প্রকাশ : ২৮ নভেম্বর, ২০১৬ ০০:৩০:৫৯
গণতন্ত্র নয়, ইসলামের অনুসরণই সকলের জন্য অত্যাবশ্যক
॥ আবু জাফর মুহাম্মাদ ইকবাল ॥ মানব জাতিসহ বিশ্ব জগতের সকল কিছুর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মানব জাতির সমাজ ও রাষ্ট্রসহ সমগ্র জীবন পরিচালনার জন্য তাঁর সর্বশেষ নাবী ও রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা:)এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ও কল্যাণকর আইন-বিধানসহ পরিপূর্ণ একমাত্র জীবন ব্যবস্থা ‘ইসলাম’কে প্রদান করেছেন। কাজেই, ‘ইসলাম’ হলো সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর পক্ষ থেকে মানব জাতির ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ও কল্যাণকর আইন-বিধান সম্বলিত পরিপূর্ণ একমাত্র জীবন ব্যবস্থা। সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ প্রদত্ত একমাত্র পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা ইসলাম’এর অনুসারী বা আনুগত্যকারীগণ হলো মুসলিম। আমাদের সকলকে মনে রাখতে হবে যে, বিশ্ব জগতের সকল কিছুর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ হলেন একমাত্র চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী সত্তা।
কাজেই আল্লাহই সার্বভৌম ক্ষমতার একমাত্র মালিক, সকল সৃষ্টির জন্য একমাত্র আইনদাতা-বিধানদাতা ও নিরংকুশ কর্তা। আমরা মানুষ আল্লাহর সৃষ্টি, আল্লাহরই সৃষ্ট খাদ্য, পানীয়, আলো, বাতাস, আগুন ভোগ ও ব্যবহার করেই আমরা জীবন ধারন করছি এবং আল্লাহরই অনুগ্রহ ও তাঁর দয়ার দান আমাদের কর্মশক্তি, বাকশক্তি, দৃষ্টিশক্তি, শ্রবনশক্তি, মেধাবুদ্ধি ব্যবহার করেই আমরা যে যার পেশায় নিয়োজিত হয়ে উন্নতি সাধন করছি ; একদিন আমরা আবার মৃত্যুবরন করতে এবং আল্লাহর কাছে ফিরে যেতে বাধ্য হবো এবং বাধ্য হবো দুনিয়ার জীবনের কর্মফল হিসাবে আখিরাতের জীবনে জান্নাত বা জাহান্নামের আগুনে স্থায়ীভাবে বাস করতে (দ্রষ্টব্য: সুরা আলে ইমরান: ১৮৫)।
যেই আল্লাহ আমাদের সৃষ্টি করলেন, আমাদের রিযিকের ব্যবস্থা করলেন, জীবন যাপনের জন্য শ্বাস প্রশ্বাস গ্রহণ ও বর্জনের এবং দেহের রক্ত সঞ্চালনসহ সকল প্রয়োজনীয় সর্বোত্তম ব্যবস্থা করে দিলেন আর সমগ্র জীবন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ও কল্যাণকর আইন-বিধান সম্বলিত পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা হিসাবে মনোনীত করে দিলেন ‘ইসলাম’; সেই আমরা ‘মানুষ’ আল্লাহর সৃষ্টি হয়ে আল্লাহর দেয়া রিযিক ভোগ করে তাঁর দয়ার দান কর্মশক্তি, বাকশক্তি, শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি, ইচ্ছা শক্তি, মেধা-বুদ্ধি ব্যবহার করে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত হয়ে জীবন ধারন ও যাপন করছি, আর আল্লাহর নির্দেশ মেনে সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনাসহ জীবনের সকল ক্ষেত্রে তাঁর প্রদত্ত ব্যবস্থা ‘ইসলাম’ ও তাঁর প্রদত্ত আইন-বিধানের আনুগত্য করার মাধ্যমে তাঁর দাসত্ব না করে আমরা সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে মানব রচিত ব্যবস্থা ‘গণতন্ত্র’ গ্রহণের মাধ্যমে মানুষকে ব্যবস্থাদাতা, মানুষকে আইনদাতা-বিধানদাতা ও কর্তৃত্বের মালিক স্বীকার করে মানুষকে আল্লাহর সমকক্ষ গণ্য করে মানুষের মনগড়া আইনের আনুগত্য স্বীকার করে দাসত্ব করছি আমাদের মতো মানুষের।  