প্রকাশ : ২১ জুলাই, ২০১৬ ০০:৪৪:১৮
সশস্ত্র সংগ্রাম, বোমাবাজি ও মানুষ হত্যা ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি নয়
॥ আবু জাফর মুহাম্মাদ ইকবাল ॥ সার্বভৌম ক্ষমতার একমাত্র মালিক, বিশ্ব জগতের সকল কিছুর একমাত্র সৃষ্টিকর্তা, সকল সৃষ্টির জন্য একমাত্র আইনদাতা-বিধানদাতা ও নিরংকুশ কর্তা আল্লাহ প্রদত্ত মানব জাতির সমাজ ও রাষ্ট্রসহ সমগ্র জীবন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ও কল্যাণকর আইন-বিধান সম্বলিত পরিপূর্ণ একমাত্র জীবন ব্যবস্থা হলো ‘ইসলাম’ (দ্রঃ সুরা ৩ আলে ইমরান: ১৯, সুরা ৫ মায়েদা: ৩)। সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ প্রদত্ত একমাত্র জীবন ব্যবস্থা  ‘ইসলাম’ সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রতিষ্ঠিত না থাকাকালীন আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রদর্শিত শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিতে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও নিরংকুশ কর্তৃত্বের প্রতিনিধিত্বকারী নেতার নেতৃত্বের আনুগত্যের অধীন থেকে নিজ অর্থ-সম্পদ ও সময় ব্যয়ের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত চেষ্টা করাই ঈমানদারদের মৌলিক দায়িত্ব এবং আল্লাহর ক্ষমা ও জান্নাত লাভের উপায় (দ্রষ্টব্যঃ সুরা ৬১ ছফ: আয়াত ১০, ১১, ১২)। সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায়  ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠিত না থাকলে ঈমানদারদের নামাজ, রোজা, যাকাত ও হজ্জসহ কোন আমলই যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়না এবং ইসলামের সকল আইন-বিধান পালন করে পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ করা যায়না; অথচ, পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ করাই সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর নির্দেশ (দ্রষ্টব্যঃ সুরা ২ বাকারা: আয়াত ২০৮)। আল্লাহ প্রদত্ত  আদ্বীন-জীবন ব্যবস্থা ‘ইসলাম’ সমাজ ও রাষ্ট্রে  প্রতিষ্ঠা করে পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ করে ইসলামের সকল আইন-বিধান পালনের মাধ্যমে আল্লাহর এবং আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আনুগত্য যথাযথভাবে করতে মানুষের বাস্তব জীবনকে পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা ঈমানদারদের জন্য সকল আমলের বড় আমল এবং সর্ব প্রথম আমল (দ্রষ্টব্যঃ সুরা ৪২ শুরা: আয়াত ১৩)। কাজেই, আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর অনুসারী ঈমানদারগণ আল্লাহর নির্দেশিত শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিতে অর্থ-সম্পদ ও সময় ব্যয়ের মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রে আল্লাহ প্রদত্ত আদ্বীন- জীবন ব্যবস্থা ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত চেষ্টা করেছিলেন। কারণ, সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় আল্লাহ প্রদত্ত আদ্বীন-জীবন ব্যবস্থা ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠিত না হলে জীবনের সকল ক্ষেত্রে ‘ইসলাম’এর সকল আইন-বিধান পালনের মাধ্যমে একমাত্র আল্লাহর দাসত্ব, তাঁর আইন-বিধানের আনুগত্য ও তাঁর প্রতিনিধিত্ব করা সম্ভব নয়; অথচ আল্লাহর দাসত্ব, তাঁর আইন-বিধানের আনুগত্য ও পৃথিবীতে তাঁর প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালনের জন্যই আল্লাহ মানব জাতিকে সৃষ্টি করে পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন। আল্লাহর দাসত্ব, তাঁর আইন-বিধানের আনুগত্য ও পৃথিবীতে তাঁর প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালনের জন্য সমাজ ও রাষ্ট্রে আল্লাহ্র সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও কর্তৃত্বের প্রতিনিধিত্বকারী নেতার নেতৃত্ব তথা আল্লাহ প্রদত্ত আদ্বীন-জীবন ব্যবস্থা ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠা হওয়া অপরিহার্য।
