প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১৭:৩৮:০৮
রোহিঙ্গা সমস্যা জাতিগত ও ভাষাগত
সাইদুর রহমান : বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত ও শোষণের শিকার হলো রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী। রাখাইন রাজ্যে শত শত বছর ধরে বসবাসকারী একটি ক্ষুুদ্র জাতিগোষ্ঠী। এদেরকে রাখাইন রাজ্যের আদি ভূমিপুত্র বলা হয়। রোহিঙ্গারা ইসলাম ধর্মের অনুসারী। ইতিহাস ও ভূগোল বলে রোহিঙ্গারা খৃষ্টপূর্ব ১৫০০ দিকে ভারত থেকে অষ্ট্রিক জাতিগোষ্ঠী রাখাইন রাজ্যের প্রথমে বাঙালী হিন্দু পরবর্তীতে ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। প্রকৃতপক্ষে রোহিঙ্গা হলো সংকরজাতের জাতি। রাখাইন রাজ্যে মূলত : দুটি সম্প্রদায় বাস করে। একটি দক্ষিণ বার্মার বংশোদ্ভব "মগ" জাতি। অন্যটি হলো উওর ভারতীয় বংশোদ্ভব "রোহিঙ্গা" জাতি। এটা ঐতিহাসিক ভাবে প্রমাণিত রোহিঙ্গা হলো আরাকান রাজ্যের সবচেয়ে আদিবাসিন্দা।

এক সময় ব্রিটিশদের দখলে আসে বার্মা। তখন ব্রিটিশ সরকার বার্মার ক্ষুদ্র সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর একটি তালিকা তৈরী করে। তারা ১৩৯টি জাতিগোষ্ঠীর তালিকা প্রস্তুত করেন। তখন ব্রিটিশরা ইচ্ছকৃত হোক আর অনিচ্ছাকৃত হোক ঐ তালিকা থেকে রোহিঙ্গাদের নাম বাদ দিয়ে সবচেয়ে বেশী সর্বনাশটা রোহিঙ্গাদের করে, ব্রিটিশীয় কায়দায়। তখন থেকেই রোহিঙ্গা অন্য গ্রহের জাতিতে পরিণত হয়।

১৯৪৮ সালে ৪ জানুয়ারিতে স্বাধীন হয় মিয়ানমার। দেশটি বহুদলীয় গণতন্ত্রের মুখ দেখে। সে সময়ে পার্লামেন্টে রোহিঙ্গাদের প্রতিনিধি ছিল। ১৯৪৭ সালে আরাকান রাজ্যকে স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য রোহিঙ্গারা বিদ্রোহ করে। গঠন করে "মুজাহিদ পার্টি"। প্রায় অর্ধশতাব্দী মিয়ানমারকে শাসন করে সামরিক জান্তা । ১৯৬২ সালে সামরিক জান্তা দেশটি দখল করে, মিয়ানমারেরর জাতিগোষ্ঠীর তালিকায় রোহিঙ্গাদের নাম না থাকায়, রোহিঙ্গাদের মুজাহিদ পার্টিকে বিছিন্নবাদী দল হিসাবে আখ্যা দেয়। শুরু করে  দমন নিপীড়ন। আর রোহিঙ্গাদেরকে বহিরাগত ও অনুপ্রবেশকারী বলে হুঙ্কার দেয় সামরিক জান্তারা। সামরিক জান্তারা বর্ররোচিত নিপীড়ন, নির্যাতন চালায় রোহিঙ্গাদের উপর।

রোহিঙ্গাদের সকল নাগরিক অধিকারকে বন্দুকের ধমকে কেড়ে নেয়। হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতনের মাত্রা সীমাহীন হয়ে পরে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাগস্বাধীনতা নেই, নেই কোন রাষ্টীয় স্বীকৃতি, নেই কোন বিয়ে কোন করার অনুমতি। সবচেয়ে ঘৃণিত ও বঞ্চনার উপাধি "কালা" বলে ভূষিত করে রোহিঙ্গাদের। অত্যাচার ও নিপীড়নের মাত্রাটা কোন পর্যায়ে গেলে, একটা জাতি দেশ ছাড়ে, তা ভোক্তভোগী জাতি ছাড়া কেউ বলতে পারবেনা। "গ্যাটো" তৈরী করে রোহিঙ্গাদের নিদিষ্ট সীমারেখায় আবদ্ধ করে রাখে। বাধ্যতামূলক শ্রম, জোর পূর্বক সম্পত্তি দখল। নেই কোন সন্তানের রাষ্টীয় পরিচয়। নিপীড়ন, নির্যাতন যখন নিত্যদিনের সঙ্গী তখন দিশেহারা হয়ে, শতকরা ৫০ জন রোহিঙ্গা সমাজের বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পরে। অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে তারা বাংলাদেশ সীমান্তে পাড়ি জমায়। অবশ্য বাংলাদেশ ছাড়াও রোহিঙ্গা আছে পাকিস্হান, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সৌদি, নেপাল, ও ভারতে।

