প্রকাশ : ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ২১:২০:০৯
আধুনিক যুগে বিবর্ণ কৃষক!
সাইদুর রহমান সাইদুল : নব্য প্রস্তর যুগে কৃষির সূচনা ঘটে। তবে ভারতবর্ষে আনুমানিক ৯০০০ খ্রিষ্টাব্দ নাগাদ কৃষির সূচনা ঘটে । সূচনাকাল কখন হয়েছে তা জানার চেয়ে বড় প্রাপ্তির বিষয়টা জানা দরকার । একমাত্র কৃষিই মানুষকে যাযাবর জীবন থেকে মুক্তি দিয়ে সংসারী করেছে । বিশ্বের যে কয়েকটি দেশের অর্থনীতি কৃষির উপর নির্ভরশীল তার মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ।
কৃষক হলো : চাষী/বর্গাচাষী অথবা আবাদকারী । আমার মতে কৃষক হলো অন্নযোগান দানকারী একটা গোষ্ঠী যাঁরা  অযত্নে, অবহেলায় পড়ে আছে এ দেশের সমগ্র ভূখন্ডে । দেশের জনসংখ্যার তুলনায় তাঁদের সংখ্যা গরিষ্ঠতা যেমন বেশী তেমনি বঞ্চিত এবং অবহেলিত ও  তাঁরা বেশী । তাঁদের চিনতে অসুবিধা হয়না । কারন কঙ্কাল স্বরূপ অর্ধ উলঙ্গ চেহারাই বলে দেয় উনারা কৃষক ।
অর্ধহারে, অনাহারে কৃষক আজ কঙ্কাল স্বরূপ । তাঁদের ভবিষৎ স্বপ্ন প্রদীপ বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে । উন্নয়নের প্লাবনে  তাঁদের রক্তের হিমোগ্লোবিন ঘোলাটে  হয়ে যাচ্ছে । রক্তশূণ্যতা তাঁদের দেহে স্থায়ীভাবে বাসা বেঁধেছে । অভাব, ঋণগ্রস্হতা, কণ্যা দায়গ্রস্হতা, রোগাগ্রস্হতা তাঁদের নিত্যদিনের সঙ্গী । অতিবৃষ্টি -অনাবৃষ্টি তাঁদেরকে হিংস্র বাঘের মতো প্রতিনিয়ত আক্রমন করছে । দিনের পর দিন রোদে পোড়ে বৃষ্টিতে ভিজে তাঁরা ফসল ফলাচ্ছেন, অথচ মধ্য সত্বভোগীরা ফসলের লাভ ভক্ষণ করে তৃপ্তির ঢেকুর তুলছে । ঋণের কষাঘাতে ক্ষত-বিক্ষত । তাঁদেরকে শান্তনার বাণী শোনাবে কে?? সরকার তো কৃষককের সাথে বিমাতা সূলভ মনোবৃত্তি প্রদর্শন করতেছেন ।
স্বাধীনতার ৪৫ বছর কালের গর্ভে বিলীন হয়ে গেল । জাতিরজনকের সোনার বাংলা স্বপ্ন অধরাই  থেকে গেলো। সোনার বাংলা স্বপ্নের বাস্তব রুপ দিতে হলে দেশের সোনার মানুষদের কদর করতে হবে । কৃষি বিপ্লবের মাধ্যমে সোনার বাংলার স্বপ্ন পূরন দীর্ঘ সময়ের ব্যাপার নয়। জি ডি পির ত্রিশ ভাগ আসে কৃষি থেকে । এ দেশের শতকরা ৮০ ভাগ শ্রমজীবি মানুষের মধ্যে ৬৫ ভাগ মানুষেই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে কৃষির সাথে ওতপতোভাবে জড়িত। যত কথাই বলেন না কেন  ? দেশের উন্নয়নের মূল ভিক্তি কৃষি । অথচ সামনে বোরো মৌসুম কৃষককের চোখে ঘুম নেই । ধানের ন্যায্য মূল্যায়ন পাবে কিনা  এই চিন্তায়। জাতীয় অর্থনীতির সূচক উন্নয়নের ক্ষেত্রে কৃষির অবদান অনস্বীকার্য হলেও কৃষককেরা যুগে যুগে অবহেলিত হচ্ছে ।
বাংদেশের প্রথম বাজেট ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা । এ বছরের বাজেট প্রায় তিন লক্ষ কোটি টাকা । গত বছর বাজেটে কৃষিতে বরাদ্দ ছিল ৫.১২% ।  এ বছর  বাজেটে কৃষিতে বরাদ্দ ৪.৩ %। প্রতি বছর বাজেটের আকার বাড়ে  ( এ বছর বেড়েছে ২৩ %) । বিগত সাত বছরে অর্থনেতির সকল সূচক সর্বদিকে অপ্রত্যাশিত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে । কিন্তু হতভাগা, হতদরিদ্র কৃষককের সূচকের কোন উন্নতি হচ্ছে না । এ বছর  বাজেটে কৃষিতে বরাদ্দ কমে যাওতে অসাধু মহাজনরা সুযোগে সৎ ব্যাবহার করবেন।
কৃষি পণ্যের সঠিক মূল্যায়নের অভাবে, বিমূখী বাজার নীতি, প্রক্রিয়া জাতকরনের অভাব,  সবমিলে কৃষি এখন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এবং অলাভজনক খাতে পরিণত হয়েছে । সরকারী ভাবে কৃষি পণ্য ক্রয়ের নীতিমালা অতি প্রাচীন  । নীতিমালা যুগ উপযোগী না হওয়ায়,  অসাধু সরকারী কর্মচারীদের হাতে জিম্মি হয়ে কৃষক কম দামে কৃষি পণ্য বিক্রি করেন।