কাজেই, আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রদর্শিত শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিতে আল্লাহ্র সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও কর্তৃত্বের প্রতিনিধিত্বকারী নেতার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজ নিজ অর্থ-সম্পদ ও সময় ব্যয়ের মাধ্যমে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত চেষ্টা করা সকল ঈমানদারদের সকল ফরজ আমলের বড় ফরজ এবং সর্ব প্রথম ফরজ আমল। ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার এই ফরজ আমল করার এবং প্রতিষ্ঠিত রাখার জন্য ধৈর্য ও ছালাত বা নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করতে হবে, সকল প্রকার বিরোধীতা ও ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করার দায়িত্ব সার্বভৌম ক্ষমতার একমাত্র মালিক আল্লাহর উপর ছেড়ে দিয়ে ধৈর্য ও ক্ষমার নীতিতে অটল থেকে অব্যহতভাবে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দাওয়াতী কাজ চালিয়ে যেতে হবে। কিন্তু সশস্ত্র সংগ্রাম ও বোমাবাজির মাধ্যমে মানুষ হত্যা করে সমাজ ও রাষ্ট্রে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি নয়। বরং এটা দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জগতের জন্যই ক্ষতির কারণ।
সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় মানুষের সার্বভৌমত্ব, মানুষের মনগড়া আইন-বিধান ও মানুষের কর্তৃত্বসহ জীবনের সকল ক্ষেত্রে সকল প্রকার র্শিক ও কুফ্র তথা জাহিলিয়্যাত ত্যাগ করে সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনসহ জীবনের সকল ক্ষেত্রে আল্লাহকেই একমাত্র ‘রব’ তথা সার্বভৌম ক্ষমতার একমাত্র মালিক, আইনদাতা-বিধানদাতা ও নিরংকুশ কর্তা গ্রহণ ও স্বীকার করে ঈমানের ঘোষণা দিয়ে আল্লাহর প্রতি ঈমান এনে অতঃপর অন্যান্য যেসব বিষয়ের প্রতি ঈমান আনতে হয় সেসব  বিষয়ের উপর ঈমান এনে (দ্রষ্টব্যঃ সুরা ৪২ শুরা: ৯, ১০; সুরা ২ বাকারা: ২৫৬, ২৫৭, ২৮৫) ঈমানদার হওয়ার পর Ñ  আল্লাহর প্রতি ঈমানে দৃঢ় ও অটল থাকা এবং আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে শর্তহীন আনুগত্য (অনুসরণ ও অনুকরণ) পাওয়ার অধিকারী একমাত্র নেতা হিসাবে গ্রহন করে রাসূলের প্রতি ঈমান এনে রাসূল (সাঃ)এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে আল্লাহর রাস্তায় চলার জন্য অর্থাৎ জীবনের সকল ক্ষেত্রে একমাত্র আল্লাহর দাসত্ব, আল্লাহর আইনের আনুগত্য এবং আল্লাহর উপাসনার জন্য আল্লাহ প্রদত্ত প্রয়োজনীয় ও কল্যাণকর আইন-বিধান সম্বলিত পরিপূর্ণ একমাত্র জীবন ব্যবস্থা ‘ইসলাম’ আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রদর্শিত শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিতে নিজ অর্থ ও সময় ব্যয়ের মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রে কায়েমের (প্রতিষ্ঠা করা ও প্রতিষ্ঠিত রাখার) চূড়ান্ত চেষ্টা করাই ঈমানদারদের জন্য আল্লাহর ক্ষমা ও জান্নাত লাভের উপায়। গণতন্ত্র, রাজতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ইত্যাদি মানব রচিত ব্যবস্থা সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রতিষ্ঠিত রেখে তার অধীনে নিশ্চিন্তে বসবাস করে নামাজ, রোজা, হজ্জ, যাকাত ইত্যাদি ইসলামের কতিপয় ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করে আল্লাহর ক্ষমা ও জান্নাত লাভের স্বপ্ন দেখা চরম বিভ্রান্তি ও অজ্ঞতা। কারণ মানব রচিত কোন ব্যবস্থার অধীনে নয়, ইসলাম’কে সকল ব্যবস্থার উপর বিজয়ী করার জন্যই সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ পথ নির্দেশনাসহ সত্য জীবনব্যবস্থা ‘ইসলাম’ দিয়ে রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রেরণ করেছেন (দ্রষ্টব্যঃ সুরা ৯ তওবা: আয়াত-৩৩, সুরা ৬১ ছফ: ৯)। কাজেই রাসূল (সাঃ)এর প্রদর্শিত শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিতে ‘ইসলাম’কে সমাজ ও রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা ব্যতীত মানব রচিত কোন ব্যবস্থার আনুগত্য মেনে নিয়ে সে ব্যবস্থার অধীনে অবস্থান করা ইসলাম নয়, জাহিলিয়্যাত তথা র্শিক ও কুফর। জাহিলিয়্যাত তথা র্শিক ও কুফর পরিত্যাগ না করে আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা হয়না এবং ইসলামও গ্রহণ করা যায়না। সমাজ ও রাষ্ট্র তথা মানুষের জীবন থেকে সকল প্রকার র্শিক, কুফ্র তথা জাহিলিয়্যাত দূর করে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠাই ছিল নাবী ও রাসূলের আগমনের উদ্দেশ্য। অতএব সশস্ত্র সংগ্রাম ও বোমাবাজির মাধ্যমে মানুষ হত্যা করে কিংবা ‘গণতন্ত্র’ বা যে মানব রচিত ব্যবস্থার অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহনের মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি নয়; এ সব আল্লাহর নির্দেশিত এবং আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রদর্শিত পদ্ধতি নয়। এ সবই কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কাজ, র্শিক ও কুফ্র তথা জাহিলিয়্যাত ।
আল্লাহ প্রদত্ত আদ্বীন-জীবন ব্যবস্থা ইসলামের মৌলিক বিষয় তিনটি- ১) সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও নিরংকুশ কর্তৃত্ব একমাত্র আল্লাহর, অর্থাৎ আল্লাহই হলেন একমাত্র ‘রব’। ফলে ২) দাসত্ব, আইন-বিধানের আনুগত্য ও উপাসনাও একমাত্র আল্লাহর অর্থাৎ আল্লাহই হলেন একমাত্র ‘ইলাহ’ এবং ৩) দাসত্ব, আইনের আনুগত্য ও উপাসনা বাস্তবায়নেÑ শর্তহীন আনুগত্য (অনুসরণ ও অনুকরণ) একমাত্র আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের, অন্য কারো নয়। রাব্বুল আলামীন বা বিশ্ব জগতের একমাত্র ‘রব’- আল্লাহর সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে আল্লাহর নিরংকুশ কর্তৃত্বের অধীন থেকে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও কর্তৃত্বের প্রতিনিধিত্বকারী নেতার নেতৃত্বে আল্লাহ প্রদত্ত আদ্বীন-জীবন ব্যবস্থা ‘ইসলাম’এর আইন-বিধান দিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যবস্থা করে একমাত্র আল্লাহর দাসত্ব, একমাত্র আল্লাহর আইন-বিধানের আনুগত্য ও তাঁর প্রতিনিধিত্ব করাই মানব জাতির মৌলিক দায়িত্ব ও কর্তব্য; এটাই আল্লাহর দাসত্ব, আল্লাহ্র আনুগত্য ও পৃথিবীতে তাঁর প্রতিনিধিত্ব করা এবং এটাই সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ কর্তৃক মানব সৃষ্টির একমাত্র উদ্দেশ্য (দ্রষ্টব্যÑ সুরা ৫১ যারিয়াত: ৫৬, সুরা ৩৫ ফাতির: ৩৯, সুরা ২ বাকারাহ: ৩০)। কাজেই, আল্লাহর দাসত্ব, তাঁর আনুগত্য ও পৃথিবীতে তাঁর প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দুনিয়াতে শান্তি ও কল্যাণ লাভ এবং আখিরাতে জাহান্নামের কঠিন শাস্তি থেকে মুক্তি পেয়ে জান্নাত লাভের জন্য আল্লাহর নির্দেশিত এবং তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রদর্শিত শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিতে সমাজ ও রাষ্ট্রে তথা মানুষের বাস্তব জীবনে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত চেষ্টার কোন বিকল্প নেই।  
আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নাবুয়াত ও রিসালাত প্রাপ্তির পর থেকেই আল্লাহর নির্দেশেই সমাজ ও রাষ্ট্রে তথা মানুষের বাস্তব জীবনে আল্লাহ প্রদত্ত আদ্বীন-জীবন ব্যবস্থা ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই যাবতীয় কাজ করেছিলেন। আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় আবু জাহিল, আবু লাহাব গংদের নেতৃত্বের মাধ্যমে মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত থাকাকালীন সময়ে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই জাতির সকল মানুষদেরকে ইসলামের মৌলিক তিনটি বিষয় গ্রহণের দাওয়াত দানের মাধ্যমে ইসলাম প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করেছিলেন। আল্লাহর বিশেষ সাহায্যে মদীনাতে আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সার্বিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি কি সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রতিষ্ঠিত আবু জাহিল গংদের তথা মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও কর্তৃত্বের ধারক-বাহক নেতৃত্বের সাথে অথবা সাধারন মানুষদের সাথে কোন সংঘাত ও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিলেন? তাদের কাছে কি কোন দাবী দাওয়া পেশ করেছিলেন? মানুষের জান-মালের ক্ষতি হয় এমন কোন কর্মসূচী বা পদক্ষেপ কি আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিয়েছিলেন? তিনি কি কাউকে খারাপ জ্ঞান বা গালমন্দ করেছিলেন? অথবা তিনি কি শাসন ক্ষমতা পাবার আশায় মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও কর্তৃত্বের ধারক-বাহক নেতৃত্বের সাথে কোন জোট করেছিলেন? তিনি কি কোন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন? আপনারা সবাই জানেন যে, আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এসব কিছুই করেন নি। তিনি সকল মানুষকে ভালোবেসে সকলের সার্বিক কল্যাণের জন্যই সৃষ্টিকর্তা ‘রব্ব’ আল্লাহর পক্ষ থেকে অহী’র মাধ্যমে প্রাপ্ত আল্লাহর সকল বাণী ও নির্দেশাবলী ‘কথা ও যুক্তি’ দ্বারা দিনরাত জাতির মানুষদেরকে শুনিয়ে সাবধান ও সতর্ক করেছেন। আল্লাহকেই একমাত্র ‘রব্ব’-সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও নিরংকুশ কর্তৃত্বের মালিক স্বীকার করে আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার আহ্বান করেছেন, শুধুমাত্র আল্লাহর দাসত্ব, তাঁরই আইন-বিধানের আনুগত্যের অর্থাৎ ইসলাম গ্রহনের অঙ্গীকার করার এবং সমাজ ও রাষ্ট্রে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে স্বয়ং আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’এর নেতৃত্বের আনুগত্য করার অর্থাৎ ‘ইসলাম’ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করার আহ্বান করেছেন, দাওয়াত দিয়েছেন। আর এ কাজে তিনি নিজ অর্থ সম্পদ ও সময় সবটুকু ব্যয় করেছেন। নেতৃত্ব অথবা অর্থ সম্পদ পাওয়ার লোভে অথবা কোন প্রকার পার্থিব লোভে তিনি এ দাওয়াত দেননি এবং সমাজ ও রাষ্ট্রে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার কাজে কারো সাথে কোন আপোষ করেন নি। বরং মানবতার মুক্তির দূত আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর আহ্বানে সাড়াদানকারী ঈমান ও ইসলামের দাওয়াত কবুলকারী ঈমানদারগণ আল্লাহর নির্দেশ পালনে জাতির অন্য লোকদেরকে সাবধান সর্তক করার এই দাওয়াতী কাজ করার কারণে অনেক বিরোধীতার সন্মুখীন হয়েছেন, গালমন্দ শুনেছেন, অপমানিত হয়েছেন, মার খেেেয়ছেন, বিভিন্ন রকম নির্যাতন ভোগ করেছেন; কিন্তু কখনো কোন প্রতিবাদ করেন নি, সংঘাত-সংঘর্ষে লিপ্ত হননি, কখনো কাউকে মারধর করেন নি, কাউকে গালমন্দও করেন নি, একতরফা শুধু মাজলুম- নির্যাতিত হয়েছিলেন। সকল প্রকার বিরোধীতা ও ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করার দায়িত্ব আল্লাহর উপর ছেড়ে দিয়ে আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর অনুসারী ঈমানদার সাহাবাগণ উত্তম ধৈর্য্য ও ক্ষমাার নীতি গ্রহন করে অবিরাম জাতির মানুষদেরকে সাবধান ও সর্তক করে ‘ঈমান ও ইসলাম’ গ্রহনের আহ্বান ও দাওয়াতী কাজ করেছিলেন। ঈমানের উপর দৃঢ় থেকে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার এ মহতী কাজে নিজেদের অর্থ-সম্পদ ও সময় কুরবানীর মাধ্যমে আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর অনুসারীদের ‘আমলে সালেহ্’ সৃষ্টিকর্তা ‘রব্ব’ আল্লাহর কাছে গৃহীত হওয়ায় আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সুরা নূর’এর ৫৫ নং আয়াতে  ঘোষিত তাঁর ওয়াদা পূর্ণ করে মদীনায় আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নেতৃত্বে ঈমানদারদেরকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা-খিলাফাত দান করেছিলেন। এটাই ঈমানদারদের রাষ্ট্রীয় শাসন ক্ষমতা-খিলাফাত লাভের আল্লাহর নির্দেশিত ও রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রদর্শিত একমাত্র পদ্ধতি। বর্তমানেও ঐ একই শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিতেই সমাজ ও রাষ্ট্রে আল্লাহ প্রদত্ত আদ্বীন-জীবন ব্যবস্থা ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠা হতে হবে, আর কোন বিকল্প পদ্ধতি নেই।
কাজেই, সশস্ত্র সংগ্রাম ও বোমাবাজির মাধ্যমে মানুষ হত্যা করে ক্ষমতা দখল করে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা সমাজ ও রাষ্ট্রে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি নয়। আল্লাহর বিশেষ সাহায্যে মদীনাতে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’এর সার্বিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও নিরংকুশ কর্তৃত্ব তথা সমাজ ও রাষ্ট্রে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো। মদীনাতে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার পুর্বে আল্লাহর পক্ষ থেকে যুদ্ধ বা সশস্ত্র সংগ্রাম বা ক্বীতালের কোন নির্দেশ ছিলো না, নির্দেশ ছিলো  “হাত বেধে রাখো অর্থাৎ চরম ধৈর্য্য ধারন করো”  বিধায়; আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর আনুগত্যের অধীন ঈমানদারগণ মদীনাতে “ইসলামী রাষ্ট্র” প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পুর্বে কোন যুদ্ধ বা সশস্ত্র সংগ্রাম বা কোন ক্বীতাল করেন নি, একতরফা মাজলুম হয়েছিলেন। “ইসলামী রাষ্ট্র” প্রতিষ্ঠিত হবার পর এই রাষ্ট্রকে রক্ষার জন্য এবং অন্যান্য কুফুরী রাষ্ট্রে ‘ঈমান ও ইসলামের’ দাওয়াত পৌছানোর ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনের প্রেক্ষিতে আল্লাহর নির্দেশেই আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম “ইসলামী রাষ্ট্রের রাষ্ট্র প্রধান হিসাবে” ঈমানদারদের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন, নির্দেশ দিয়েছেন এবং  ঈমানদারদের নিয়ে ইসলামের শত্রুদের মোকাবিলা করার জন্য সশস্ত্র সংগ্রাম ও যুদ্ধ করেছিলেন। কাজেই, ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য নয়, কেবলমাত্র ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলেই প্রয়োজনের প্রেক্ষিতে শত্রুদের মোকাবিলা করার জন্য সশস্ত্র সংগ্রাম বা ক্বীতাল করার বিধান ইসলামে আছে। কিন্তু কোথায়ও ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠিত না থাকলে সমাজ ও রাষ্ট্রে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার জন্য সশস্ত্র সংগ্রাম করা ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি নয়; বরং এটা কুরআন ও সুন্নাহ বিরোধী সশস্ত্র সন্ত্রাস। কাজেই বর্তমান বিশ্বে ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে যে সকল জঙ্গিতৎপরতা হচ্ছে তা সশস্ত্র সন্ত্রাস এবং যারা এ সকল জঙ্গিতৎপরতার সাথে জড়িত হয়ে মানুষের জান, মাল ও ইজ্জতের ক্ষতি সাধন করছে তারা ইসলামের নামে চরম বিভ্রান্তির শিকার হয়ে নিজেদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে মহাক্ষতিতে নিমজ্জিত করছে। তাদেরসহ সকলের প্রতি আান্তরিক অনুরোধ করছিÑ “আসুন! কুরআন, সুন্নাহ্ এবং আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নাবুয়াত ও রিসালাত প্রাপ্তির পর থেকে মদীনাতে তাঁর সার্বিক নেতৃত্ব তথা “ইসলামী রাষ্ট্র” প্রতিষ্ঠিত হওয়ার মাধ্যমে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠিত হওয়া পর্যন্ত তাঁর কর্মকান্ড থেকে ইসলাম প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি কি তা জানি এবং নিজ নিজ অর্থ-সম্পদ ও সময় কুরবানীর মাধ্যমে রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রদর্শিত শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিতে সমাজ ও রাষ্ট্রে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত চেষ্টার মাধ্যমে আল্লাহর ক্ষমা ও জান্নাত লাভের পথে চলি। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সকলকে তাঁর দ্বীন-‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার কাজে যথাযথ দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে কবুল করুন এবং সর্বাত্মক সাহায্য করুন। আমীন!”
অপরদিকে ‘গণতন্ত্র’ বা যে কোন মানব রচিত ব্যবস্থার অধীনে জোট, ভোট ও নির্বাচন করে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করাও ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি নয়। কারণ, ‘গণতন্ত্র’ বা মানব রচিত ব্যবস্থায় সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় আল্লাহকে ‘রব’ তথা সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও কর্তৃত্বের মালিক বাদ দিয়ে আল্লাহর সাথে কুফর করা হয় এবং মানুষকে সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও নিরংকুশ কর্তৃত্বের মালিক স্বীকার করে মানুষকেই ‘রব’ গ্রহণ করে আল্লাহর সাথে র্শিক করা হয়। আল্লাহ প্রদত্ত ব্যবস্থা ও আল্লাহ্ প্রদত্ত আইন-বিধানের আনুগত্য না করে আল্লাহর দাসত্ব থেকে বিচ্যুত হয়ে তথা আল্লাহকে ‘ইলাহ’ বাদ দিয়ে আল্লাহর সাথে কুফর করা হয় এবং মানব রচিত ব্যবস্থা ও মানুষের মনগড়া আইন-বিধান এবং মানব রচিত ব্যবস্থার ধারক-বাহক নেতৃত্ব বা সরকারের আনুগত্য স্বীকার করে মানুষের দাসত্ব করা হয় তথা মানুষকেই ‘ইলাহ’ গ্রহণ করে আল্লাহর সাথে র্শিক করা হয়। অথচ, আল্লাহর সাথে কুফর ও র্শিক করার পরিণাম সকল আমল বিনষ্ট এবং জান্নাত হারাম হয়ে জাহান্নামই হবে স্থায়ী