প্রকাশ : ১৮ জুলাই, ২০১৭ ১০:০০:৫৬
‘বঙ্গবন্ধু-বাংলাদেশ ও নেলসন ম্যান্ডেলা’
এড. ফখরুল ইসলাম গুন্দু : পৃথিবী জুড়ে পরিচিত একটি নাম নেলসন ম্যান্ডেলা। বর্ণবাদ বিরোধী এই কবির জন্ম দিন ১৮ জুলাই। বিশ শতকে মানুষের মুক্তির প্রতীক দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি নেলসন ম্যান্ডেলা বাংলাদেশে এসেছিলেন মাত্র একবার ১৯৯৭সালে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার রজত জয়ন্তী দিবস উপলক্ষে। এই সময়ে আমি কক্সবাজার জেলা ছাত্র লীগের সভাপতি ছিলাম।

স্বাধীনতার রজতজয়ন্ত্রীতে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাত ও তুরস্কের রাষ্ট্রপতি সুলেমান ডেমিরেলের মতো বিশ্ববিখ্যাত নেতাদের সাথে স্বাধীনতার রজত জয়ন্তীতে  নেলসন ম্যান্ডেলা সোহরাওর্দী উদ্যানে স্থাপিত শিখা চিরন্তন উদ্বোধন করেছিলেন। সে দিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা জননেত্রী, প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনাকে আমরা বিশ্ব নেতাদের মাঝে বেশ উৎফুল্ল দেখেছি। আমাদের প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনাকে এখন উচ্ছাসিত হাসি খুশি দেখে আমার মতো একজন নগন্য কর্মীর মনেও তখন আনন্দের বন্যা বইতে ছিল।

কালো মানুষদের অধিকারের জন্য দীর্ঘ এক নৈতিক সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছেলন ম্যান্ডেলা। তিনি কখনো নীতিবোধ থেকে বিচ্যুত হননি এক তিলও। অবশ্য বাংলাদেশ সর্বদা নেলসন ম্যান্ডেলার পক্ষে ছিল। নেলসন ম্যান্ডেলা এমন একজন মানুষ ছিলেন যে, তাঁর জীবনের বেশির ভাগ সময় তিনি অন্ধকার কারাগারে কাটিয়েছেন।  মানুষের মুক্তির জন্য তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তাই শুধু বাংলাদেশ নয় সমগ্র পৃথিবীর মানুষ আজ নেলসন ম্যান্ডেলা দিবস পালন করছেন। আজ ১৮ জুলাই বিশ্ব নেলসন ম্যান্ডেলা দিবস। যথাযোগ্য মর্যাদায় এ দিবসটি বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে।

ম্যান্ডেলার কারাবাস শুরু হয় রবেন দ্বীপের কারাগারে। এখানে তিনি তাঁর ২৭ বছরের কারাবাসের প্রথম ১৮ বছর কাটান। জেলে থাকার সময়ে বিশ্বজুড়ে তাঁর খ্যাতি বাড়তে থাকে। তিনি দক্ষিণ  আফ্রিকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৃষ্ণাঙ্গ নেতা হিসাবে সারা বিশ্বে পরিচিতি লাভ করেন। সশ্রম কারাদন্ডের অংশ হিসাবে রবেন দ্বীপের কারাগারে ম্যান্ডেলা ও তাঁর সহবন্দীরা একটি চুনাপাথরের খনিতে শ্রমিক হিসাবে কাজ করতে বাধ্য হন। কারাগারের অবস্থা ছিলো বেশ শোচনীয়। কারাগারেও বর্ণভেদ প্রথা চালু ছিলো। কৃষ্ণাঙ্গ বন্দীদের সবচেয়ে কম খাবার দেয়া হতো। সাধারণ অপরাধিদের থেকে রাজনৈতিক বন্দীদের আলাদা রাখা হতো। রাজনৈতিক বন্দীরা সাধারণ অপরাধীদের চাইতেও কম সুযোগ পেতো। ম্যান্ডেলা তাঁর জীবনীতে লিখেছেন, তাঁকে ডি-গ্রুপের বন্দী হিসাবে গণ্য করা হতো, অর্থাৎ সবচেয়ে কম সুবিধাপ্রাপ্ত বন্দীদের তালিকায় তাকে রাখা হয়েছিলো।