রোহিঙ্গাদের আধুনিক লিখিত ভাষা হলো "রোহিঙ্গা ভাষা"। এ ভাষার সাথে চট্রগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার সাথে আংশিক মিল আছে। রোহিঙ্গারা সবসময় পশ্চিম পাকিস্হানের সাথে থাকতে মত দিয়েছে। ৭১ সালে রোহিঙ্গারা পাকিস্হানের পক্ষ নিয়া যুদ্ধ করেছে। আশা ছিল বাংলাদেশ স্বাধীন না হলে তারা পাকুদের সাথে থাকতে পারবে।         

রোহিঙ্গারা কেন চট্রগ্রামের আঞ্চলিক ভাষা বলতে পারে? এক সময় রাখাইন রাজ্য আর চট্রগ্রাম ছিল  আরাকানের অধীনে। মাঝখানে কোন আন্তর্জাতিক সীমারেখা ছিল না। ১৯ শতকে রাখাইন রাজ্য চট্রগ্রামের মানুষের জন্য ব্যবসার প্রাণকেন্দ্র ছিল। যারফলে বাংলার থেকে মানুষ যেত রাখাইন রাজ্যে আবার রোহিঙ্গারা আসতো চট্রগ্রামে। পণ্যের আদান-প্রদানের সাথে দুই জায়গার মানুষের ভাষারও আদান-প্রদান ঘটে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর রোহিঙ্গাদের কাছে বাংলাদেশ হয়; সিঙ্গাপুর। সেই কারনে হয়তোবা রোহিঙ্গারা চট্রগ্রামের ভাষাটা ভালো ভাবে আয়ত্ব করে নেয়।

বর্তমানে বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবতার কঠিনতম ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়ে বিশ্ববাসীকে অবাক করে দিয়েছে। রোহিঙ্গা সমস্যা জাতিগত ও ভাষাগত আন্তর্জাতিক সমস্যা । এটা বাংলাদেশের একক সমস্যা নয়। এই অঞ্চলের দুই বড় ভাই, ভারত ও চীনের নীরব ভূমিকা আজ প্রশ্নবিদ্ধ। ভারত সুযোগ খুঁজে কি ভাবে তাদের দেশের ৪০ হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো যায়। আবার পশ্চিমাদের মিয়ানমারের প্রতি সুদৃষ্টি আছে। রোহিঙ্গারা এ গ্রহের বাসিন্দা কিন্তু জাতিগত ভাবে এ গ্রহে এদের কোন নিবন্ধন নাই । এর জন্য দায়ী জাতিসংঘ। যে দেশে একটা জাতি শত শত বছর যাবৎ বসবাসরত অথচ তাদের কোন জাতিগত নিবন্ধন  নেই। আবার সেই দেশের নেত্রী শান্তিতে নোবেল পায়! রোহিঙ্গা জাতি হিসাবে তাদের নাম মিয়ানমারে তালিকা ভুক্তকরার দায়িত্ব বিশ্ববাসীর ।
          
মিয়ানমারের গণহত্যা, নির্যাতন যে বিশ্বের যে কোন বর্বতাকে হার মানায়। মানবিক দৃষ্টকোন থেকে তাদের পাশে  দাঁড়ানো কর্তব্য । কিন্তু নিজের দেশের নাগরিকের চিন্তাটা আগে করতে হয় । পাহাড়ে, বনে জঙ্গলে রোহিঙ্গারা বসতি স্হাপন করায় আমাদের দেশের পরিবেশের  মারাত্মক বিপর্যয় ঘটতেছে।

টেকনাফে এখন বাংলাদেশী এবং রোহিঙ্গা সমানে সমান। যে সব রোহিঙ্গা আসছে তাদের মধ্যে জঙ্গি থাকতে পারে, মাদক পাচারকারী থাকতে পারে, বিছিন্নবাদী থাকতে, অস্ত্র ব্যবসায়ী থাকতে পারে। বাংলাদেশে ইয়াবা নামক সর্বনাশী মাদক এসেছে রোহিঙ্গার হাত ধরে। সুতারাং রামুর পাহাড়ে কিংবা সীমান্তের যে কোন স্হানে রোহিঙ্গা আশ্রয় দেওয়াটা বাংলাদেশের জন্য পরিণতি শুভ হবেনা। মানবিক সাহায্য সহযোগীতা করবে বাংলাদেশ কিন্তু আশ্রয় দিলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হবে।

