প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৯:৫১:৪৫
কুড়ুলগাছির কৃতি সন্তান ভাষা সৈনিক আবু কায়জার একজন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক
বাংলাদেশ বাণী টোয়েন্টিফোর ডটকম, শামীম রেজা, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি : ‘ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়’। ৫২’র মা মাটি ও মানুষের ভাষার আন্দোলনে জব্বার, রফিক, শফিকের বুকের রক্তে লেখা বাংলা বর্ণমালা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর নৈপথ্যে আরো নাম না জানা অজানা ভাষা সৈনিকের শ্রম মেধা ও আত্ম ত্যাগের মহিমা জড়িত আছে যা আজে অজানাই রয়ে গেছে। কালের বিবর্তনের ধারাবাহিকতায় সেই নাম না জানা দলের অনেকের নাম বাস্তবতার নিরিখে উঠে আসতে শুরু করেছে।
সুপ্রিয় পাঠক আপনাদের জ্ঞাতার্থে এমনি একজন ভাষা সৈনিকের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিতে চাই, যিনি কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন পরিষদের তিন তিন বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং ৭১-এর মুক্তিযোদ্ধার অন্যতম সংগঠক মুর্তিমান শিক্ষাবিদ ভাষা সৈনিক আবু কায়জার।
যার জন্ম ১৯২৩ সালে। ভারত বর্ষের পশ্চিম বঙ্গের নদীয়া জেলার কোমরপুর গ্রামের একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। যার পিতার নাম প্রয়াত ফরজ আলী। ১৯৫০ সালে মাতৃভূমি ভারত ছেড়ে বাংলাদেশের যশোর জেলার অন্তর্ভুক্ত কোর্টচাদপুর গ্রামে এসে বসবাস শুরু করে। সে সময় চলছিল বাংলা ভাষার দাবীতে প্রাণান্ত আন্দোলন। অত্র অঞ্চলের প্রধান সংগঠক হিসাবে এলাকার খ্যাতনামা আওমী মুসলিম লীগের তরুন নেতাদেরকে একত্রিত করে ভাষা আন্দোলনকে উত্তোরত্তর বেগবান করতে আত্ম নিয়োগ করেন।
সে সময় তদানিন্তন কেন্দ্রিয় ভাষা আন্দোলনের সংগঠকদের সাথে যোগাযোগ করে এ আন্দোলনকে প্রতিষ্ঠা দেয়। কেন্দ্রের নির্দেশ অনুযায়ী যখন যা হওয়া উচিত সেই সমস্ত কর্মকাণ্ডে অগ্রণি ভূমিকা পালন করে এসেছে ভাষা সৈনিক আব কায়দার। শিক্ষা জীবন বলতে বলা যায় ১৯৫০ সালের দিকে নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগর কলেজ থেকে বিএ পাশ করার করেন । সে সময় তিনি কুড়–লগাছি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন এবং শিক্ষার মান উন্নয়নের সর্বস্তরের সুশিক্ষিত করার নিমিত্তে সুশীল সমাজ গড়ার অন্যতন কারিগর । পরবর্তীতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাশ করেন।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জেলা অন্যতম নেতা হেবা ডাক্তারের নেতৃত্বে এলাকার অন্যান্ন বন্ধুদের সাথে একত্রিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিশেষ সংগঠক হিসাবে নিজেকে সোপর্দ করে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে পর পর ৩ বার কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে এলাকার উন্নয়নে বিশেষ অবদান রেখেছেন। বর্তমানে তাঁর বয়স শতবর্ষ ছুঁই ছুঁই। বয়সের ভারে ন্যুজ্ব হয়ে পড়েছে। তার পরেও তিনি কলম ছাড়েননি। অসুস্থ্যতার মধ্যদিয়েও লেখা লেখির মধ্য দিয়ে তার জীবন অতিবাহিত হচ্ছে। এক প্রশ্নে জিজ্ঞাসা করা হয়, সে আপনি মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলেন কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাভুক্ত হয়নি কেন? উত্তরে বলেন সে সময়ের সব নেতারাই তো আমাকে চেনে আমি কার কাছে গিয়ে তালিকা ভুক্ত হব। আর ভাষা সৈনিক হিসাবে পরিচিতি পাই নাই, তার অন্যতম কারন হল আজকের মিডিয়ার যুগ।
গণমাধ্যমের সুফল ভোগ করছে জনগন। ইতিপূর্বে এই ধরনের সুযোগ সুবিধা ছিল না। এক কথায় অনুকুল পরিবেশ না থাকার কারনে সেই আবস্থানে আমি অবস্থিত হতে পারি নাই। তার পরিবারের ইচ্ছা শেষ বয়সে এসে যদি তাকে মুক্তিযোদ্ধা ও ভাষা সৈনিকের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়, তাহলে তাহলে সে তার জীবদ্দশায় কিছু না হলেও একটু খানি তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলতে পারবেন এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

বাংলাদেশ বাণী/কাসা/ডেস্ক/নি.প্রতি/শামীম/চুয়াডাঙ্গা/২১/০২/২০১৬. ০৭:৫০ (পিএম) ঘ.