১৯৮২ সালের মার্চ মাসে ম্যান্ডেলাকে রবেন দ্বীপের কারাগার থেকে পোলসমুর কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। এসময় ম্যান্ডেলার সাথে আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের উচ্চপদস্থ নেতা ওয়াল্টার সিসুলু, আ্যন্ড্রু ম্লাগেনি, আহমেদ কাথরাদা এবং রেমন্ড মলাবাকেও সেখানে নেয়া হয়। ধারণা করা হয়, রবেন দ্বীপে কারাবদ্ধ নতুন প্রজন্মের কৃষ্ণাঙ্গ রাজনৈতিক বন্দীদের উপর ম্যান্ডেলা ও অন্যান্য নেতার প্রভাব কমানোর জন্যই এটা করা হয়। তরুণ কর্মীদের উপরে ম্যান্ডেলা ও তাঁর সহযোদ্ধাদের এই প্রভাবকে ব্যঙ্গ করে “ম্যান্ডেলা বিশ্ববিদ্যালয়” বলা হতো। তবে ন্যাশনাল পার্টির তদানিন্তন মন্ত্রী কোবি কোয়েটসির মতে ম্যান্ডেলাকে স্থানান্তর করার মূল লক্ষ্য ছিলো ম্যান্ডেলার সাথে দক্ষিণ আফ্রিকা সরকারের গোপণ বৈঠক ও আলোচনার ব্যবস্থা করা।


১৯৮৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকার তদানিন্তন রাষ্ট্রপতি পি ডব্লিউ বোথা ম্যান্ডেলাকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেয়ার প্রস্তাব দেন। শর্তটি ছিলো, ম্যান্ডেলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সশস্ত্র সংগ্রাম ত্যাগ করতে হবে।  কোয়েটিস সহ অন্যান্য মন্ত্রীরা অবশ্য বোথার এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। তারা মত প্রকাশ করেন যে, ম্যান্ডেলা ব্যাক্তিগত কারামুক্তির লোভে পড়ে কখনোই নিজের সংগঠনকে সশস্ত্র সংগ্রামের পথ থেকে সরিয়ে আনবেন না।

১৯৮৮ সালে ম্যান্ডেলাকে ভিক্টর ভার্সটার কারাগারে সরিয়ে নেয়া হয়। মুক্তির আগ পর্যন্ত ম্যান্ডেলা এখানেই বন্দী ছিলেন। আস্তে আস্তে তাঁর উপরে কড়াকড়ি কমানো হয় এবং দর্শনার্থীদের সাথে দেখা করার অনুমতি দেয়া হয়।

সমগ্র পৃথিবী জুড়ে ম্যান্ডেলার মুক্তির জন্য আন্দোলন সহ নানা ধরনের কর্মসূচি চলতে থাকে। অব্যাহত গণদাবির মুখে ১৯৯০সালের ২রা ফেব্রুয়ারি তারিখে দক্ষিন আফ্রিকার তদানিন্তন রাষ্ট্রপতি এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সহ অন্যান্য বর্ণবাদ বিরোধী সংগঠনের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন। একই সাথে তিনি ঘোষণা দেন, ম্যান্ডেলাকে আচিরেই মুক্তি দেয়া হবে। ভিক্টর ভার্সটার কারাগার থেকে ম্যান্ডেলাকে ১৯৯০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তারিখে মুক্তি দেয়া হয়। ম্যান্ডেরার কারামুক্তির ঘটনাটি সারাবিশ্বে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