মিয়ানমারের জনসংখ্যা ৬ কোটি আর বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি । আমরা যদি রোহিঙ্গাদের জন্য আবেগে কেঁদে ফেলি,  আমাদের ভবিষৎ প্রজন্ম কাঁদবে আমাদের এই মায়া কান্নার জন্য।। বিএনপি রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য মানব বন্ধন করতেছে। ফখরুল সাহেব ভোটের রাজনেতি সবসময় করতে নেই। দেশের মঙ্গলের জন্যও রাজনেতি করতে হয়। রোহিঙ্গা সমস্যা মিয়ানমারের সমস্যা, বাংলাদেশের নয়।

দেশটি হলো ১৭ কোটি মানুষের বিএনপির একা নয়।এটা অত্যন্ত  দুঃখজনক , বিএনপি রোহিঙ্গাদেরকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য মানব বন্ধন করে। পূর্বের আছে ছয় লাখ রোহিঙ্গা, শত কূটনৈতিক চেষ্টা করেও একজন রোহিঙ্গা এত দিনে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে পারেনি । বর্তমানে টেকনাফ, কক্সবাজার এলাকা রোহিঙ্গাদের পদচারণে ক্ষতবিক্ষত। আগস্টের ২৫ তারিখের থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাতিসংঘের হিসাব মতে রোহিঙ্গা শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার। বাংলাদেশের সরকার ও মানুষ মানবতার কঠিনতম পরীক্ষায় শত ভাগ পাশ করেছে।

সরকার অন্য যে কোন দেশের মতো অনুপ্রবেশকারী আখ্যা দিয়ে কাউকে গুলি করে হত্যা করেনি। বিশ্বের যে সব রাষ্ট্র রোহিঙ্গাদের মানবিক বিপর্যয়ে সাহায্য ও সহযোগীতার আশ্বাসের বাণী দিয়েছেন। আমরা তাদের আশ্বাসের সুশীতল বাতাস চাই না। বাংলাদেশ এখন এই অবস্হায় আছে "ভিক্ষা চাই না কুত্তা তাড়ান" যে সব রাষ্ট্র রোহিঙ্গাদের জন্য সাহায্য সহযোগীতার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে অথবা প্রতিশ্রুতির সুমধুর বাণী শুনাতে  আমাদের দেশের রাষ্ট্র প্রধানের কাছে চলে এসেছেন। আপনাদেরকে বেশী বেশী ধন্যবাদ। মানবতার হাওয়াই মিষ্টি চাই না। সবাই এই প্রতিশ্রুতি দেন যে, ৫০ হাজার করে রোহিঙ্গা নিজ নিজ দেশে এই মুহূর্তে নিয়া যাব। তাতেই আমরা মহাখুশী ।

রোহিঙ্গাদের মানবিক সাহায্য করবে বাংলাদেশ কিন্তু আশ্রয় দিলে হবে দেশের জন্য আত্বঘাতী। এই ইস্যুর জন্য সরকার বন্যার্তদের দিকে সঠিকভাবে মনোযোগ দিতে পারতেছে না। এদিক দিয়া বন্যার্তরা অনাহারে,  অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে। এর জন্য কৃষিতে আসতে পারে বিপর্যয়।

সাইদুর রহমান : লেখক ও কলামিস্ট
 
সর্বশেষ সংবাদ
  • জার্মানী, সুইডেন ও ইইউ’র রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি জোরালো সমর্থন রাবি ছাত্রী অপহরণ : সাবেক স্বামীসহ ২ জনকে ১ দিনের রিমান্ড বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যমান চিনি আইন রহিতের সিদ্ধান্তমহানগরী ঢাকাকে ‘সেফনগরী’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন ১০ কার্য দিবস চলবেস্থানীয় সরকারের অধীন দেশের ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানে ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণবিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না : খালেদা জিয়া
  • জার্মানী, সুইডেন ও ইইউ’র রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি জোরালো সমর্থন রাবি ছাত্রী অপহরণ : সাবেক স্বামীসহ ২ জনকে ১ দিনের রিমান্ড বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করবো : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে : সমাবেশে বক্তারা গেইল-ম্যাককালামের ব্যর্থতায় কুমিল্লার কাছে রংপুরের পরাজয়রাবির অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার : নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনিআজ নাগরিক সমাবেশে : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফিরে পাবে একাত্তরের ৭ মার্চের আবহমিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আহবান‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে’টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ২৬ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোটসংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ আইন সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে ইসিজিম্বাবুয়ের সেনা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেয়নি : সিইসিআজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর : স্বজন হারাদের কাঁন্না থামেনি আজও মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যমান চিনি আইন রহিতের সিদ্ধান্তমহানগরী ঢাকাকে ‘সেফনগরী’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন ১০ কার্য দিবস চলবেস্থানীয় সরকারের অধীন দেশের ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানে ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণবিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না : খালেদা জিয়া
উপরে