প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল, ২০১৮ ০৩:৫৯:৩৫
ক্যান্সার হওয়ার আগেই ঔষধ প্রয়োজন-
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এখনই সময়ে তাদের সমূলে নির্মূলের
কাজী বর্ণ উত্তম : "পা, বাংলাদেশে মাথার থেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পদোন্নতির জন্যে এখানে সবাই ব্যগ্র। কিন্তু মাথার যে অবনতি ঘটছে, তাতে কারো কোনো উদ্বেগ নেই" হুমায়ূন আজাদ এর উক্তি দিয়েই লেখাটা শুরু করি। আদর্শ রাজনীতিবিদদের প্রয়োজন প্রকৃত সামাজিক শিক্ষা-নৈতিকতা-মূল্যবোধ-মানবিকতা; আদর্শের প্রশ্নে অবিচল, সমাজ সেবা এবং দেশের প্রতি দ্বায়বদ্ধতা।

নৈতিকতা ও আদর্শ বিবর্জিত মানুষ কোনো দিন প্রকৃত নেতা হতে পারেন না। যার মধ্যে নীতি নাই, আদর্শ নাই, মূল্যাবোধ নাই তার দ্বারা যে কোনো অন্যায় কাজ করা সম্ভব। নীতি-আদর্শহীন লোক সবসময় স্বার্থের পিছনে দৌঁড়াতে থাকে, তাদের উদ্দেশ্য একটাই নিজের আখের গোছানো। জনগণের দ্বোরগোড়ায় কল্যাণ পৌছাইছে কিনা, সেদিকে তাদের খেয়াল নাই।

তারা সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকেন নিজেকে নিয়ে। কিভাবে সৎ ও আদর্শবান মানুষকে দূরে রাখা যায় ; সেই চেষ্টায় তারা মরিয়া। কিন্তু তারা জানেন না টাকা দিয়ে নীতি ও আদর্শকে কেনা যায় না, মানুষের ভালবাসা পাওয়া যায়না। যদি কেনা যেতো;  তাহলে সেদিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে পশ্চিমা শাসক গোষ্ঠী কিনে ফেলতো।

স্বার্থানেস্বী বর্ণচোরা রাজনৈতিকরা ক্ষমতাসীন রাজনীতিতে বিভিন্ন রঙে মিশে যায়। বিশেষ করে যে রাজনীতির আদর্শের দল দেশ পরিচালনার দার্য়িত্বে থাকে সেই রাজনীতির সঙ্গে। এই মিশে যাওয়া সম্প্রদায়টি মূলত দূষণকারী। এরা রাজনীতির  আদর্শ  নষ্ট করে ফেলে। রাজনীতিতে এই সম্প্রদায়টি আকারে যত বড় এবং প্রভাবশালী হয়, আদর্শ ততই দূষিত হয় এবং দলটির ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হিসেবে দেখা দেওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা থাকে।

তারা তাদের মৌলিক উদ্দেশ্য গোপন রেখে অন্য একটি দলে প্রবেশ করে দলের তথ্য সংগ্রহ করে এবং দলের রাজনীতিতে নিজেদের আদর্শ বা উদ্দেশ্য প্রভাবিত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখে তারাই গুপ্তচর। বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ভিন্ন আদর্শিক দলের অগণিত নেতাকর্মী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগে সুযোগ পেলেই স্থান করে নিচ্ছে; অথচ তাদের রাজনৈতিক আদর্শ আওয়ামীলীগের আদর্শের একেবারেই পরিপন্থী।

শুধু রাজনীতিতেই নয়, ছদ্মবেশে সরকারি বিভিন্ন পদেও এরা ছড়িয়ে আছে। এদের অন্যায়-অবিচার এমন মাত্রায় সরকারের সকল ভালো পদক্ষেপ ম্লান হয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিনের অত্যাচার মানুষের কাছে এমন বড় হয়ে উঠছে সরকারের বিপুল উন্নয়ন, ঈর্শণীয় সাফল্য মানুষ ভুলতে বসেছে। তবে এদের সংখ্যা খুব বেশী নয়। দ্রুত এদেরকে চিহ্নিত করে মানুষকে নিস্তার দেওয়া সরকারের দ্বায়িত্ব।

মুখস্ত বিদ্যার মেধাবী না হয়ে মানবিক মানুষ হওয়া জরুরি। ইশাকে নিয়ে সেদিনের ববর্রতা প্রমাণ করে আপনি (যারা জড়িত) কতটা মেধাবী। ইশার মত নেতা-নেত্রীরা আপনারা কি শিক্ষা নিবেন?