মুক্তির দিনে ম্যান্ডেলা জাতির উদ্দেশ্যে একটি ভাষন দেন। এই ভাষণে তিনি শান্তি রক্ষা করা ও দেশের শ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাথে সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য আহ্বান জানান। একই সাথে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সশস্ত্র সংগ্রাম শেষ হয়ে যায়নি।

ম্যান্ডেলা আরো বলেন, তাঁর মূল  লক্ষ্য হলো সংখ্যাগুরু কৃষ্ণাঙ্গদের জন্য শান্তি নিয়ে আসা, আর স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকার সুনিশ্চিত করা।

কারামুক্তির পর ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের নেৃতত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৯০ হতে ১৯৯৪ পর্যন্ত তিনি এই দলের নেতা ছিলেন। এই সময়ে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদ অবসানের লক্ষ্যে সরকারের সাথে আলোচনায় বসেন। এই শন্তি আলোচনা ফলপ্রসূ হবার পর ১৯৯৪ সালে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সর্ব বর্ণের মানুষের অংশগ্রহণে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম দক্ষিণ আফ্রিকার থেম্বু রাজবংশের ক্যাডেট শাখায়। নানার বাড়িতেই ম্যান্ডেলার শৈশব কাটে। তার ডাক নাম ছিল “রোলিহ্লাহ্লা” যার অর্থ হলো গাছের ডাল ভাঙ্গে যে অর্থাৎ দুস্ট ছেলে। তিনি ছোট বেলায় খুবই দুরন্ত ছিল। ম্যান্ডেলা তার পরিবারের প্রথম সদস্য, যিনি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। স্কুলে শিক্ষকা মদিঙ্গাঁনে তাঁর ইংরেজি নাম রাখেন “নেলসন”। স্কুল থেকে পাস করার পর ম্যান্ডেলা ফোর্ট হেয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাচেলর অব আর্টস কোর্সে ভর্তি হন। এখানেই অলিভার টাম্বোর সাথে তার পরিচয় হয়। টাম্বো আর ম্যান্ডেলা সারাজীবন ধরে ঘনিষ্ঠ ছিলেন। ম্যান্ডেলার আরেক বন্ধু ছিলেন ট্রান্সকেই এর সিংহাসনের উত্তরাধীকারী কাইজার (কে ডি) মাটানজিমা। এই বন্ধুর সাথে ঘনিষ্ঠতার সুবাদেই পরবর্তীকালে ম্যান্ডেলা বান্টুস্থানের রাজনীতি ও নীতিনির্ধারণে জড়িত হন। তবে এসব নীতিমালার ক্ষেত্রে ম্যান্ডেলা ও মাটানজিমার মতবিরোধ হয়।

দক্ষিণ আফ্রিকার ১৯৪৮ এর নির্বাচনে আফ্রিকানারদের দল ন্যাশনাল পার্টি জয়লাভ করে। এই দলটি বর্ণবাদে বিশ্বাসী ছিলো. এবং বিভিন্ন জাতিকে আলাদা করে রাখার পক্ষপাতি ছিলো। ন্যাশনাল পার্টির ক্ষমতায় আসার প্রেক্ষাপটে ম্যান্ডেলা সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। তিনি আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের ১৯৫২ সালের অসহযোগ আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। ১৯৫৫ সালের জণগণের সম্মেলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এই সম্মেলনে মুক্তি সনদ প্রনয়ন করা হয়, যা ছিলো দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের মূল ভিত্তি। ম্যান্ডেলা আ্যন্ড টাম্বো নামের একটি আইনি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতেন। এই প্রতিষ্ঠানটি দরিদ্র কৃষ্ণাঙ্গ আফ্রিকানদের স্বল্প মূল্যে আইনগত সাহায্য প্রদান করতো।

