প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি, ২০১৬ ১৪:১৭:২৮
মতামত : আমার বাবা ভাষা সৈনিক দবিরুল ইসলাম, একজন কিংবদন্তী ছাত্রনেতা
আহসান উল্লাহ ফিলিপ : ১৯৫৪ সাল। প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের জন্য সরগরম গোটা পূর্ব পাকিস্তান। চলছে নির্বাচনী জনসভা। যুক্তফ্রন্ট এর শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত সারাদেশ। একদিকে মুসলিম লীগ, আরেক দিকে আওয়ামী মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম, কৃষক-শ্রমিক পার্টি, নেজাম-ই- ইসলামী এবং হাজী দানেশের নেতৃত্বে বামপন্থি গণতন্ত্রীদল।

এই সব দল মিলে মুসলিম লীগকে চিরতরে ঠেকানোর জন্য তৈরী করেছে যুক্তফ্রন্ট নামে একটি রাজনৈতিক প্লাটফর্ম। ১৯৫৪ সালের ৩রা মার্চ এই রাজনৈতিক জোটেরই একজন তরুন নেতা, অনলবর্ষী  বক্তা ঠাকুরগাঁও সদর উপজেজলার মোলানী গ্রামের ডুংড্ঙ্গুী ময়দানে এক বিশাল জনসভায় বক্তব্য রাখছিলেন। আর হাজার, হাজার জনতা মন্ত্রমুগদ্ধ হয়ে এই তরুন নেতার বক্তব্য শুনছিলেন। বক্তব্য চলাকালীন সময়ে মোলনী গ্রামের ছুটু মিয়া নামের একজন ব্যক্তি সেই তরুন নেতার বক্তব্য থামিয়ে দিয়ে প্রশ্ন করলেন-“হামরাতো যুক্তফ্রন্ট বুঝিনা বাহে, হামাক যুক্তফ্রন্ট সম্পর্কে একটু খুলে কহেনদি” সেই তরুন নেতা থামলেন এবং বলা শুরু করলেন “চাচা একটা পুকুরের মধ্যে ডেরা, পুুঁটি, মলা, ডেলা, কেচকি, টেংরাসহ আরো অনেক ছোট, ছোট মাছ আছে।

পাশাপাশি বড়, বড় কিছু মাছ-যেমন বোয়াল, শৌল, মাগুর সহ আরোও কিছু বড় বড় মাছ আছে। এ বড় মাছ গুলো সব সময় ছোট মাছ গুলোকে তাড়া করে এবং এক সময় খেয়ে ফেলে। এভাবে চলতে চলতে একসময় এ ছোট মাছ গুলো বড় বড় মাছদের কাছ থেকে বাঁচার জন্য সবাই মিলে একত্রিত হল। তারা সিদ্ধান্ত নিল যে, তারা যদি সবাই মিলে জোট করে একতাবন্ধ হয়ে থাকে, তাহলে বড় মাছ গুলো আর কখনো তাদেরকে ঘায়েল করতে পারবেনা। তো চাচা এই একতাবদ্ধ জোটটির নাম হল যুক্তফ্রন্ট আর ঐ বড় মাছ গুলোর নাম হলো মুসলিম লীগ।

এ মুসলিম লীগ কখনই পূর্ব পাকিস্তানের স্বার্থে কিছু করে না”। তরুন এ নেতার এ রকম বক্তব্য শুনে ছুটু মিয়া নামের সেই ব্যক্তিটি চিৎকার করতে করতে মঞ্চে এসে সেই তরুন নেতাটিকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বললেন-“হে মোর বাপ, তুই এতদিন কোনঠে ছিলো, হামরা তো তোর মত নেতাই খুঁজে বেড়াছি”।

এই তরুন মেধাবী নেতাটি আর কেউ নন, তিনি বাংলাদেশর ছাত্র রাজনীতির ইতিহাসে এক অবিস্মরনীয় নাম কিংবদন্তী ছাত্রনেতা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য-আমার বাবা এ্যাডভোকেট দবিরুল ইসলাম। উপরের এই গল্পটি শুনেছিলাম আমার এক আত্মীয় আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ভেলাজান গ্রামের মজিবর রহমান এর কাছ থেকে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূচনা পর্বে যে ক’জন সাহসী সূর্য সন্তান তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন, দবিরুল ইসলাম ছিলেন সেই সাহসী সারথীদের অন্যতম। “রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই” আন্দোলন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের নায্য আন্দোলন, পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ গঠন, যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠন এ সবের পিছনে অসামান্য অবদান রেখেছেন এই মেধাবী ও তেজোদীপ্ত ছাত্রনেতা দবিরুল ইসলাম।