অন্যদের সাথে খারাপ আচারন করলে তার পরিণতি কি হতে পারে। গুজব ছড়িয়ে সাময়িক সুবিধা পাওয়া যায় বটে, তবে একটা সময় যখন প্রমাণ হয় তখন আপনাদের সম্পর্কে আস্থা থাকে না। প্রতিটি আন্দোলনে নেতৃত্ব একটা লক্ষণীয় বিষয়, কারা কারা নেতৃত্ব দিচ্ছে, পিছনে অন্য কোনো ফন্দি আছে কি না, যা কোটা সংস্কার আন্দোলনে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা বিবেচনায় নেননি।

আমার ব্যক্তিগত ধারণা এই আন্দোলনে মুক্তিযোদ্ধাদেরকে হেয় করা হয়েছে। আর অনেকেই না বুঝে গা ভাসিয়েছেন। যা ছিল স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির বহুদিনের স্বপ্ন। ভিসির বাড়িতে মুখোশ পরে হামলা এরা কারা? ৭১ এর প্রেতাত্মা ? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়োপোযী বুদ্ধিমাত্রিক সিদ্ধান্তে ওই গভীর ষড়যন্ত্র থেকে আপনারা রেহায় পেলেন, জাতিও আপাতত বাঁচলো। সবার হাতে বঙ্গবন্ধুর একই পোস্টার কেন?

আপনি যদি বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হবেন তো আপনার সংগ্রহে থাকবে বঙ্গবন্ধুর ছবি আর সবার সংগ্রহ নিশ্চয় একই রকম হবে না। মুক্তিযোদ্ধাদের যে হেয় করে সে আর যাই হোক; বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করে এ কথা বিশ্বাস করা যায় না। ভ্যাট বিরোধী বা কোটা সংস্কার আন্দোলন করলেন....এবার আসুন রাজাকারদের বা তার ছেলে/মেয়ে/নাতিপুতি কাউকে যাতে সরকারি চাকরি না দেওয়া হয় সেই আন্দোলন করুন। করবেন তো?  একটা কথা উপলব্ধি করতে হবে বাংলাদেশের প্রশাসনে যতদিন মুক্তিযোদ্ধা বা তাদের পরিবারের সদস্যরা না আসবে যতদিন মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত আদর্শের সৈনিকেরা না আসবে, ততদিন 'বাংলাদেশ' প্রকৃত বাংলাদেশ হবে না।

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কারিগর জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলের উন্নয়নের পরিসংখ্যান সংগ্রহ করার চেষ্টা করি, আপনাদেরকে জানানোর জন্য তা সংক্ষিপ্ত আকারে নিম্নরূপ জিডিপি বৃদ্ধির হার : ২০০৯- ৫.৭৪%, ২০১৭- ৭.২৪%। মাথাপিছু আয় : ২০০৬- $ ৫৪৩, ২০০৯- $ ৭১০, ২০১৭- $ ১,৬১০, অর্থাৎ মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি $ ৯০০। ফরেন রিজার্ভ : ২০০৯- $ ১ বিলিয়ন, ২০১৭- $ ৩৩ বিলিয়ন; অর্থাৎ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি হয়েছে $ ৩২ বিলিয়ন। রপ্তানি আয় : ২০০৯- $ ১.২৬ বিলিয়ন, ২০১৭- $ ৩৪.৮ বিলিয়ন, রপ্তানি আয়ের হার $ ৩৩.৮ বিলিয়ন বৃদ্ধি পেয়েছে। পাওয়ার জেনারেশন ক্যাপাসিটি : ২০০৬- ৩২০০ মেগাওয়াট, ২০০৯-৪৯৪২ মেগাওয়াট, ২০১৭- ১৫,৮২১ মেগাওয়াট; অর্থাৎ পাওয়ার জেনারেশন ক্যাপাসিটি ১০,৮৭৯ মেগাওয়াট বৃদ্ধি পেয়েছে। (বিদ্যুৎ মানেই শিল্প প্রতিষ্ঠান, আর শিল্প প্রতিষ্ঠান মানেই কর্মসংস্থান) বিদ্যুতের অধীন মানুষ : ২০০৯- ৪৭%, ২০১৭- ৮৩%;  নতুন ৩৬% জনসংখ্যা বিদ্যুতের অধীনে এসেছে। খাদ্য উৎপাদন : ২০০৬- ২২৭ লাখ মেট্রিক টন, ২০০৯-৩৪৭ লক্ষ মেট্রিক টন, ২০১৭- ৪০০ লাখ মেট্রিক টন; অর্থাৎ খাদ্য উৎপাদন ৫৩ লাখ মেট্রিক টন বৃদ্ধি করা হয়েছে। দারিদ্র্য হার : ২০০৬- ৪১.৫%, ২০০৯- ৩৪%, ২০১৭-২২.৪%; অর্থাৎ দারিদ্র্য হার ১১.৬% হ্রাস পেয়েছে।

