প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি, ২০১৭ ২৩:১৭:২৮
আল্লামা ফুলতলী (রহ.) ছিলেন তরুণদের পথ প্রদর্শক
॥ মুহাম্মদ হাবিলুর রহমান জুয়েল ॥ উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, যুগের শ্রেষ্ঠ ওলিয়ে কামিল শামসুল উলামা আল্লামা ছাহেব কিবলাহ ফুলতলী (রহ.) ছিলেন দ্বীনের একজন খাদিম। যতদিন পৃথিবীতে ছিলেন ততদিন তিনি দ্বীনের খেদমতে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। তার ছেলেবেলা থেকে শুরু করে শেষ বয়সে এসেও দ্বীনের খেদমতে তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে গিয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় আজোও তার উত্তরসুরিরা বাংলার জমিনে ইসলামের প্রচার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে আসছেন।

ফুলতলী (রহ.) বিশেষকরে তরুণদের নিয়ে ভাবতেন।  তিনি তরুণদের সঠিক ইসলামী শিক্ষা ও শুদ্ধ কোরআন চর্চার জন্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন দারুল কিরাত মাজিদিয়া ফুলতলী ট্রাস্ট। এর ফলে প্রতি বছর রমজান মাসে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা সহ সকল প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করতে পারছে। এছাড়াও তিনি এগুলোর পাশাপাশি তরুণ ছাত্রদের ইসলামের সঠিক পথ ও মত অনুস্বরন করে ছাত্রজীবনকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলার লক্ষে ১৯৮০ সালের ১৮ ই ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া নামে একটি ছাত্র সংগঠন। এই সংগঠনটি ছাত্রদের বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর আদর্শ অনুসরন করতে সাহায্য করে। যার ফলে ছাত্ররা ইসলামের সঠিক পথ ও মত খুঁজে পায়।

আল্লামা ফুলতলী (রহ.) এর এই অবদানের ফলে সমস্ত বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশী প্রবাসী ছাত্ররা বিভিন্ন ইসলামী কমিউনিটির মাধ্যমে দিন দিন ইসলামী খেদমতের প্রসার বৃদ্ধি করছে।  পাশাপাশি বাংলাদেশী বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি, মাদরাসা সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা তাদের কর্মদক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ইসলামী কমিউনিটিকে দৃড়তার সাথে তুলে ধরছেন। এগুলো আল্লামা ফুলতলী (রহ.) অবদানের ফলেই সম্বব হচ্ছে।

আল্লামা ফুলতলী (রহ.) তরুণ ছাত্রদের মেধাবিকাশে ব্যাপক ভুমিকা পালন করেছেন। যার ফলে আমরা দেখতে পাই বিভিন্ন অঞ্চলে তরুণ ছাত্ররা বিভিন্ন যুব সংঘ সৃষ্টি করে ইসলামী কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।
ফুলতলী ছাহেব কিবলার অনেক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সূদুরপ্রসারী অবদান রয়েছে। এজন্য তাকে তরুণদের পথ প্রদর্শক বলা হয়।

লেখক : (বিএ) ৩য় বর্ষ ফেঞ্চুগঞ্জ (অনার্স)ডিগ্রি কলেজ, সাধারণ সম্পাদক, ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ তালামীয।
সর্বশেষ সংবাদ
  • বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যমান চিনি আইন রহিতের সিদ্ধান্তমহানগরী ঢাকাকে ‘সেফনগরী’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন ১০ কার্য দিবস চলবেস্থানীয় সরকারের অধীন দেশের ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানে ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণবিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না : খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ : বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি, সোমবার শাহবাগে ‘আনন্দ উৎসব ও স্মৃতিচারণ’ আজ বসছে দশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন
  • বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যমান চিনি আইন রহিতের সিদ্ধান্তমহানগরী ঢাকাকে ‘সেফনগরী’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন ১০ কার্য দিবস চলবেস্থানীয় সরকারের অধীন দেশের ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানে ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণবিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না : খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ : বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি, সোমবার শাহবাগে ‘আনন্দ উৎসব ও স্মৃতিচারণ’ আজ বসছে দশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন
উপরে