প্রকাশ : ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৫ ১৯:৩০:৫০
কুড়িগ্রামে পাঁচ শ’ বছরের বিশাল শিমুলগাছটি কালের সাক্ষী হয়ে আছে
বাংলাদেশ বাণী টোয়েন্টিফোর ডটকম, জাহাঙ্গীর আলম, কুড়িগ্রাম জেলা  প্রতিনিধি : কুড়িগ্রাম জেলার সীমান্ত ঘেঁষা ফুলবাড়ী উপজেলায় পাঁচ শ’বছরের পুরনো দৃষ্টি নন্দিত বিশালাকৃতির একটি শিমুল গাছ রয়েছে। ফুলবাড়ি উপজেলা সদর থেকে ৩ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে কুটিচন্দ্রখানা গ্রামে এ গাছটির অবস্থান। ৮ শতাংশ জমির উপর দাঁড়িয়ে থাকা আনুমানিক ১৫০ ফুট লম্বা শিমুলগাছটির গোড়ার পরিধি ৮৬ ফুট। গাছটার কাছে গেলেই মনে হবে সৃষ্টি কর্তা যেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি ধরে রাখতে প্রকৃতিতে তৈরি করেছেন, আর একটি স্মৃতিসৌধ। স্মৃতিসৌধের মত দেখতে এ গাছটার গোড়ার পাশে দাঁড়ালে মনে হবে এ যেন পাহাড়ের পাদদেশ। গাছের গোড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি ওঠালে ছবিটি দেখে যে কেউ মনে করবে এ ছবি পাহাড়ের পাদদেশের অথবা স্মৃতিসৌধের পাশে। আশ্চর্যজনক এ গাছটা দেখার জন্য প্রতিনিয়ত কুটিচন্দ্রখানা গ্রাম পদচারণায় মুখরিত হচ্ছে হাজারো প্রকৃতি প্রেমি মানুষ। গাছটাকে নিয়ে মিডিয়ায় সম্প্রচার না হওয়ায়, প্রকৃতি প্রেমি মানুষ ও দেশি বিদেশি পর্যটকদের দেখা যাচ্ছে না।
শুধু মুখে শুনে ছুটে আসছেন প্রকৃতি প্রেমি স্থানীয় কিছু মানুষ। মুখে শুনে এ গাছ দেখতে আসা ঢাকার স্টুডেন্ট কেয়ার হাইস্কুলের সিনিয়র শিক্ষক আলমগীর হাসিবুর রহমান জানান, তিনি আশ্চর্যজনক বিশালাকৃতির এ গাছ দেখে অভিভূত হয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের অনেক স্থানে বেড়িয়েছেন। কিন্তু এমন দৃষ্টিনন্দন গাছ কোথাও দেখেন নি। একই কথা জানালেন পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা থেকে আসা যুবক খালেদ মাসুদ, লালমনিরহাট থেকে আসা আসাদুজ্জামান, ভুরুঙ্গামারী থেকে আসা যুবক জহুরুল ইসলামসহ আরও অনেকে। কুটিচন্দ্রখানা গ্রামে লোকজনের কাছে শোনা গেছে, এ গাছের অলৌকিক দৃশ্যপট ও যৌবন কথা। এ গ্রামের তরুণ যুবক বয়োবৃদ্ধ সবাই জানিয়েছেন, গাছটার অলৌকিক ও যৌবনকথার গল্প।
গাছ সম্পর্কে নানান জন নানা কথা বললেও আসলে গাছটার বয়স কত? তা জানাতে পারেননি কেউ। এই গ্রামের ১২০ বছর বয়সী বৃদ্ধ আফছার আলী জামালপুরি, ১১৪ বছরের বৃদ্ধা মোহিনী বালাসহ প্রবীণ আরো অনেকেই জানিয়েছেন, আমরা আগে যেমন শিমুল গাছটা দেখেছি ঠিক তেমন অবস্থায় গাছটা এখনও রয়েছে। ঝড় বাতাসে ডাল পালা না ভাঙ্গায়, গাছটা এখনও অক্ষত অবস্থায় রয়েছে। তাদের ধারণা মতে, শিমুলগাছটার বয়স পাঁচ শ’ বছরেরও বেশি হতে পারে। এ গাছের পাশে বসবাসকারী একাব্বর আলী (৬৪) জানান, শিমুলগাছটা আগের চেয়ে দিন, দিন আরো তাজা হচ্ছে। তিনি জানান, এ গাছে মৌমাছির চাকসহ, অসংখ্য প্রজাতির পাখ-পাখালির বাস। আবার গাছটা টিয়া পাখিদের যেন অভয়াশ্রম। বিকাল হলেই টিয়া পাখিসহ বিভিন্ন পাখির কলরবে যে কেউ মুগ্ধ হবেন। এলাকাবাসীর অনেকে জানিয়েছেন, এ গাছের নিচ থেকে গুপ্ত ধন তুলতে গিয়ে এ গ্রামের নারিয়া মামুদ নামের এক ব্যক্তি অন্ধ হয়েছে। এখানে কথিত নাগনাগিনীর বসবাস বলেও তারা জানান। গাছের প্রকৃত জমির মালিক মৃত কোকন চন্দ্রের স্ত্রী কুসুম বালা ও তার বড় ছেলে কিরণ চন্দ্র জানান, একবার এ গাছটা তারা ১০ হাজার টাকা মূল্যে বিক্রি করে বিপাকে পড়েছিলেন। কোকন চন্দ্র স্বপ্নে গাছটির অলৌকিক ক্ষমতা দেখে, বাধ্য হয়ে গাছের বিক্রিত টাকা ক্রেতাকে ফেরত দেন। ওই সময় গাছের গায়ে কোপ দিলে কর্তনের স্থান দিয়ে রক্ত বের হতো বলে তারা জানান। গাছটা এখন বিক্রি করবেন কিনা? এমন প্রশের জবাবে মালিকরা  জানান, যতদিন গাছটা নিজের থেকে মারে যাবে না ততদিন পর্যন্ত তারা গাছটা বিক্রি কিংবা গাছের ডালপালা কাটবেন না। তারা বিশালাকৃতির দৃষ্টি নন্দিত এ গাছটি সংরক্ষণের জন্য সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কাছে সহায়তা চেয়েছেন।

বাংলাদেশ বাণী/কাসা/ডেস্ক/নি.প্রতি/জাহাঙ্গীর/কুড়িগ্রাম/২৬/১২/২০১৫. ০৭:৩০ (পিএম) ঘ.
সর্বশেষ সংবাদ
  • জার্মানী, সুইডেন ও ইইউ’র রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি জোরালো সমর্থন রাবি ছাত্রী অপহরণ : সাবেক স্বামীসহ ২ জনকে ১ দিনের রিমান্ড বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যমান চিনি আইন রহিতের সিদ্ধান্তমহানগরী ঢাকাকে ‘সেফনগরী’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন ১০ কার্য দিবস চলবেস্থানীয় সরকারের অধীন দেশের ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানে ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণবিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না : খালেদা জিয়া
  • জার্মানী, সুইডেন ও ইইউ’র রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি জোরালো সমর্থন রাবি ছাত্রী অপহরণ : সাবেক স্বামীসহ ২ জনকে ১ দিনের রিমান্ড বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যমান চিনি আইন রহিতের সিদ্ধান্তমহানগরী ঢাকাকে ‘সেফনগরী’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন ১০ কার্য দিবস চলবেস্থানীয় সরকারের অধীন দেশের ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানে ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণবিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না : খালেদা জিয়া
উপরে