ম্যান্ডেলার রাজনৈতিক জীবনের প্রথমভাগে তিনি মহাত্মাগান্ধীর দর্শন দ্বারা প্রভাবিত হন। দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী কর্মীরা আন্দোলনের প্রথম দিকে গান্ধীর অহিংস আন্দোলনের নীতিকে গ্রহণ করে বর্ণবাদের বিরোধিতা করেছিলো। ম্যান্ডেলাও প্রথম থেকেই অহিংস আন্দোলনের পক্ষপাতী ছিলেন। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী শ্বেতাঙ্গ সরকার ১৯৫৬ সালের ৫ ডিসেম্বর ম্যান্ডেলা সহ ১৫০জন বর্ণবাদ বিরোধী কর্মীকে দেশদ্রোহিতার মামলায় গ্রেপ্তার করে। এই মামলাটি সুদীর্ঘ ৫বছর ধরে (১৯৫৬-১৯৬১) চলে কিন্তু মামলার শেষে সব আসামী নির্দোষ প্রমাণিত হন।

১৯৬১ সালে ম্যান্ডেলা এএনসির সশস্ত্র অঙ্গসংগঠন উমখোন্তো উই সিযওয়ে (অর্থাৎ “দেশের বল্লম”, সংক্ষিপ্ত নাম এম কে) এর নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন এই সংগঠনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা। তিনি বর্ণবাদী সরকার ও তার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অন্তঘাতী ও চোরাগোপ্তা হামলা  পরিকল্পনা ও সমন্বয় করেন। এতে বর্ণবাদী সরকার পিছু না হটলে প্রয়োজনবোধে গেরিরা যুদ্ধে যাবার জন্যও ম্যান্ডেলা পরিকল্পনা করেন। এছাগড়া ম্যান্ডেলা বিদেশে এমকে-র জন্য অর্থ জোগাড় ও সামরিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার জন্য কাজ শুরু করেন।

পরবর্তীকালে ১৯৮০র দশকে এমকে বর্ণবাদী সরকারের বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ শুরু করে। এতে অনেক বেসামরিক লোক হতাহত হন। ম্যান্ডেলা পরে স্বীকার করেন, বর্ণবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালাতে গিয়ে এএনসি অনেক সময় মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। বর্ণবাদের অবসানের পরে দক্ষিণ আফ্রিকার ট্রুথ আ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন (সত্য ও আপোস কমিশন) এর রিপোর্ট থেকে এএনসির অনেক নেতা এই বিষয়ের তথ্য অপসারন করতে চেয়েছিলো-- ম্যান্ডেলা এর তীব্র  সমালোচনা করেন।

২০০৮ এর জুলাই পর্যন্ত ম্যান্ডেলা ও এএনসি কর্মীরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা থেকে নিষিদ্ধ ছিলো। কেবল মাত্র নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদরদপ্তরে তাঁদের আসার অনুমতি ছিলো। এর কারণ ছিলো ম্যান্ডেলার ষাটের দমকের সশস্ত্র আন্দোলনের কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার তদানিন্তন সরকার ম্যান্ডেলা ও এএনসিকে সন্ত্রাসবাদী হিসাবে ঘোষণা করেছিলো। ২০০৮ এর জুলাইতে এসইে কেবল ম্যান্ডেলাকে মার্কিণ যুক্তরাষ্ট্র সরকারে প্রণীত সন্ত্রাসবাদীদের তালিকা হতে সরিয়ে নেয়া হয়।

এই মহা মানবের জীবন-কর্ম-রাজনীতির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা এখানে তুলে ধরা হলো। তার দর্শন থেকে যতটুকু বুঝেছি নেলসন ম্যান্ডেলা-বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধু শেখ হাসিনা যেন একই সুতোয় গাঁথা।

