প্রকাশ : ১৭ মার্চ, ২০১৮ ০২:৫৭:৫১
জাতির জনকের ৯৯ তম জন্মদিনে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পৃথক বাণী
বাংলাদেশ বাণী, ডেস্ক রিপোর্ট : আজ ১৭ মার্চ, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯ তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস।
স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত এই নেতা ১৯২০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
জাতি যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আজ দিবসটি উদযাপন করছে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন।

এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের চিরন্তন প্রেরণার উৎস। তাঁর কর্ম ও আদর্শ চিরকাল আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবে।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কেবল বাঙালি জাতির নন, তিনি বিশ্বে নির্যাতিত, নিপীড়িত ও শোষিত মানুষের স্বাধীনতার প্রতীক, মুক্তির দূত।

বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আজ দেয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি জাতির পিতার জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস ২০১৮ উপলক্ষে এই মহান নেতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শিশু-কিশোরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি জাতির পিতার জন্মদিনে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন।

মোঃ আবদুল হামিদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা বাস্তবায়নে আমাদের নতুন প্রজন্মকে সোনার মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শৈশব থেকেই তাদের মধ্যে চারিত্রিক গুণাবলির উন্মেষ ঘটাতে হবে। জ্ঞান-গরিমা, শিক্ষা-দীক্ষা, সততা, দেশপ্রেম ও নিষ্ঠাবোধ জাগ্রত করার মাধ্যমে তাদের প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, কারণ এ দিবসটি উদযাপনের মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর জীবন, কর্ম ও আদর্শ সম্পর্কে জানতে পারবে এবং দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আগামীতে জাতিগঠনে অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের মহান স্থপতি। ক্ষণজন্মা এই মহাপুরুষ শৈশব থেকেই ছিলেন অত্যন্ত মানবদরদি কিন্তু অধিকার আদায়ে আপোসহীন।

তিনি বলেন, স্কুলজীবন থেকেই তাঁর (বঙ্গবন্ধু) মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি পরিলক্ষিত হয়। চল্লিশের দশকে এই তরুণ ছাত্রনেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের সংস্পর্শে এসে সক্রিয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। তিনি ছিলেন বাঙালি জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা। ’৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ’৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ’৫৮-এর সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ’৬৬-এর ৬-দফা, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ’৭০-এর নির্বাচনসহ বাঙালির মুক্তি ও অধিকার আদায়ে পরিচালিত প্রতিটি গণতান্ত্রিক ও স্বাধিকার আন্দোলনে তিনি নেতৃত্ব দেন। এ জন্য তাঁকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়েছে। সহ্য করতে হয়েছে অমানুষিক নির্যাতন। বাঙালির অধিকারের প্রশ্নে তিনি কখনো শাসকগোষ্ঠীর সাথে আপোস করেননি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে অসীম সাহসিকতার সাথে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে লাখো জনতার উদ্দেশ্যে বজ্রকণ্ঠে যে ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন তা ছিল মূলত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। বাঙালির আবেগ ও আকাক্সক্ষাকে ধারণ করে তিনি বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’, যা ছিল মূলত স্বাধীনতার ডাক। ঐতিহাসিক ভাষণের সেই ধারাবাহিকতায় ২৬ মার্চ ১৯৭১ জাতির পিতা ঘোষণা করেন বাঙালি জাতির বহুকাক্সিক্ষত স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ ন’মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

তিনি আরও বলেন, একটি ভাষণ কীভাবে গোটা জাতিকে জাগিয়ে তোলে, স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উৎসাহিত করে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ তার অনন্য উদাহরণ। ইউনেস্কো ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে ওয়ার্ল্ডস ডকুমেন্টারি হেরিটেজ-এর মর্যাদা দিয়ে মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করেছে। বাঙালি হিসেবে এটি আমাদের বড় অর্জন। তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য আজ দেশের মানুষের কাছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু এক ও অভিন্ন সত্তায় পরিণত হয়েছে।