/ইফপ্রির তথ্যমতে/গত বছর ধানের দাম কমেছে ৩.৬ % সেচের খরচ বেড়েছে ৯ % সারের দাম" ১১ % সরকার কৃষিপণ্য, বিশেষ করে ধানের ন্যায্য মূল্য নির্ধারনে বার বার কৃষককের প্রতি অবিচার করছেন ।  কৃষককের প্রতি মণ ধানে উৎপাদন খরচ হয় সাত থেকে আট শত টাকা । অথচ তাঁহারা বিক্রি করেন পাঁচ থেকে ছয় শত  টাকা মণে  ।বাংদেশের কোন ব্যবসায়ী তাঁর উৎপাদিত পণ্য  উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে বিক্রি করেন,  এমন দৃষ্টান্ত বিরল। একমাত্র বিবর্ণ কৃষক তাঁর হাঁড়ভাঙ্গা পরিশ্রমের ফসল লোকসানে বিক্রি করেন।
ধান গবেষণা ইনষ্টিটিউট মনে হয়  উন্নতমানের কয়েকটা ধান আবিস্কার করে কৃষককের কাছে আলাদীনের চেরাগ তুলে দিয়েছেন । বিশ্বে এখন জিংক এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ ধান উৎপাদন হচ্ছে । কৃষি ব্যাক্তিত্ব শাইখ সিরাজ কৃষি এবংকৃষককের উন্নতির জন্য যে অকান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তাঁর তুলনায় সরকারী কৃষি ভিত্তিক  প্রতিষ্ঠান গুলি কিছুই করেনি ।   
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতির উদেশ্য ভাষনে বলেছেন, বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, রপ্তানি করার মতো চাল মজবুত আছে । এটা জাতির জন্য স্বস্তিকর।  কিন্তু কৃষককের প্রতিটি ঘামের কণা আজ চিৎকার দিতে পারছেনা। কিন্তু শিক্ষককেরা  বেতন বৈষম্যের জন্য শিক্ষাকে জিম্মি করে আন্দোলন করতে পারেন। তাহলে কৃষক কেন তাঁর পণ্যের  ন্যায্য মূল্যের জন্য আন্দোলন করতে পারবেন না ।
যদি কৃষককের মধ্যে একবার যদি বিস্ফোরণ ঘটে অথবা ধান উৎপাদন করবেনা বলে ঘোষণা দেন ।  তাহলে দিশেহারা হবে সরকার এবং রাষ্ট্র ব্যবস্থা ।  আমরা পাঠ্যবইয়ে পড়েছি পাট আমাদের সোনালী আঁশ । বছরের পর বছর এই সোনালী আঁশের  ন্যায্যমূল্য থেকে কৃষককুল বঞ্চিত হয়েছিলেন  । যারফলে,  কৃষককেরা পাট চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন।  তেমনি ভাবে আখ চাষ থেকেও মুখ ফিরিয়ে নিলেন তাঁরা । বর্তমানে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার প্রথম স্হানে আছে ধান । ইতিমধ্যে মেহেরপুরের কৃষককেরা ধানের পরিবর্তনে সরিষা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন ।
গত বছর নন ইউরিয়া সারের দাম কমলেও দাম বেড়েছে কেজী প্রতি আট  টাকা ইউরিয়া সারের । কৃষিতে বিদুৎতের দাম বেড়েছে ৩০ ভাগ । জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে ৫৫ ভাগ । সাথে সাথে শ্রমের দাম বেড়েছে বহুগুণে । সেচের ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে সময়ের তালে তাল মিলিয়ে।
একদিকে সার, কীটনাশক, এবং কৃষি উপকরনের মূল্য আকাশচুঙ্গী । দিনে দিনে জমি হারাচ্ছে উর্বরা শক্তি । অন্যদিকে কৃষক তাঁর উৎপাদিত পণ্যের সঠিক মূল্য পাচ্ছেন না।
কৃষককের প্রাণের দাবি "অনুদান চাই না, অনুকম্পা চাই না, উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য চাই"
ইলিশ ভক্ষণ তো দূরের কথা, ভালো একটা লুঙ্গী তাঁরা পড়তে পারছেন না । বন্যা অথবা খড়ার ভয়ানক থাবায় কৃষককুল দিশেহারা হয়ে ঋণের জন্য ব্যাংকের  দারস্হ হন । সেখানে দালাল আর ব্যাংক কর্মকর্তাদের ফাঁদে পরেন। বিশ হাজার টাকা ঋণ নিতে ওদেরকে দিতে হয় পাঁচ হাজার টাকা ঘুষ । সেই দুর্নীতিবাজ ব্যাংকের লোকেরা  কৃষকদের বিরোদ্ধে সার্টিফিকেট মামলা দিচ্ছে।