দবিরুল ইসলাম বৃহত্তর দিনাজপুরের তৎকালীন ঠাকুরগাঁও মহকুমার বামুনিয়া গ্রামে ১৯২২ সালে ১৩ মার্চ এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্রবস্থাতেই তিনি মেধার স্বাক্ষর রাখা শুরু করেন। লাহিড়ী এম.ই হাই স্কুল থেকে বিভাগীয় বৃত্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার, সপ্তম শ্রেণীতে পড়ার সময় রাজশাহী বিভাগীয় “মায়াদেবী উম্মুক্ত রচনা প্রতিযোগীতায়” লাভ করেন স্বর্ণ পদক। এরপর ১৯৩৮ সালে ঠাকুরগাঁও থেকে কৃতিত্বের সাথে প্রথম বিভাগে মেট্রিকুলেশন পাশ করে ভর্তি হন রাজশাহী সরকারী কলেজে। এখান থেকে আই, এ পরীক্ষায় মেধা তালিকায় চতুর্থ স্থান নিয়ে বোর্ডস্ট্যান্ড করে তাক লাগিয়ে দেন সবাইকে।
১৯৪৭ সালে প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করে বিএ পাশের পরে আইন বিভাগে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগেই দিনাজপুরে বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের জন্য তখনই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান আমার বাবা দবিরুল ইসলাম। তাই ১৯৪৬ সালে ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠেয় গণতান্ত্রিক যুবলীগের কর্মী সম্মেলনে ডাক পড়ে তার। সেই সম্মেলনে দবিরুল ইসলামের সাথে আরো যোগদেন মুস্তফা-নুর-উল ইসলাম, এম আর আখতার মুকুল, আব্দুর রহমান চৌধুরী, রিয়াজুল ইসলাম প্রমুখ।

সেদিন গণতান্ত্রিক যুবলীগের কর্মী সম্মেলনে এক আগুনঝরা বক্তব্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তৎকালীন ছাত্রনেতাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হন তিনি। এর পরে ১৯৪৮ সালে সদ্য প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তানে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের প্রথম আহবায়ক কমিটি গঠিত হলে আহ্বায়ক হন রাজশাহীর নঈমুদ্দিন আহম্মেদ। নবগঠিত এই কমিটিতে ফরিদপুর থেকে শেখ মুজিবুর রহমান, কুমিল্লা থেকে অলি আহাদ এবং দিনাজপুর থেকে দবিরুল ইসলামসহ মোট ১৪ জন প্রতিনিধি এ কমিটিতে অর্ন্তভূক্ত হন। কমিটির নেতাদের অভূতপূর্ব জনপ্রিয়তা, মেধা আর পরিশ্রম পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম আওয়ামী লীগ গঠনের প্রক্রিয়াকে কয়েক ধাপ এগিয়ে নেয়।

চলতে থাকে পাকিস্তান বিরোধী ও রাষ্ট্রভাষা বাংলাকে প্রতিষ্ঠিত করার দূর্বার আন্দোলন। সারাদেশের মতো দিনাজপুরেও ছড়িয়ে পড়ে এ আন্দোলনের উত্তাপ। তখন দিনাজপুরে দবিরুল ইসলাম, নুরুল হুদা, কাদের বক্স (ছোটি ভাই), এম আর আখতার মুকুলসহ অনেকেই “রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই” আন্দোলন প্রতিষ্ঠার জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছিলেন। এরই মাঝে দিনাজপুরের সুরেন্দ্রনাথ কলেজের (বর্তমানে সরকারী মহিলা কলেজ) এক ছাত্র জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে গ্রেফতার হন দবিরুল ইসলাম। দিনাজপুর জেলখানায় তাকে অমানুষিক নির্যাতন, জুলুম ও মারপিট করা হয়। বন্দুকের বেয়নেট দিয়ে তার বুকে আঘাত করা হয়। এভাবে ব্যাপক নির্যাতন ও অত্যাচারের কারণে আমার বাবার স্বাস্থ্য চিরতরে ভেঙ্গে যায়। বঙ্গবন্ধসহ বেশ কয়েকজন নেতা দবিরুল ইসলাম ও অন্যান্য ছাত্রনেতাদের প্রতি এরকম নির্যাতনের খবর শুনে দিনাজপুরে ছুটে যান। যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তে উল্লেখ করেছেন।
এরই মাঝে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের ন্যায্য আন্দোলনকে বেগবান করার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্যদের সাথে আমার বাবা দবিরুল ইসলামও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবন বহিষ্কৃত হন। এদিকে রাষ্ট্র ভাষা অধিকার বাস্তবায়নের দাবীর মধ্যে দিয়ে ১৯৪৯ সালের ৪ জানুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগের প্রথম কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এ অধিবেশনে দবিরুল ইসলাম ঢাকা জেলখানায় অন্তরীণ থাকাবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’সহ অন্যান্য ছাত্রনেতাদের সার্বিক সম্মতি ও মতামতের ভিত্তিতে দেশের ইতিহাসে দবিরুল ইসলামকে ছাত্রলীগের প্রথম কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচিত করা হয় এবং ১৯৪৯ সাল থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত তিনিই সভাপতি ছিলেন।