ঠিকানা (দ্রষ্টব্যÑ সুরা ৩৯ যুমার: ৬৫, সুরা ৫ মায়েদা: ৭২)। মানব রচিত ব্যবস্থা গণতন্ত্রের অধীনে নির্বাচন করতে হলেÑ সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে মানুষকে সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক, মানুষকেই আইন-বিধানদাতা, মানুষকেই কর্তৃত্বের মালিক স্বীকার করতে হয় এবং মানুষের মনগড়া আইন-বিধানের আনুগত্য স্বীকারের মাধ্যমে মানুষের দাসত্ব করা হয় অর্থাৎ এক্ষেত্রে আল্লাহকে বাদ দিয়ে মানুষকেই ‘রব’ ও মানুষকেই ‘ইলাহ’ স্বীকার করা হয়। এটা সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সাথে কুফর ও আল্লাহ্র সাথে র্শিক, যার পরিণতি নিশ্চিত জাহান্নাম। কাজেই মানব রচিত ব্যবস্থা বা গণতন্ত্রের অধীনে নির্বাচন করে আল্লাহ্র সাথে কুফর ও র্শিক করে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি হতে পারে না। এটা আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’এর প্রদর্শিত পদ্ধতি নয়।নিজ অর্থ-সম্পদ ও সময় ব্যয়ের মাধ্যমে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রদর্শিত শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিই ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার একমাত্র পদ্ধতি।    
আল্লাহ্র অসীম অনুগ্রহে মানব জাতির সার্বিক কল্যাণে “ইসলামী সমাজ” আল্লাহ্র সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও নিরংকুশ কর্তৃত্বের প্রতিনিধিত্বকারী নেতা “ইসলামী সমাজ”এর আমীর সৈয়দ হুমায়ূন কবীরের নেতৃত্বের আনুগত্যের অধীনে থেকে আল্লাহ্’র রাসূল হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রদর্শিত শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিতে সমাজ ও রাষ্ট্রে তথা মানুষের বাস্তব জীবনে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠিত হলেই জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে সকল মানুষের সকল অধিকার আদায় ও সংরক্ষণ নিশ্চিত হবে, দুনীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠিত হবে, শোষণ মুক্ত অর্থনীতি এবং সকল মানুষের জীবনে সুশাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে; ফলে, সকল মানুষের জীবনে সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে ইন্শা আল্লাহ। “ইসলামী সমাজ” এর সদস্যগণ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে সবর (ধৈর্য্য) ও ক্ষমার নীতিতে অটল থেকে একমাত্র আল্লাহ্র সন্তুষ্ঠির জন্য সমাজ ও রাষ্ট্রে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার “ঈমানী দায়িত্ব” পালন করে যাচ্ছে। নিজের ও মানবতার সার্বিক কল্যাণে সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় আল্লাহ প্রদত্ত আদ্বীন-‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে- “ইসলামী সমাজ” পরিচালিত এই মহতী প্রচেষ্টায় শামিল হয়ে আল্লাহ্’র সন্তুষ্টি অর্জনে ভূমিকা রাখার জন্য সকলের প্রতি আন্তরিক অনুরোধ করছি। নিজে বাঁচতে এবং জাতির মানুষদের বাঁচাতে এবং বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন: “ইসলামী সমাজ” ৪ নং দক্ষিণ বাসাবো (কাজী অফিসের উত্তর পাশে), ঢাকা-১২১৪; বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৯২৭-৩৮৬৫১৫, ০১৭১৬-৪৪২১৩৬, ০১৯১৯-৮৪৪২১০, ০১৮১১-৬৫০৬২৮; ই-মেইল: islamisomaj1997@gmail.com, ভিজিট করুন: islamisomaj.wordpress.com|
সার্বভৌম ক্ষমতার একমাত্র মালিক আল্লাহ রাব্বুল আলামীন’ই আমাদের একমাত্র সহায় ও সাহায্যকারী, আমরা তাঁর’ই উপর পূর্ণ ভরসা করছি। আমীন!