সার্বভৌম ক্ষমতার একমাত্র মালিক, সকল সৃষ্টির জন্য একমাত্র আইনদাতা-বিধানদাতা ও নিরংকুশ কর্তা সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর চরম অবাধ্যতা, চরম অকৃতজ্ঞতা, আল্লাহর সাথে বিদ্রোহ এবং আল্লাহর সাথে শির্ক করার এ অপরাধ কি ক্ষমার যোগ্য হতে পারে? এ অপরাধ ক্ষমার যোগ্য নয় বিধায়; আল্লাহ শির্কের অপরাধ ক্ষমা করবেন না বলে জানিয়েও দিয়েছেন এবং আল্লাহর সাথে শির্ক করার অপরাধের শাস্তি হিসাবে শির্ককারীদের সকল আমল বিনষ্ট করে দিবেন এবং মৃত্যু পরবর্তী আখিরাতের স্থায়ী জীবনে চিরস্থায়ীভাবে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করবেন বলে ঘোষণা করেছেন। (দ্রষ্টব্য: সুরা নিসা: ৪৮, ১১৬; আয যুমার: ৬৫, সুরা মায়েদা: ৭২ শেষাংশ)।
উপরোক্ত আলোচনা থেকে স্পষ্টভাবে প্রতিয়মান হয় যে, আমরা আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় মানব রচিত ব্যবস্থা ‘গণতন্ত্র’এর মাধ্যমে মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও কর্তৃত্ব স্বীকার করে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও নিরংকুশ কর্তৃত্বের সাথে শির্ক ও আল্লাহর চরম অবাধ্যতা করে ক্ষমার অযোগ্য মহা পাপে নিমজ্জিত হয়ে জাতিগতভাবে ভয়াবহ কঠিন বিপদ ও মহাক্ষতির মধ্যে অবস্থান করছি। এই অবস্থা থেকে আমাদের মুক্ত হতে হবে, তা নাহলে আল্লাহর চরম অবাধ্যতা এবং তাঁর সাথে শির্ক করার অপরাধে দুনিয়াতে আল্লাহর আযাব গযবের শিকার হয়ে দুর্ভোগ ও অশান্তিতে জীবন কাটানোর পর আখিরাতের জীবনেও চিরস্থায়ীভাবে জাহান্নামের আগুনে জ্বলতে হবে, যেখানে সাহায্য বা রক্ষা করার কেহ থাকবে না।
এই মহাক্ষতি থেকে বাঁচতে হলে ব্যক্তিগতভাবে আমাদের সকলকে অসীম মেহেরবান ও দয়ালু এবং ক্ষমাশীল আমাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে তওবা করতে হবে এবং সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও কর্তৃত্বকে অস্বীকার অমান্য করে মানব রচিত ব্যবস্থা ‘গণতন্ত্র’ পরিত্যাগ করে সমাজ ও রাষ্ট্রপরিচালনাসহ জীবনের সর্বক্ষেত্রে একমাত্র আল্লাহকেই সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও নিরংকুশ কর্তৃত্বের একমাত্র মালিক স্বীকার করে তাঁর প্রদত্ত ব্যবস্থা ‘ইসলাম’এর আইন-বিধান দ্বারা সমাজ ও রাষ্ট্র এবং সমগ্র জীবন পরিচালনা করতে হবে। সমাজ ও রাষ্ট্রে তথা মানুষের বাস্তব জীবনে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ প্রদত্ত একমাত্র জীবন ব্যবস্থা ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার জন্য আল্লাহকেই সার্বভৌমত্বের একমাত্র মালিক, আইনদাতা-বিধানদাতা ও নিরংকুশ কর্তা স্বীকার ও গ্রহণের মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি ঈমান এনে আল্লাহর সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে তাঁরই আইন-বিধান ও নিরংকুশ কর্তৃত্বের প্রতিনিধিত্বকারী নেতার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং নিজের অর্থ ও সময় ব্যয়ের মাধ্যমে জাতির অন্যান্য সকলকে আল্লাহর সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে এই মহাসত্য কথাগুলো জানাতে এবং গ্রহণ করার জন্য আন্তরিকভাবে দাওয়াত দিতে চূড়ান্ত চেষ্টা করতে হবে।
এই মহাসত্যের দাওয়াত দানের সাথে সাথে ধৈর্য্য ও ছালাত (নামাজ)এর মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করতে হবে এবং সকল প্রকার বিরোধীতা ও ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করার দায়িত্ব আল্লাহর উপর ছেড়ে দিয়ে নিজে উত্তম ধৈর্য্য ও ক্ষমার নীতিতে অটল থাকতে হবে। তাহলেই মিলবে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর ক্ষমা, মিলবে রাষ্ট্রীয় শাসন ক্ষমতা (খিলাফাত), দূর হবে দুর্ভোগ ও অশান্তি, লাভ হবে সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা এবং আখিরাতের স্থায়ী জীবনে চির সুখের স্থান জান্নাত।