 
সর্বশেষ সংবাদ
  • ট্রাম্প হচ্ছেন ‘আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নবাগত দুষ্টু ব্যক্তি’: ইরানের প্রেসিডেন্টমিয়ানমারের সিত্তুয়েতে রোহিঙ্গাদের জন্য রেডক্রসের ত্রাণবাহী নৌকায় বৌদ্ধদের হামলাজলি আত্মহত্যা প্ররোচণা মামলার চার্জশিট -‘সঠিক জবানবন্দি উপস্থাপন করতে পারেনি পুলিশ’রোহিঙ্গাদের জন্য জরুরী মানবিক সহায়তা ২৬২ কোটি ৩ লাখ টাকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র ‌‘রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আপনাদের ঐক্য প্রদর্শন করুন’ : ওআইসিকে প্রধানমন্ত্রীপৌর অবকাঠামো উন্নয়নে ২০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দেবে এডিবিরোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস ট্রাম্পেররোহিঙ্গা ইস্যুতে মুখ খুললেন : আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা আহ্বান সুকি'র রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্যাতন বন্ধে এটাই সুচি’র শেষ সুযোগ : জাতিসংঘ মহাসচিব দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনে পাতাল রেলে বিস্ফোরণ : পুলিশের দাবী সন্ত্রাসী হামলাজাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী আজ নিউইয়র্ক যাচ্ছেনমিয়ানমারের আকাশসীমা লংঘনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশমানুষকে খাদ্য নিয়ে কষ্ট পেতে দেব না : সংসদকে প্রধানমন্ত্রীরাখাইন রাজ্যের বর্তমান সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের গভীর উদ্বেগ প্রকাশমানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রীএ সমস্যা মিয়ানমার তৈরি করেছে-রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান তাদেরকেই করতে হবে : সংসদকে প্রধানমন্ত্রীমন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতিসংঘ পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি স্বাক্ষরের অনুমোদনওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে রাষ্ট্রপতি আজ আস্তানার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেননির্বাচনকে প্রভাবিত করার রাজনীতি বিএনপি'র হাত ধরেই শুরু হয়েছে : প্রধানমন্ত্রীমিয়ানমারের চলমান সহিংসতায় ১ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে : জাতিসংঘ
  • ট্রাম্প হচ্ছেন ‘আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নবাগত দুষ্টু ব্যক্তি’: ইরানের প্রেসিডেন্টমিয়ানমারের সিত্তুয়েতে রোহিঙ্গাদের জন্য রেডক্রসের ত্রাণবাহী নৌকায় বৌদ্ধদের হামলাজলি আত্মহত্যা প্ররোচণা মামলার চার্জশিট -‘সঠিক জবানবন্দি উপস্থাপন করতে পারেনি পুলিশ’রোহিঙ্গাদের জন্য জরুরী মানবিক সহায়তা ২৬২ কোটি ৩ লাখ টাকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র ‌‘রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আপনাদের ঐক্য প্রদর্শন করুন’ : ওআইসিকে প্রধানমন্ত্রীপৌর অবকাঠামো উন্নয়নে ২০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দেবে এডিবিরোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস ট্রাম্পেররোহিঙ্গা ইস্যুতে মুখ খুললেন : আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা আহ্বান সুকি'র রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্যাতন বন্ধে এটাই সুচি’র শেষ সুযোগ : জাতিসংঘ মহাসচিব দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনে পাতাল রেলে বিস্ফোরণ : পুলিশের দাবী সন্ত্রাসী হামলাজাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী আজ নিউইয়র্ক যাচ্ছেনমিয়ানমারের আকাশসীমা লংঘনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশমানুষকে খাদ্য নিয়ে কষ্ট পেতে দেব না : সংসদকে প্রধানমন্ত্রীরাখাইন রাজ্যের বর্তমান সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের গভীর উদ্বেগ প্রকাশমানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রীএ সমস্যা মিয়ানমার তৈরি করেছে-রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান তাদেরকেই করতে হবে : সংসদকে প্রধানমন্ত্রীমন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতিসংঘ পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি স্বাক্ষরের অনুমোদনওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে রাষ্ট্রপতি আজ আস্তানার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেননির্বাচনকে প্রভাবিত করার রাজনীতি বিএনপি'র হাত ধরেই শুরু হয়েছে : প্রধানমন্ত্রীমিয়ানমারের চলমান সহিংসতায় ১ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে : জাতিসংঘ
উপরে