প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর, ২০১৫ ১৯:১২:২৩
ওষুধ উৎপাদনে বাংলাদেশ সমস্যা ও সম্ভাবনা

বাংলাদেশ বাণী টোয়েন্টিফোর ডটকম, ডেস্ক রিপোর্ট : ওষুধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে আধুনিক ওষুধের (অ্যালোপ্যাথি) পাশাপাশি ইউনানি, আয়ুর্বেদি, হোমিওপ্যাথি, বায়োকেমিক ও হারবাল ওষুধও স্বীকৃতি পায়। অর্থাৎ দেশে এ ছয় ধারার ওষুধ উৎপাদন, বিক্রয় ও বিপণন হয়। অ্যালোপ্যাথি ছাড়া অন্য ধারার ওষুধ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের চিকিৎসকরা প্রদান করেন। অ্যালোপ্যাথি ওষুধের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী, চিকিৎসকরা রোগীকে পরামর্শপত্র (প্রেসক্রিপশন) প্রদান করেন এবং ফার্মাসিস্টরা ফার্মেসি থেকে রোগীকে ওষুধ প্রদান করেন। অ্যালোপ্যাথি ওষুধের সাপেক্ষে অন্য ধারার ওষুধকে ‘বিকল্প বা পরিপূরক ওষুধ’ বলা হয়। দেশের প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ চিকিৎসার ক্ষেত্রে ইউনানি, আয়ুর্বেদি, হোমিওপ্যাথি অথবা হারবাল ওষুধ ব্যবহার করে। এগুলোর মধ্যে ইউনানি ও আয়ুর্বেদি ওষুধকে প্রাচীন (Traditional) ধারার ওষুধও বলা হয়।
ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর বাংলাদেশে ওষুধ উৎপাদন, বিক্রয় ও বিপণনের লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ। এটি বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা। দেশে বর্তমানে ২৭৫টি অ্যালোপ্যাথি, ২৬৮টি ইউনানি, ২০১টি আয়ুর্বেদি, ৭৯টি হোমিওপ্যাথি ও ২৮টি হারবাল ওষুধ উৎপাদনকারী লাইসেন্সধারী কোম্পানি রয়েছে বলে জানা যায়। আজকের এ নিবন্ধে দেশে অ্যালোপ্যাথি ওষুধের সার্বিক উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও সম্ভাবনা নিয়ে স্বল্প পরিসরে আলোচনার চেষ্টা করব।
দেশে বর্তমানে ২৭৫টি অ্যালোপ্যাথি লাইসেন্সধারী ওষুধ কোম্পানির মধ্যে শতাধিক নিয়মিত ওষুধ উৎপাদনে নিয়োজিত। লাইসেন্সধারী বাকিগুলোর তেমন কোনো অবকাঠামো নেই। আবার অবকাঠামো থাকলেও তা ওষুধ উৎপাদনে উপযুক্ত নয়। ফলে ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ এসব কোম্পানিকে ওষুধ উৎপাদনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। আবার কিছু কোম্পানি আর্থিক কারণে ওষুধ উৎপাদন বন্ধ রাখে অথবা উৎপাদনে অনিয়মিত।
নিবন্ধিত ওষুধ কোম্পানিগুলো (৬টি বিদেশী কোম্পানিসহ) প্রায় ১ হাজার ৪০০ জেনেরিক ওষুধের ২৫ হাজারের অধিক ব্র্যান্ডের ওষুধ উৎপাদনের রেজিস্ট্রেশন পেয়েছে। দেশে উৎপাদিত বর্তমান ওষুধের বাজারমূল্য প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার। দেশে চাহিদার ৯৭ শতাংশ ওষুধ স্থানীয়ভাবে তৈরি হয়। প্রথম সারির ৩০টি বড় কোম্পানি চাহিদার ৮২ শতাংশ ওষুধ উৎপাদন করে। মধ্যম সারির ২০টি কোম্পানি উৎপাদন করে প্রায় ৬ শতাংশ ওষুধ। বাকি ছোট ছোট কোম্পানি ও ছয়টি বিদেশী কোম্পানি তৈরি করে ১২ শতাংশ ওষুধ। নিম্নমানের জৈব প্রযুক্তির ওষুধ, ভ্যাকসিন ইত্যাদিসহ যে ৩ শতাংশ ওষুধ বিদেশ থেকে আমদানি হতো, তা-ও বর্তমানে দেশে তৈরি শুরু হয়েছে। তবে বিদেশী কোম্পানি থেকে প্রযুক্তি, ট্রান্সফারের মাধ্যমে এসব ওষুধ তৈরি হওয়ায় দেশী কোম্পানিগুলোকে অধিক ব্যয় করতে হচ্ছে। যদিও তৈরি ওষুধের ক্ষেত্রে