কমিটি হওয়ায় কিছুদিন পর জেল থেকে ছাড়া পেয়ে আবারো পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর রোষানলে পড়েন তিনি। আবার তাকে গ্রেফতার করে জেলখানায় ঢুকিয়ে দেয় পাকিস্তান সরকার। এরপর আবার জেল থেকে ছাড়া পেয়ে  ১৯৫৪ সালে নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগ থেকে ঠাকুরগাঁও আসনের জন্য মনোনয়ন পেয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে মুসলিম লীগের তৎকালীন বাঘানেতা নুরুল হক’কে পরাজিত করে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমএলএ) নির্বাচিত হন দবিরুল ইসলাম। পরে ১৯৫৪ সালের ৩০ আগষ্ট পাকিস্তান সরকার যুক্তফ্রন্ট সরকার ভেঙ্গে দিলে আবারো পাকিস্তান বিরোধী মনোভাব সারাদেশ জুড়ে তুঙ্গে উঠে।

এরই মধ্যে ১৯৫৬ সালে আবু হোসেন সরকার নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভায় স্থান করে নেন দবিরুল ইসলাম। তিনি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় পার্লামেন্টারী সেক্রেটারি (শিল্প, বাণিজ্য ও শ্রম) নিযুক্ত হন। এ সময় তিনি ঠাকুরগাঁওতে একটি সুগার মিল স্থাপনের জন্য তৎকালীন সরকারের কাছে এর স্বপক্ষে জোরালো দাবী তুলে ধরেন। বার বার কারাভোগ এবং জেলখানার ভিতরে অমানুষিক নির্যাতনের কারণে তিনি ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন ঠিকই, কিন্তু তারপরেও দেশ ও জনগণের মুক্তির জন্য বিভিন্ন আন্দোলন ও সংগ্রামের মাধ্যমে রাজপথে নিজেকে সর্বদা সরব রেখেছিলেন।

অবশেষে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম আন্দোলনের এ অগ্রসৈনিক, বিরল প্রতিভার অধিকারী মুহম্মদ দবিরুল ইসলাম ১৯৬১ সালের ১৩ জানুয়ারি মাত্র ৩৮ বছর বয়সে তার নিজ গ্রাম বামুনিয়াতে মৃত্যুবরণ করেন।

আমার বাবা মরহুম দবিরুল ইসলামের মৃত্যুর এতটি বছর পার হলেও আজও তাকে রাষ্ট্রীয় ভাবে কোন স্বীকৃতি বা সম্মাননা প্রদান করা হয়নি। মূল্যায়ন করা হয়নি বিরল প্রতিভার অধিকারী এ রাজনীতিবিদকে। মরহুম দবিরুল ইসলামের সন্তান হিসেবে বর্তমান সরকার প্রধানের কাছে আজ আমাদের দাবী- রাষ্ট্রীয় ভাবে ভাষা সৈনিক হিসেবে আমার বাবাকে স্বীকৃতি দেওয়া হোক, স্বাধীনতা আন্দোলন সংগ্রামের জন্য তার অসামান্য অবদান ও তার স্মৃতি সংরক্ষনের জন্য সরকারীভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করে তার মূল্যায়নের জন্য ঠাকুরগাঁও শহর থেকে লাহিড়ীহাট পর্যন্ত সড়কটির নাম ভাষা সৈনিক দবিরুল ইসলাম সড়ক নামকরণ করা এবং তার নামে ঠাকুরগাঁও জেলায় সরকারী ভাবে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হোক।

আগামীকাল ১৩ জানুয়ারী ৫৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তার প্রতি পরিবার ও ঠাকুরগাঁও জেলার সর্বস্তরের মানুষের পক্ষে গভীর বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করছি এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

লেখক : আহসান উল্লাহ ফিলিপ,মরহুম দবিরুল ইসলামের কনিষ্ঠ পুত্র (বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত) ই-মেইল : mdullah@live.com
 
সর্বশেষ সংবাদ
  • বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যমান চিনি আইন রহিতের সিদ্ধান্তমহানগরী ঢাকাকে ‘সেফনগরী’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন ১০ কার্য দিবস চলবেস্থানীয় সরকারের অধীন দেশের ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানে ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণবিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না : খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ : বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি, সোমবার শাহবাগে ‘আনন্দ উৎসব ও স্মৃতিচারণ’ আজ বসছে দশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন
  • বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যমান চিনি আইন রহিতের সিদ্ধান্তমহানগরী ঢাকাকে ‘সেফনগরী’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন ১০ কার্য দিবস চলবেস্থানীয় সরকারের অধীন দেশের ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানে ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণবিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না : খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ : বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি, সোমবার শাহবাগে ‘আনন্দ উৎসব ও স্মৃতিচারণ’ আজ বসছে দশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন
উপরে