বিদেশী বিনিয়োগ : ২০০৬- $ ৪৫৬ মিলিয়ন, ২০০৯- $ ৯৬১ মিলিয়ন, ২০১৭- $ ২,৩৩০ মিলিয়ন; অর্থাৎ বৈদেশিক বিনিয়োগ বেড়েছে $ ১,৩৬৯ মিলিয়ন। রেমিটেন্স আয় : ২০০৬- $ ৪৮০ মিলিয়ন, ২০০৯- $ ৯৭০ মিলিয়ন, ২০১৭- $ ১,৪৯৩ মিলিয়ন; অর্থাৎ রেমিটেন্স আয় বৃদ্ধি করা হয়েছে $ ৫২৩ মিলিয়ন। কৃষি সাহায্য প্রদান : ২০০৯- টাকা ৫৭৮৫ কোটি টাকা, ২০১৭-৯০০০ কোটি টাকা; অর্থাৎকৃষিঋণ প্রদানের হার ২৩২৫ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। চরম দারিদ্র্য হার : ২০০৬- ২৪.২%, ২০০৯- ১৯.৩%, ২০১৭- ১২%; অর্থাৎ চরম দারিদ্র্য হার ৭.৩% হ্রাস পেয়েছে।

লিঙ্গ স্ফীতি সূচক অবস্থান : ২০০৬- ৯১ তম; ২০০৯-৯৩ তম ২০১৭- ৪৭তম বাংলাদেশের অবস্থান। অর্থাৎ ৪৬ টিরও বেশি পদক্ষেপ ডঊঋ লিঙ্গমুক্ত সূচকে এগিয়েছে। (স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অর্থনীতি, রাজনীতিতে একটি রাষ্ট্রে পুরুষের সাথে মহিলার সমতা পরিমাপ।) গড় আয়ু : ২০০৬- ৬৫.৪, ২০০৯- ৬৬.৮, ২০১৭-৭১.৬; অর্থাৎ গড় আয়ু ৪.৮% বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে যারা ভালোবাসেন, আওয়ামীলীগকে আবারও ক্ষমতায় দেখতে চান, তারা দৃঢ়ভাবে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার বিকল্প এখনও শেখ হাসিনাই। তাদের মতে-সরকারী দলের কতিপয় নিপীড়ক স্বার্থানেস্বী ছাত্রলীগ-যুবলীগ-আওয়ামীলীগের নেতার বেপরোয়া আচরণে জননেত্রী শেখ হাসিনার ফজরের নামাজের পর থেকে দিনের কাজ শুরু করা সকল পরিশ্রম, সরকারের সকল উন্নয়ন সাফল্য ম্লান হয়ে যাচ্ছে। আমাদের বিশ্বাস নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নের ফেরিওয়ালা জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওই স্বার্থানেস্বী নেতাদের ব্যাপারে দ্রুতেই সিদ্ধান্ত নেবেন।