স্থানীয় কোম্পানিগুলো প্রায় ৯৭ শতাংশ উৎপাদন সক্ষমতা অর্জন করেছে, কিন্তু ওষুধের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিপরীত চিত্র দৃশ্যমান। দেশের প্রথম সারির কিছু কোম্পানি হাতেগোনা কয়েকটি ওষুধের কাঁচামাল তৈরি করে। এ দ্বারা স্থানীয় কোম্পানিগুলোর চাহিদার মাত্র ১-২ শতাংশ পূরণ হয়। ওষুধ শিল্পের প্রায় ৯৮ শতাংশ কাঁচামাল প্রধানত ভারত, চীন থেকে আমদানি করতে হয়। অর্থাৎ ওষুধের কাঁচামালের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পুরোপুরিভাবেই বিদেশনির্ভর। এটি বর্তমানে এ শিল্পের বড় সমস্যা।
ভারত ও চীনে ২০০৫ সাল থেকে ওষুধের পেটেন্ট নীতিমালা চালু হওয়ায়, তারা আর পেটেন্টকৃত ওষুধের কাঁচামাল তৈরি করতে পারে না বিধায় ওইসব ওষুধের কাঁচামাল আমাদের দেশীয় কোম্পানিগুলোকে উচ্চমূল্যে মূল কোম্পানি থেকে কিনতে হয়। ফলে অনেক জীবন রক্ষাকারী ওষুধের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। দোহা ঘোষণা  অনুযায়ী, স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ পেটেন্টকৃত ওষুধ তৈরিতে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সুবিধা পেয়েছে। কিন্তু কাঁচামাল তৈরির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পেটেন্ট নীতিমালার এ সুবিধা গ্রহণে ব্যর্থ হয়েছে। দেশী ওষুধের কাঁচামাল তৈরির শিল্পপার্ক বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা, স্থানীয় প্রথম সারির কোম্পানিগুলোতে পর্যাপ্ত গবেষণা অবকাঠামো না থাকা, বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে ওষুধের কাঁচামাল তৈরির প্রযুক্তি উদ্ভাবনে গবেষণায় পর্যাপ্ত আর্থিক অনুদান না থাকা, স্থানীয় কোম্পানি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যৌথ গবেষণা প্রকল্প না থাকা। সর্বোপরি ওষুধ গবেষণা ও উদ্ভাবনে সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরের পর্যাপ্ত সহযোগিতা না থাকা মূলত এ ব্যর্থতার জন্য দায়ী।
বাংলাদেশে যদি ২০১৫ সালের পর পেটেন্ট আইন কার্যকর হয়, তাহলে দেশীয় কোম্পানিগুলো পেটেন্টকৃত ওষুধ আর তৈরি করতে পারবে না। ফলে দেশীয় কোম্পানি যেমন স্থানীয় বাজারে ওইসব ওষুধের বাজারজাতকরণে বিদেশী কোম্পানির সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হবে; ঠিক একইভাবে দেশীয় কোম্পানিগুলো অনেক ক্ষেত্রে রফতানি বাজার হারাবে।
মানহীন ও ভেজাল ওষুধ উৎপাদন ঠেকানো দেশের ওষুধ শিল্পের জন্য আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ কথা সত্য, দেশের প্রথম সারির সব ওষুধ কোম্পানি গুণগত মানসম্পন্ন জেনেরিক ওষুধ তৈরি করে। যার ফলে বেশকিছু কোম্পানি যুক্তরাজ্যের Medicine & Healthcare Products Regulatory Agency (MHRA),  অস্ট্রেলিয়ার Therapeutics Good Administration (TGA) যুক্তরাষ্ট্রের Food & Drug Administration (FDA) উপসাগরীয় দেশগুলোর Gulf Co-operation Council (GCC) এবং দক্ষিণ আফ্রিকার Medicines Control Council (MCC)-এর সনদ পেয়েছে। ফলে এরই মধ্যে ওইসব দেশে বাংলাদেশে উৎপাদিত জেনেরিক ওষুধের বাজার সম্প্রসারণ হতে শুরু করেছে। দেশে যেমন আন্তর্জাতিক মানের ওষুধ তৈরির কোম্পানি আছে, অন্যদিকে ছোট ছোট অনেক কোম্পানি মানহীন ওষুধ তৈরি করছে। এসব