ব্যাংক গুলিকে দালাল মুক্ত করতে হবে আরও সহজ সর্তে  কৃষককে ঋণ দিতে হবে।
দশ টাকায় এক কোটি কৃষক ব্যাংক একাউন্ট খুলেছেন এ জন্য আওয়ামী সরকারকে সাধুবাদ । বর্তমানে এক কোটি ৪৩ লক্ষ ৭৫ হাজার কৃষককে কৃষি কার্ড দিয়েছে বর্তমান সরকার । কিন্তু এই ভালো উদ্যোগটা সঠিক পরিকল্পনার অভাবে এবং অসৎ মানুষের হাত ধরে আজ বাস্তবায়নে রাষ্ট্র ব্যর্থ  । ভর্তুকির টাকা যদি সরাসরিভাবে কৃষককের ব্যাংক একাউন্টে চলে যেত, তাহলে ভর্তুকির টাকার সুফল কৃষকে পেত।
ই-কৃষককে রূপান্তরিত করার কথা গত বছর থেকে সরকার ঢাক-ঢোল পিটিয়ে ঘোষণা দিয়ে যাচ্ছে  । যে কৃষককের পড়নে কাপড় নেই, শিক্ষিত করার কোন সরকারী উদ্যোগ চোখে পরেনা। সে কৃষককে প্রযুক্তির গান শুনানো বড়ই বেমানান। বরং কৃষি বীমা চালু করতে পারলে । বাংলার কৃষককের  প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত চাপ কমে যাবে এবং ঝণের বুঝাও কমবে ।
এদেশের কৃষি এবং কৃষককুলকে বাঁচাতে হলে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে । পণ্যের সঠিকভাবে মূল্য নির্ধারন করতে হবে । সরকারী -বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরাসরি কৃষককের কাছ থেকে পণ্য কিনতে হবে । প্রতিটি থানায় কৃষি পণ্য প্রক্রিয়াজাতের ব্যবস্থা করতে হবে । কৃষি ভিক্তিক শিল্প স্হাপন করতে হবে । সার, কীটনাশক, কৃষি উপকরনের দাম সমন্বয় করতে হবে । কৃষককে আধুনিক কৃষি চাষাবাদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে । শিক্ষিত যুবকদেরকে কৃষিতে সম্পৃক্ত করতে হবে ।জি ডি পিতে কৃষির অবস্হান অনুযায়ী বাজেটে তার প্রতিফলন থাকতে হবে । নতুবা  কৃষিতে  ক্রমেক্রমে কৃষিতে নেমে আসবে ভয়াবহ বিপর্যয় । প্রবৃদ্ধি অর্জনে ব্যর্থ হবে সরকার এবং মধ্য আয়ের দেশ হিসাবে খাতায় নাম উঠানো দুরূহ হবে ।
কৃষককেরা হয়তো আন্দোলন বুঝেননা। বুঝলে তাঁদের আন্দোলন হতো সবচেয়ে যুক্তি সংগত । তবে সব কিছুর শেষ আছে । কৃষককের বর্তমানে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে । বিস্ফোরণ যে কোন প্রেক্ষাপটে ঘটতে পারে।

লেখক : কলামিস্ট
saidurrahman2645@gmail.com
সর্বশেষ সংবাদ
  • ট্রাম্প হচ্ছেন ‘আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নবাগত দুষ্টু ব্যক্তি’: ইরানের প্রেসিডেন্টমিয়ানমারের সিত্তুয়েতে রোহিঙ্গাদের জন্য রেডক্রসের ত্রাণবাহী নৌকায় বৌদ্ধদের হামলাজলি আত্মহত্যা প্ররোচণা মামলার চার্জশিট -‘সঠিক জবানবন্দি উপস্থাপন করতে পারেনি পুলিশ’রোহিঙ্গাদের জন্য জরুরী মানবিক সহায়তা ২৬২ কোটি ৩ লাখ টাকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র ‌‘রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আপনাদের ঐক্য প্রদর্শন করুন’ : ওআইসিকে প্রধানমন্ত্রীপৌর অবকাঠামো উন্নয়নে ২০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দেবে এডিবিরোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস ট্রাম্পেররোহিঙ্গা ইস্যুতে মুখ খুললেন : আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা আহ্বান সুকি'র রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্যাতন বন্ধে এটাই সুচি’র শেষ সুযোগ : জাতিসংঘ মহাসচিব দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনে পাতাল রেলে বিস্ফোরণ : পুলিশের দাবী সন্ত্রাসী হামলাজাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী আজ নিউইয়র্ক যাচ্ছেনমিয়ানমারের আকাশসীমা লংঘনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশমানুষকে খাদ্য নিয়ে কষ্ট পেতে দেব না : সংসদকে প্রধানমন্ত্রীরাখাইন রাজ্যের বর্তমান সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের গভীর উদ্বেগ প্রকাশমানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রীএ সমস্যা মিয়ানমার তৈরি করেছে-রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান তাদেরকেই করতে হবে : সংসদকে প্রধানমন্ত্রীমন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতিসংঘ পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি স্বাক্ষরের অনুমোদনওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে রাষ্ট্রপতি আজ আস্তানার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেননির্বাচনকে প্রভাবিত করার রাজনীতি বিএনপি'র হাত ধরেই শুরু হয়েছে : প্রধানমন্ত্রীমিয়ানমারের চলমান সহিংসতায় ১ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে : জাতিসংঘ
  • ট্রাম্প হচ্ছেন ‘আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নবাগত দুষ্টু ব্যক্তি’: ইরানের প্রেসিডেন্টমিয়ানমারের সিত্তুয়েতে রোহিঙ্গাদের জন্য রেডক্রসের ত্রাণবাহী নৌকায় বৌদ্ধদের হামলাজলি আত্মহত্যা প্ররোচণা মামলার চার্জশিট -‘সঠিক জবানবন্দি উপস্থাপন করতে পারেনি পুলিশ’রোহিঙ্গাদের জন্য জরুরী মানবিক সহায়তা ২৬২ কোটি ৩ লাখ টাকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র ‌‘রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আপনাদের ঐক্য প্রদর্শন করুন’ : ওআইসিকে প্রধানমন্ত্রীপৌর অবকাঠামো উন্নয়নে ২০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দেবে এডিবিরোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস ট্রাম্পেররোহিঙ্গা ইস্যুতে মুখ খুললেন : আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা আহ্বান সুকি'র রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্যাতন বন্ধে এটাই সুচি’র শেষ সুযোগ : জাতিসংঘ মহাসচিব দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনে পাতাল রেলে বিস্ফোরণ : পুলিশের দাবী সন্ত্রাসী হামলাজাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী আজ নিউইয়র্ক যাচ্ছেনমিয়ানমারের আকাশসীমা লংঘনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশমানুষকে খাদ্য নিয়ে কষ্ট পেতে দেব না : সংসদকে প্রধানমন্ত্রীরাখাইন রাজ্যের বর্তমান সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের গভীর উদ্বেগ প্রকাশমানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রীএ সমস্যা মিয়ানমার তৈরি করেছে-রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান তাদেরকেই করতে হবে : সংসদকে প্রধানমন্ত্রীমন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতিসংঘ পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি স্বাক্ষরের অনুমোদনওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে রাষ্ট্রপতি আজ আস্তানার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেননির্বাচনকে প্রভাবিত করার রাজনীতি বিএনপি'র হাত ধরেই শুরু হয়েছে : প্রধানমন্ত্রীমিয়ানমারের চলমান সহিংসতায় ১ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে : জাতিসংঘ
উপরে