তথাকথিত কিছূ পন্ডিত ব্যক্তি এই বলে জাতিকে বিভ্রান্ত করছেন যে, ইসলামেও ‘গণতন্ত্র’ আছে। তাদের এই বিভ্রান্তি থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য বলছি ‘গণ’ এবং ‘তন্ত্র’ এ দুটি শব্দ মিলে হয়েছে গণতন্ত্র। ‘গণ অর্থ ‘মানুষ’ এবং ‘তন্ত্র’ অর্থ ‘আইন’। অতএব ‘গণতন্ত্র’ অর্থ হচ্ছে ‘মানুষের আইন’। গণতন্ত্র হচ্ছে এমন একটা ব্যবস্থা, যে ব্যবস্থায় মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও কর্তৃত্বের ভিত্তিতে মানুষের মনগড়া আইন-বিধান দ্বারা সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনার জন্য সরকার গঠন এবং রাষ্ট্র পরিচালনা করা হয়। সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও কর্তৃত্ব মানুষের মানলে; মানব রচিত ব্যবস্থার ধারক-বাহক নেতা বা সরকারের এবং মানুষের মনগড়া আইন-বিধানের আনুগত্য স্বীকার করলে, মানুষের দাসত্ব করা হয়; মানুষকেই ‘রব’ ও মানুষকেই ‘ইলাহ’ গ্রহণ করা হয়। অথচ সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও নিরংকুশ কর্তৃত্ব একমাত্র সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর; মানুষের নয় অর্থাৎ আল্লাহই হলেন একমাত্র ‘রব’।
ফলে দাসত্ব, আইনের আনুগত্য ও উপাসনা একমাত্র আল্লাহর; অন্য কারো নয় অর্থাৎ আল্লাহই হলেন একমাত্র ‘ইলাহ’। সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও কর্তৃত্ব মানুষের স্বীকার করলে মানুষকে ‘রব’ মানা হয় এবং মানব রচিত ব্যবস্থা ও মানুষের মনগড়া আইন-বিধানের আনুগত্য স্বীকার করলে মানুষের দাসত্ব করা হয়, মানুষকে ‘ইলাহ’ মানা হয়; যা সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সাথে শির্ক ও কুফুরী। এমতাবস্থায় গণতন্ত্রের সাথে ইসলামের মিল বা ইসলামের মধ্যে গণতন্ত্র আছে এ কথা যারা প্রচার করেন তারা বুঝে হোক বা না বুঝে হোক তারা যে ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে চরম বিভ্রান্তিতে নিমজ্জিত আছেন এবং অন্যদেরকেও বিভ্রান্তিতে নিমজ্জিত করছেন তা পাঠক মাত্রই উপলব্ধি করতে সক্ষম হবেন বলে আশা করছি।
বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বে বর্তমানে যা কিছু ঘটছে এ ব্যাপারে শুধু এ কথাই বলা যায় যে, সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় মানুষের জন্য সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ প্রদত্ত কল্যাণকর ও পরিপূর্ণ একমাত্র জীবন ব্যবস্থা ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠিত না থাকায় দুর্ভোগ ও অশান্তির জন্য যা ঘটার তাই ঘটছে। সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠিত হলেই জাতীয় জীবনের সকল সমস্যার সমাধানসহ সকল মানুষের সকল প্রকার মৌলিক অধিকার সমূহ আদায় ও সংরক্ষণ হবে, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠিত হবে, শোষণমুক্ত অর্থনীতি এবং সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। একমাত্র তখনই জাতি, ধর্ম, ও দল মত নির্বিশেষে জাতির সকল মানুষের জীবনেই সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে; আর সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও কর্তৃত্বকে অস্বীকার অমান্য করে সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনাসহ জীবনের সর্বক্ষেত্রে একমাত্র আল্লাহকেই সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও নিরংকুশ কর্তৃত্বের মালিক স্বীকার করে আল্লাহর প্রতি ঈমান এনে তাঁর প্রদত্ত ব্যবস্থা ‘ইসলাম’এর আইন-বিধান সমাজ ও রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠার জন্য আল্লাহর সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে তাঁরই আইন-বিধান ও কর্তৃত্বের প্রতিনিধিত্বকারী নেতা নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রদর্শিত শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিতে নিজ অর্থ-সম্পদ ও সময় ব্যয়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত চেষ্টা করবে, তারা আখিরাতের স্থায়ী জীবনে জাহান্নামের কঠিন আজাব থেকে রক্ষা পেয়ে জান্নাতের চির সুখের স্থান লাভ করবে, এটাই মহাসাফল্য। দেশের জ্ঞানী, গুনী, বুদ্ধিমান, শিক্ষিত ও সুশীল সমাজের নারী, পুরুষ, ধর্ম, বর্ণ ও দল মত নির্বিশেষে সকলকে নিজের এবং জাতির কল্যাণে বিষয়টি গভীরভাবে ভেবে দেখার জন্য আন্তরিক আহ্বান জানাচ্ছি।
সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহে আল্লাহর সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে তাঁরই আইন-বিধান ও কর্তৃত্বের প্রতিনিধিত্বকারী নেতা হিসাবে ইসলামী সমাজ’এর আমীর সৈয়দ হুমায়ূন কবীরের নেতৃত্বে “ইসলামী সমাজ”এর নেতা-কর্মীগণ সকল মানুষের কল্যাণে আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রদর্শিত শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিতে সমাজ ও রাষ্ট্রে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার ঈমানী ও মানবিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। জাতির সকলকে এই মহতী প্রচেষ্টায় শামিল হওয়ার আন্তরিক আহ্বান জানাচ্ছি। “ইসলামী সমাজ সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানতে যোগাযোগ করতে পারেন : ইসলামী সমাজ, ৪, নং দক্ষিণ বাসাবো (কাজী অফিসের উত্তর পাশে), ঢাকা-১২১৪ : মোবাইল: ০১৯২৭-৩৮৬৫১৫, ০১৯১২-৫২৬৫২০, ০১৭১৮-৩৪৩৮৭০, ০১৭৪২-৬০৬২২৮। E-mail : islamisomaj1997@gmail.com, Visit: www.islamisomaj.org. সকলের সার্বিক কল্যাণ কামনায় করছি।

লেখক : আবু জাফর মুহাম্মাদ ইকবাল, uniteforpeace3@gmail.com
 
সর্বশেষ সংবাদ
  • বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যমান চিনি আইন রহিতের সিদ্ধান্তমহানগরী ঢাকাকে ‘সেফনগরী’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন ১০ কার্য দিবস চলবেস্থানীয় সরকারের অধীন দেশের ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানে ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণবিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না : খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ : বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি, সোমবার শাহবাগে ‘আনন্দ উৎসব ও স্মৃতিচারণ’ আজ বসছে দশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন
  • বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যমান চিনি আইন রহিতের সিদ্ধান্তমহানগরী ঢাকাকে ‘সেফনগরী’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন ১০ কার্য দিবস চলবেস্থানীয় সরকারের অধীন দেশের ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানে ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণবিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না : খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ : বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি, সোমবার শাহবাগে ‘আনন্দ উৎসব ও স্মৃতিচারণ’ আজ বসছে দশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন
উপরে