কোম্পানি দীর্ঘদিনেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রণীত Good Manufacturing Practice (GMP)-এর সক্ষমতা অর্জন করেনি। দেশে বর্তমানে যে ২ থেকে ৩ শতাংশ ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ তৈরি হয়, তার জন্য এসব কোম্পানিই মূলত দায়ী। এর ফলে জনস্বাস্থ্য হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ওষুধ শিল্পের সুনাম ও অর্জন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এ প্রশ্ন নির্দ্বিধায় করা যায়, দেশে বর্তমানে যে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ২৭৫টি জেনেরিক (অ্যালোপ্যাথিক) ওষুধ কোম্পানি আছে, তার দরকার আছে কিনা? কারণ আগেই বলেছি, ২৭৫টি কোম্পানির মধ্যে শতাধিক ওষুধ উৎপাদনে নিয়মিত। বাকি দেড় শতাধিক লাইসেন্সধারী কোম্পানি ওষুধ উৎপাদনে অনিয়মিত বা উৎপাদন করছে না। অবকাঠামোহীন কাগজধারী এসব কোম্পানি হয় বন্ধ করে দিতে হবে, নতুবা সহজ শর্তে ব্যাংকঋণ প্রদানের মাধ্যমে তাদের অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। দেশের ওষুধ শিল্পের বৃহৎ স্বার্থে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাকে এখনই এ উদ্যোগ নিতে হবে।
সরকারি পর্যায়ে ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অত্যন্ত অপ্রতুল। এ কারণে এ সম্ভাবনাময় খাত যে গতিতে অগ্রসর হওয়ার দরকার ছিল তা হচ্ছে না। সরকারি পর্যায়ে যে দুটি ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরি আছে, সেখানে না আছে পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি না আছে দরকারি ও যোগ্য লোকবল। ফলে ২৫ হাজার ব্র্যান্ডের ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণ সরকারি পর্যায়ে হয় না বললে ভুল হবে না। উপরন্তু এ ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরির একটি রেফারাল ল্যাবরেটরি হিসেবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি নেই। ফলে এ ল্যাবের সনদ ব্যবহার করে ওষুধ রফতানি বাড়ানো সম্ভব নয়। সরকার যদি এখনই ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরিগুলোকে আধুনিকায়ন না করে এবং যোগ্য ও প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগ না দেয়, তবে আন্তর্জাতিক বাজার প্রতিযোগিতায় আমাদের ওষুধ কোম্পানিগুলো যে অবস্থান দখল করেছে, তা ধীরে ধীরে হারাবে।
দেশে এখনো আন্তর্জাতিক মানের সরকারি বা বেসরকারি কোনো বায়োইকুইভ্যালেন্স ল্যাবরেটরি নেই। ফলে রফতানি ক্ষেত্রে দেশীয় কোম্পানিগুলো ওষুধের বায়োইকুইভ্যালেন্সের জন্য পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ অন্যান্য দেশের দ্বারস্থ হচ্ছে। ফলে ওষুধ রফতানিতে কোম্পানিগুলোকে অধিক ব্যয় করতে হচ্ছে। বায়োইকুইভ্যালেন্স রেফারাল ল্যাবরেটরি স্থাপনের জন্য অনেক কথা, অনেক সময় চলে গেল; কিন্তু এখন পর্যন্ত ফল শূন্য। দেশের স্বার্থে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।