মোঃ আবদুল হামিদ বলেন, জাতির পিতা আজীবন সাম্য, মৈত্রী, গণতন্ত্রসহ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদান রেখেছেন। ১৯৭৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর আলজিয়ার্সে জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে ভাষণে তিনি বলেন, ‘বিশ্ব আজ দু’ভাগে বিভক্ত-শোষক আর শোষিত : আমি শোষিতের পক্ষে।’

প্রধানমন্ত্রীর বাণী :

অপরদিকে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব শিশুদের কল্যাণে আমাদের বর্তমানকে উৎসর্গ করার মধ্যদিয়ে সবাই মিলে জাতির পিতার অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আসুন, দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব শিশুদের কল্যাণে আমাদের বর্তমানকে উৎসর্গ করি। সবাই মিলে জাতির পিতার অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলি। আজকের দিনে এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।’

বঙ্গবন্ধুর ৯৯ তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আজ দেয়া এক বাণীতে তিনি এ আহবান জানান। বাণীতে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং দেশের সকল শিশুসহ দেশবাসীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রিয় মাতৃভূমিকে শিশুদের জন্য নিরাপদ আবাসভূমিতে পরিণত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। শিশুদের কল্যাণের লক্ষ্যে একটি যুগোপযোগী ‘জাতীয় শিশুনীতি’ প্রণয়ন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের বছরের শুরুতে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান করা হচ্ছে। প্রায় শতভাগ শিশু স্কুলে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা শিশুদের জন্য জাতির পিতার জীবন ও কর্মভিত্তিক বই প্রকাশ এবং পাঠ্যবইয়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস সংযোজন করেছি। শিশুদের মনে দেশপ্রেম জাগ্রত করে তাদের ব্যক্তিত্ব গঠন, সৃজনশীলতার বিকাশ এবং আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে দলমতনির্বিশেষে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। তাদের বাংলাদেশ ও জাতির পিতার সংগ্রামী জীবনের প্রকৃত ইতিহাস জানাতে হবে।’
শিশুদের প্রতি বঙ্গবন্ধুর মমতা ছিল অপরিসীম উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাই তাঁর জন্মদিনকে শিশুদের জন্য উৎসর্গ করে ‘জাতীয় শিশু দিবস’ ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি মহান আল্লাহর কাছে জাতির পিতার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত এবং আগামীদিনের কর্ণধার শিশুকিশোরদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার ও রায় কার্যকর করার মধ্যদিয়ে বাঙালি জাতি আজ দায়মুক্ত হয়েছে। একাত্তরের মানবতাবিরোধী-যুদ্ধপরাধীদের বিচারের রায়ও কার্যকর করা হচ্ছে। স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্রবিরোধী শক্তির সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।’
তিনি বলেন, জাতির পিতার ঐন্দ্রজালিক নেতৃত্ব এবং সম্মোহনী ব্যক্তিত্ব সমগ্র জাতিকে একসূত্রে গ্রথিত করেছিল। যার ফলে আমরা পেয়েছি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। বিকাশ ঘটেছে বাঙালি জাতিসত্তার।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শুধু বাঙালি জাতিরই নয়, তিনি ছিলেন বিশ্বের সকল নিপীড়িত-শোষিত-বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায় ও মুক্তির অগ্রনায়ক।

‘তিনি যখন স্বাধীন বাংলাদেশের পুনর্গঠন কাজে আত্মনিয়োগ করেন, তখনই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাঁকে সপরিবারে হত্যা করে’ জানিয়ে শেখ হাসিনা আরো বলেন, এর মধ্যদিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও উন্নয়নকে স্তব্ধ করে দেয়া হয়। অবৈধ সামরিক সরকারগুলো বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধানকে ক্ষতবিক্ষত করে। স্বাধীনতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধী ও প্রতিক্রিয়াশীল শক্তিকে পুনর্বাসন করা হয়। জনগণ ভাত ও ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করা হয় ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রখর স্মৃতিশক্তির অধিকারী ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন এই বিশ্বনেতার সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের মূল লক্ষ্য ছিল বাঙালি জাতিকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করা। জাতির পিতা বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেন। ১৯৪৮ সালে তাঁর প্রস্তাবে ছাত্রলীগ, তমদ্দুন মজলিশ ও অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত হয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ।