লেখক : আবু জাফর মুহাম্মাদ ইকবাল
ইসলামী চিন্তাবিদ, গবেবষক ও লেখক
সংকলক : আল কুরআনে আল্লাহর পরিচয়, নির্দেশ ও প্রতিশ্রুতি
uniteforpeace3@gmail.com
 
সর্বশেষ সংবাদ
  • ট্রাম্প হচ্ছেন ‘আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নবাগত দুষ্টু ব্যক্তি’: ইরানের প্রেসিডেন্টমিয়ানমারের সিত্তুয়েতে রোহিঙ্গাদের জন্য রেডক্রসের ত্রাণবাহী নৌকায় বৌদ্ধদের হামলাজলি আত্মহত্যা প্ররোচণা মামলার চার্জশিট -‘সঠিক জবানবন্দি উপস্থাপন করতে পারেনি পুলিশ’রোহিঙ্গাদের জন্য জরুরী মানবিক সহায়তা ২৬২ কোটি ৩ লাখ টাকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র ‌‘রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আপনাদের ঐক্য প্রদর্শন করুন’ : ওআইসিকে প্রধানমন্ত্রীপৌর অবকাঠামো উন্নয়নে ২০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দেবে এডিবিরোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস ট্রাম্পেররোহিঙ্গা ইস্যুতে মুখ খুললেন : আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা আহ্বান সুকি'র রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্যাতন বন্ধে এটাই সুচি’র শেষ সুযোগ : জাতিসংঘ মহাসচিব দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনে পাতাল রেলে বিস্ফোরণ : পুলিশের দাবী সন্ত্রাসী হামলাজাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী আজ নিউইয়র্ক যাচ্ছেনমিয়ানমারের আকাশসীমা লংঘনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশমানুষকে খাদ্য নিয়ে কষ্ট পেতে দেব না : সংসদকে প্রধানমন্ত্রীরাখাইন রাজ্যের বর্তমান সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের গভীর উদ্বেগ প্রকাশমানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রীএ সমস্যা মিয়ানমার তৈরি করেছে-রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান তাদেরকেই করতে হবে : সংসদকে প্রধানমন্ত্রীমন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতিসংঘ পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি স্বাক্ষরের অনুমোদনওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে রাষ্ট্রপতি আজ আস্তানার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেননির্বাচনকে প্রভাবিত করার রাজনীতি বিএনপি'র হাত ধরেই শুরু হয়েছে : প্রধানমন্ত্রীমিয়ানমারের চলমান সহিংসতায় ১ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে : জাতিসংঘ
  • ট্রাম্প হচ্ছেন ‘আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নবাগত দুষ্টু ব্যক্তি’: ইরানের প্রেসিডেন্টমিয়ানমারের সিত্তুয়েতে রোহিঙ্গাদের জন্য রেডক্রসের ত্রাণবাহী নৌকায় বৌদ্ধদের হামলাজলি আত্মহত্যা প্ররোচণা মামলার চার্জশিট -‘সঠিক জবানবন্দি উপস্থাপন করতে পারেনি পুলিশ’রোহিঙ্গাদের জন্য জরুরী মানবিক সহায়তা ২৬২ কোটি ৩ লাখ টাকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র ‌‘রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আপনাদের ঐক্য প্রদর্শন করুন’ : ওআইসিকে প্রধানমন্ত্রীপৌর অবকাঠামো উন্নয়নে ২০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দেবে এডিবিরোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস ট্রাম্পেররোহিঙ্গা ইস্যুতে মুখ খুললেন : আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা আহ্বান সুকি'র রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্যাতন বন্ধে এটাই সুচি’র শেষ সুযোগ : জাতিসংঘ মহাসচিব দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনে পাতাল রেলে বিস্ফোরণ : পুলিশের দাবী সন্ত্রাসী হামলাজাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী আজ নিউইয়র্ক যাচ্ছেনমিয়ানমারের আকাশসীমা লংঘনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশমানুষকে খাদ্য নিয়ে কষ্ট পেতে দেব না : সংসদকে প্রধানমন্ত্রীরাখাইন রাজ্যের বর্তমান সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের গভীর উদ্বেগ প্রকাশমানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রীএ সমস্যা মিয়ানমার তৈরি করেছে-রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান তাদেরকেই করতে হবে : সংসদকে প্রধানমন্ত্রীমন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতিসংঘ পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি স্বাক্ষরের অনুমোদনওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে রাষ্ট্রপতি আজ আস্তানার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেননির্বাচনকে প্রভাবিত করার রাজনীতি বিএনপি'র হাত ধরেই শুরু হয়েছে : প্রধানমন্ত্রীমিয়ানমারের চলমান সহিংসতায় ১ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে : জাতিসংঘ
উপরে