দেশে বর্তমানে অনেক দক্ষ ওষুধবিজ্ঞানী আছেন। ওষুধ শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের স্বার্থে এবং স্থানীয়ভাবে ওষুধের কাঁচামাল ও জৈব প্রযুক্তির ওষুধ তৈরির সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে উদ্যোগ নিতে হবে এবং ওষুধ গবেষণা খাতে সরকারকে অবশ্যই বিশেষ বরাদ্দ দিতে বাড়াতে হবে। জাতীয় পর্যায়ে ওষুধ গবেষক, ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি ও সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সমন্বয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে। জাতীয় টাস্কফোর্স ওষুধ গবেষণার প্রয়োজনীয় ক্ষেত্র নির্দিষ্ট করবে এবং স্ব-স্ব ক্ষেত্রে যোগ্য ওষুধবিজ্ঞানীদের নিয়োজিত করবে। সরকার টার্গেটভিত্তিক প্রয়োজনীয় অনুদান প্রদান করবে। উদ্ভাবিত প্রযুক্তি স্থানীয় কোম্পানিগুলোকে হস্তান্তরের মাধ্যমে ওষুধ গবেষণাকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা যাবে। ফলে অদূর ভবিষ্যতে ওষুধ গবেষণায় সরকারি অনুদান আর হয়তো প্রয়োজন হবে না।
পরিশেষে দেশীয় ওষুধ শিল্প রক্ষায় ও রফতানি সক্ষমতা আরো বাড়ানোর স্বার্থে ওষুধের পেটেন্ট আইনের ছাড়ের সময়সীমা বাড়াতে হবে। অন্ততপক্ষে ওষুধের কাঁচামাল ও জৈব প্রযুক্তির ওষুধ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনের জন্য আমাদের আর ২০ বছর পেটেন্ট আইনের ছাড় প্রয়োজন। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সঙ্গে দেনদরবার করে এখনই বিষয়টি মীমাংসা করতে হবে। বাংলাদেশ পেটেন্ট আইনে ছাড়ের সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হলে দেশের ওষুধ শিল্প ও জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়বে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ যেন আগামী ২০ বছরে পেটেন্ট কো-অপারেশন ট্রিটির সদস্য না হয়, সে বিষয়ে উদ্যোগ নিতে হবে।
লেখক: অধ্যাপক ড. এম এ মজিদ
ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
বাংলাদেশ বাণী/সাগর/নি.প্রতি/সাক্ষাতকার/৮/১০/২০১৫/৭.০০(পিএম)ঘ.
সর্বশেষ সংবাদ
  • বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যমান চিনি আইন রহিতের সিদ্ধান্তমহানগরী ঢাকাকে ‘সেফনগরী’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন ১০ কার্য দিবস চলবেস্থানীয় সরকারের অধীন দেশের ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানে ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণবিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না : খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ : বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি, সোমবার শাহবাগে ‘আনন্দ উৎসব ও স্মৃতিচারণ’ আজ বসছে দশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন
  • বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যমান চিনি আইন রহিতের সিদ্ধান্তমহানগরী ঢাকাকে ‘সেফনগরী’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন ১০ কার্য দিবস চলবেস্থানীয় সরকারের অধীন দেশের ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানে ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণবিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না : খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ : বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি, সোমবার শাহবাগে ‘আনন্দ উৎসব ও স্মৃতিচারণ’ আজ বসছে দশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন
উপরে