১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে সাধারণ ধর্মঘট পালনকালে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ পর্যন্ত তিনি বারবার কারারুদ্ধ হন। কখনও জেলে থেকে কখনও বা জেলের বাইরে থেকে তিনি ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির বিয়োগান্তক ঘটনার সময় কারান্তরীণ অবস্থায় থেকে দিক-নিদের্শনা প্রদান করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় ’৫৪’র যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ’৫৮’র আইয়ুব খানের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ’৬২’র শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলন, ’৬৬’র ছয় দফা, ’৬৮’র আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ’৬৯’র গণঅভ্যুত্থান, ’৭০’র নির্বাচন এবং ’৭১’র মুক্তিযুদ্ধ জাতির পিতার অবিসংবাদিত নেতৃত্বে পরিচালিত হয় বলেন তিনি।
 
সর্বশেষ সংবাদ
  • দশম জাতীয় সংসদের ২২তম অধিবেশন সমাপ্ত : ১৮টি বিল পাসস্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়াতে ১১ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দেবে এডিবিরোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়াতে হবে : ওআইসি২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশের-প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে ৯ হাজার মেগা: বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা রয়েছেআগামী ৩০ অক্টোবরের পর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল : ইসি সচিবশেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি আজ ৫'শ মেগা: বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্বোধন করবেনডেঙ্গু বিস্তারের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদেরদশম জাতীয় সংসদের ২২ তম অধিবেশন চলাকালীন ডিএমপি'র নিষেধাজ্ঞাশক্তিশালী পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমি-ফাইনালের পথে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ৫১ হজ ফ্লাইটে ১৮ হাজার ৬৯৩ জন হাজী দেশে ফিরেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলতি বছরের ডিসেম্বরের শেষে : ইসি সচিবরুট পারমিটবিহীন যান চলাচল বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশসমূদ্র বন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছেরোহিঙ্গা গণহত্যার দায়ে মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের বিচার আহ্বান জাতিসংঘের তদন্তকারীদলের ঝিকরগাছা পৌর আ'লীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেনের অন্তিম বিদায় থাইল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ষষ্ঠ স্থান নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশআজ জাতীয় বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুলের ৪২ তম মৃত্যুবার্ষিকী শোলাকিয়া ময়দানে দেশের বৃহত্তম ঐতিহাসিক ঈদ জামাত অনুষ্ঠিতত্যাগের মহিমায় সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিতসন্দেহ নেই গ্রেনেড হামলায় খালেদা-তারেক জড়িত ছিল : প্রধানমন্ত্রী
  • দশম জাতীয় সংসদের ২২তম অধিবেশন সমাপ্ত : ১৮টি বিল পাসস্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়াতে ১১ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দেবে এডিবিরোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়াতে হবে : ওআইসি২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশের-প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে ৯ হাজার মেগা: বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা রয়েছেআগামী ৩০ অক্টোবরের পর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল : ইসি সচিবশেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি আজ ৫'শ মেগা: বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্বোধন করবেনডেঙ্গু বিস্তারের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদেরদশম জাতীয় সংসদের ২২ তম অধিবেশন চলাকালীন ডিএমপি'র নিষেধাজ্ঞাশক্তিশালী পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমি-ফাইনালের পথে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ৫১ হজ ফ্লাইটে ১৮ হাজার ৬৯৩ জন হাজী দেশে ফিরেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলতি বছরের ডিসেম্বরের শেষে : ইসি সচিবরুট পারমিটবিহীন যান চলাচল বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশসমূদ্র বন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছেরোহিঙ্গা গণহত্যার দায়ে মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের বিচার আহ্বান জাতিসংঘের তদন্তকারীদলের ঝিকরগাছা পৌর আ'লীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেনের অন্তিম বিদায় থাইল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ষষ্ঠ স্থান নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশআজ জাতীয় বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুলের ৪২ তম মৃত্যুবার্ষিকী শোলাকিয়া ময়দানে দেশের বৃহত্তম ঐতিহাসিক ঈদ জামাত অনুষ্ঠিতত্যাগের মহিমায় সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিতসন্দেহ নেই গ্রেনেড হামলায় খালেদা-তারেক জড়িত ছিল : প্রধানমন্ত্রী
উপরে