লেখক : আইনজীবি, রাজনীতিক, গবেষক, গ্রন্থকার ও মুক্তমনা সাংবাদিক।

 
সর্বশেষ সংবাদ
  • আবহাওয়া : দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্ত ভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।তাজিকিস্তান রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে সব রকম সহযোগিতা দেবেসাম্প্রদায়িক ও অশুভ শক্তিকে রুখে দেবার অঙ্গীকার নিয়ে বাংলা বর্ষ বরণউন্নয়নশীল দেশের যোগ্যতা অর্জনের ঘোষণায় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে ধন্যবাদ প্রস্তাব গ্রহণআজ বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস : নানা কর্মসূচি গ্রহণ একনেকের সভায় ৩,৪১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০ প্রকল্প অনুমোদনপ্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে জড়িতরা জাতির শত্রু : বেনজির আহমেদপ্রশ্ন ফাঁসমুক্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠানে আমরা সব ব্যবস্থা নিয়েছি : শিক্ষামন্ত্রীগাইবান্ধায় নবজাতককে আঁছড়িয়ে দিয়ে হত্যা করলো পাষণ্ড পিতা!গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা : ১৫ মে ভোট আমি কী পাগল ? প্রধান শিক্ষককে লাঞ্চিত করবো ! ফের সমালোচনা ও শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে সরকার দলীয় এমপি রতন !আজ গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া পৌরসভা নির্বাচনযশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালীতে ছেলের হাতে বাবা খুন।সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনআজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস : জাতির বিনম্র শ্রদ্ধাকাঠমান্ডুতে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত পিয়াস রায়কে অশ্রুসিক্ত নয়নে শেষ বিদায় ভিয়েতনামে'র হোচিমিন সিটি'র একটি বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড : নিহত ১৩ভারতে রাজ্যসভার জন্য ৭টি রাজ্যে ২৬টি আসনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছেমৌসুমি পাখিদেরকে দলে আশ্রয় প্রশ্রয় দেবেন না : ওবায়দুল কাদেরকাঠমান্ডুতে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত আরো ৩ জনের মরদেহ ঢাকায় : পরিবারের কাছে হস্তান্তর
  • আবহাওয়া : দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্ত ভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।তাজিকিস্তান রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে সব রকম সহযোগিতা দেবেসাম্প্রদায়িক ও অশুভ শক্তিকে রুখে দেবার অঙ্গীকার নিয়ে বাংলা বর্ষ বরণউন্নয়নশীল দেশের যোগ্যতা অর্জনের ঘোষণায় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে ধন্যবাদ প্রস্তাব গ্রহণআজ বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস : নানা কর্মসূচি গ্রহণ একনেকের সভায় ৩,৪১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০ প্রকল্প অনুমোদনপ্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে জড়িতরা জাতির শত্রু : বেনজির আহমেদপ্রশ্ন ফাঁসমুক্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠানে আমরা সব ব্যবস্থা নিয়েছি : শিক্ষামন্ত্রীগাইবান্ধায় নবজাতককে আঁছড়িয়ে দিয়ে হত্যা করলো পাষণ্ড পিতা!গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা : ১৫ মে ভোট আমি কী পাগল ? প্রধান শিক্ষককে লাঞ্চিত করবো ! ফের সমালোচনা ও শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে সরকার দলীয় এমপি রতন !আজ গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া পৌরসভা নির্বাচনযশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালীতে ছেলের হাতে বাবা খুন।সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনআজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস : জাতির বিনম্র শ্রদ্ধাকাঠমান্ডুতে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত পিয়াস রায়কে অশ্রুসিক্ত নয়নে শেষ বিদায় ভিয়েতনামে'র হোচিমিন সিটি'র একটি বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড : নিহত ১৩ভারতে রাজ্যসভার জন্য ৭টি রাজ্যে ২৬টি আসনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছেমৌসুমি পাখিদেরকে দলে আশ্রয় প্রশ্রয় দেবেন না : ওবায়দুল কাদেরকাঠমান্ডুতে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত আরো ৩ জনের মরদেহ ঢাকায় : পরিবারের কাছে হস্তান্তর
উপরে