প্রকাশ : ০৩ মে, ২০১৭ ০০:৩৯:২৪
কক্সবাজারের এক সার্ফিং কন্যার সমুদ্র জয়
বাংলাদেশ বাণী, ফরিদুল মোস্তফা খান, কক্সবাজার থেকে : ফাতেমা আক্তার। সমুদ্র পাড়ে জন্ম হলেও ঢেউয়ের গর্জন শুনলে ভয় পেত সে। মা-বাবাও পারতপক্ষে মেয়েকে পানির কাছে নিতে চাইতেন না। আর এখন পানির সঙ্গে তার সখ্য! দিনের বেশির ভাগ সময় কাটে সমুদ্রে। লোনা পানিতে সার্ফিং করে বেড়ায় সে। এখানেই শেষ নয় তার কাহিনি, ফেব্রুয়ারিতে কক্সবাজার সৈকতে অনুষ্ঠিত জাতীয় সার্ফিং প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ফাতেমা।

গত ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্টে প্রথম জাতীয় ক্লাব কাপ সার্ফিং টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতায় বয়সে বড় ও প্রশিক্ষিত মেয়েদের টপকিয়ে নারী ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়নের মুকুট ছিনিয়ে নেয় এই ছোট্ট ফাতেমা। সার্ফিং প্রতিযোগিতায় এটাই তার প্রথম অংশগ্রহণ, তাতেই চ্যাম্পিয়ন। সবার চোখে এখন সে সার্ফিংয়ের ‘বিস্ময়’। ফাতেমারও ইচ্ছা সার্ফিংয়ে নিয়ে আরও এগিয়ে যাওয়ার।

ফাতেমাদের বাড়ি দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীতে। জীবিকার তাগিদে বাবা ফকির আহমদ পরিবার নিয়ে চলে এসেছেন কক্সবাজার শহরে। এখন থাকছে শহরতলীর কলাতলী গ্রামে। কলাতলী সৈকতের একটি হোটেলের পাশে পান দোকান করে সংসার চালান বাবা। চার সন্তানের মধ্যে ফাতেমা আক্তার তৃতীয়। পড়ছে প্রথম শ্রেণিতে।
ফাতেমার সার্ফিংয়ের হাতেখড়ি ২০১৬ সালের মে মাসে। সমুদ্র সৈকতের কলাতলীর ওয়েব ফাইটার সার্ফিং ক্লাবের মাধ্যমে সে পানিতে নামে। ভয় কাটিয়ে শুরু থেকেই সফলতার স্বাক্ষর রেখে চলছে সে।  ওই ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও সার্ফার সাইফুল্লাহ সিফাত শোনালেন ফাতেমাকে সার্ফিংয়ে নিয়ে আসার গল্প।

তিনি বলেন, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে যে মেয়েরা সার্ফিং করে তাদের অধিকাংশই সৈকতের ভ্রাম্যমাণ হকার। শামুক-ঝিনুক দিয়ে তৈরি রকমারি পণ্য ভ্রমণে আসা পর্যটকেদের কাছে বিক্রি করাই তাদের মূল কাজ। পড়াশোনা করে না, সবাই গরিব ঘরের সন্তান। সংসারের হাল টানতে ফেরি করে তারা। এদের কেউ কেউ সার্ফিংয়ে এলেও অভাবের কারণে স্থায়ী হতে পারে না। তবে ফাতেমা এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। তাকে স্কুল থেকে সরাসরি সার্ফিংয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। সে পড়াশোনার পর বাকি সময়টুকু সার্ফিং শিখছে।
সর্বশেষ সংবাদ
  • জার্মানী, সুইডেন ও ইইউ’র রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি জোরালো সমর্থন রাবি ছাত্রী অপহরণ : সাবেক স্বামীসহ ২ জনকে ১ দিনের রিমান্ড বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যমান চিনি আইন রহিতের সিদ্ধান্তমহানগরী ঢাকাকে ‘সেফনগরী’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন ১০ কার্য দিবস চলবেস্থানীয় সরকারের অধীন দেশের ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানে ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণবিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না : খালেদা জিয়া
  • জার্মানী, সুইডেন ও ইইউ’র রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি জোরালো সমর্থন রাবি ছাত্রী অপহরণ : সাবেক স্বামীসহ ২ জনকে ১ দিনের রিমান্ড বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যমান চিনি আইন রহিতের সিদ্ধান্তমহানগরী ঢাকাকে ‘সেফনগরী’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন ১০ কার্য দিবস চলবেস্থানীয় সরকারের অধীন দেশের ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানে ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণবিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না : খালেদা জিয়া
উপরে