিক সমঝোতা নাকচ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রীট্রাম্প হচ্ছেন ‘আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নবাগত দুষ্টু ব্যক্তি’: ইরানের প্রেসিডেন্টমিয়ানমারের সিত্তুয়েতে রোহিঙ্গাদের জন্য রেডক্রসের ত্রাণবাহী নৌকায় বৌদ্ধদের হামলাজলি আত্মহত্যা প্ররোচণা মামলার চার্জশিট -‘সঠিক জবানবন্দি উপস্থাপন করতে পারেনি পুলিশ’রোহিঙ্গাদের জন্য জরুরী মানবিক সহায়তা ২৬২ কোটি ৩ লাখ টাকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র ‌‘রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আপনাদের ঐক্য প্রদর্শন করুন’ : ওআইসিকে প্রধানমন্ত্রীপৌর অবকাঠামো উন্নয়নে ২০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দেবে এডিবিরোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস ট্রাম্পেররোহিঙ্গা ইস্যুতে মুখ খুললেন : আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা আহ্বান সুকি'র রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্যাতন বন্ধে এটাই সুচি’র শেষ সুযোগ : জাতিসংঘ মহাসচিব দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনে পাতাল রেলে বিস্ফোরণ : পুলিশের দাবী সন্ত্রাসী হামলাজাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী আজ নিউইয়র্ক যাচ্ছেনমিয়ানমারের আকাশসীমা লংঘনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশমানুষকে খাদ্য নিয়ে কষ্ট পেতে দেব না : সংসদকে প্রধানমন্ত্রীরাখাইন রাজ্যের বর্তমান সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের গভীর উদ্বেগ প্রকাশমানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রীএ সমস্যা মিয়ানমার তৈরি করেছে-রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান তাদেরকেই করতে হবে : সংসদকে প্রধানমন্ত্রীমন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতিসংঘ পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি স্বাক্ষরের অনুমোদনওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে রাষ্ট্রপতি আজ আস্তানার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেননির্বাচনকে প্রভাবিত করার রাজনীতি বিএনপি'র হাত ধরেই শুরু হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
  • বিএনপির সঙ্গে কোন রাজনৈতিক সমঝোতা নাকচ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রীট্রাম্প হচ্ছেন ‘আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নবাগত দুষ্টু ব্যক্তি’: ইরানের প্রেসিডেন্টমিয়ানমারের সিত্তুয়েতে রোহিঙ্গাদের জন্য রেডক্রসের ত্রাণবাহী নৌকায় বৌদ্ধদের হামলাজলি আত্মহত্যা প্ররোচণা মামলার চার্জশিট -‘সঠিক জবানবন্দি উপস্থাপন করতে পারেনি পুলিশ’রোহিঙ্গাদের জন্য জরুরী মানবিক সহায়তা ২৬২ কোটি ৩ লাখ টাকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র ‌‘রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আপনাদের ঐক্য প্রদর্শন করুন’ : ওআইসিকে প্রধানমন্ত্রীপৌর অবকাঠামো উন্নয়নে ২০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দেবে এডিবিরোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস ট্রাম্পেররোহিঙ্গা ইস্যুতে মুখ খুললেন : আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা আহ্বান সুকি'র রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্যাতন বন্ধে এটাই সুচি’র শেষ সুযোগ : জাতিসংঘ মহাসচিব দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনে পাতাল রেলে বিস্ফোরণ : পুলিশের দাবী সন্ত্রাসী হামলাজাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী আজ নিউইয়র্ক যাচ্ছেনমিয়ানমারের আকাশসীমা লংঘনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশমানুষকে খাদ্য নিয়ে কষ্ট পেতে দেব না : সংসদকে প্রধানমন্ত্রীরাখাইন রাজ্যের বর্তমান সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের গভীর উদ্বেগ প্রকাশমানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রীএ সমস্যা মিয়ানমার তৈরি করেছে-রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান তাদেরকেই করতে হবে : সংসদকে প্রধানমন্ত্রীমন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতিসংঘ পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি স্বাক্ষরের অনুমোদনওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে রাষ্ট্রপতি আজ আস্তানার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেননির্বাচনকে প্রভাবিত করার রাজনীতি বিএনপি'র হাত ধরেই শুরু হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
উপরে