কারণ উন্নয়নশীল দেশ থেকে উন্নত দেশের আঙিনায় ফ্রেমবন্দি সমৃদ্ধ বাংলাদেশের বির্নিমাণে তারাই  বিষ ফোঁড়া। শরীরে প্রথমে বিষ ফোঁড়া তারপর টিউমার তারপর মরণব্যাধি ক্যান্সার সৃষ্টি হয়। ক্যান্সার হওয়ার আগেই ঔষধ প্রয়োজন, দেরী হলে করুন পরিণতি ডেকে আনবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এখনই সময়ে তাদের সমূলে নির্মূলের। সাধারণ মানুষের বিশ্বাস আপনিই পারেন কতিপয় সুবিধাবাদী মানুষের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করতে।

লেখক : সাংস্কৃতিক সম্পাদক, যশোর জেলা আওয়ামীলীগ।

কলামটি সম্পাদনা করেছেন : আবুল কালাম আজাদ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, বাংলাদেশ বাণী, ঢাকা।
সর্বশেষ সংবাদ
  • দশম জাতীয় সংসদের ২২তম অধিবেশন সমাপ্ত : ১৮টি বিল পাসস্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়াতে ১১ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দেবে এডিবিরোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়াতে হবে : ওআইসি২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশের-প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে ৯ হাজার মেগা: বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা রয়েছেআগামী ৩০ অক্টোবরের পর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল : ইসি সচিবশেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি আজ ৫'শ মেগা: বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্বোধন করবেনডেঙ্গু বিস্তারের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদেরদশম জাতীয় সংসদের ২২ তম অধিবেশন চলাকালীন ডিএমপি'র নিষেধাজ্ঞাশক্তিশালী পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমি-ফাইনালের পথে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ৫১ হজ ফ্লাইটে ১৮ হাজার ৬৯৩ জন হাজী দেশে ফিরেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলতি বছরের ডিসেম্বরের শেষে : ইসি সচিবরুট পারমিটবিহীন যান চলাচল বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশসমূদ্র বন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছেরোহিঙ্গা গণহত্যার দায়ে মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের বিচার আহ্বান জাতিসংঘের তদন্তকারীদলের ঝিকরগাছা পৌর আ'লীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেনের অন্তিম বিদায় থাইল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ষষ্ঠ স্থান নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশআজ জাতীয় বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুলের ৪২ তম মৃত্যুবার্ষিকী শোলাকিয়া ময়দানে দেশের বৃহত্তম ঐতিহাসিক ঈদ জামাত অনুষ্ঠিতত্যাগের মহিমায় সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিতসন্দেহ নেই গ্রেনেড হামলায় খালেদা-তারেক জড়িত ছিল : প্রধানমন্ত্রী
  • দশম জাতীয় সংসদের ২২তম অধিবেশন সমাপ্ত : ১৮টি বিল পাসস্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়াতে ১১ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দেবে এডিবিরোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়াতে হবে : ওআইসি২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশের-প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে ৯ হাজার মেগা: বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা রয়েছেআগামী ৩০ অক্টোবরের পর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল : ইসি সচিবশেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি আজ ৫'শ মেগা: বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্বোধন করবেনডেঙ্গু বিস্তারের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদেরদশম জাতীয় সংসদের ২২ তম অধিবেশন চলাকালীন ডিএমপি'র নিষেধাজ্ঞাশক্তিশালী পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমি-ফাইনালের পথে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ৫১ হজ ফ্লাইটে ১৮ হাজার ৬৯৩ জন হাজী দেশে ফিরেছেনএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলতি বছরের ডিসেম্বরের শেষে : ইসি সচিবরুট পারমিটবিহীন যান চলাচল বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশসমূদ্র বন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছেরোহিঙ্গা গণহত্যার দায়ে মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের বিচার আহ্বান জাতিসংঘের তদন্তকারীদলের ঝিকরগাছা পৌর আ'লীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেনের অন্তিম বিদায় থাইল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ষষ্ঠ স্থান নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশআজ জাতীয় বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুলের ৪২ তম মৃত্যুবার্ষিকী শোলাকিয়া ময়দানে দেশের বৃহত্তম ঐতিহাসিক ঈদ জামাত অনুষ্ঠিতত্যাগের মহিমায় সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিতসন্দেহ নেই গ্রেনেড হামলায় খালেদা-তারেক জড়িত ছিল : প্রধানমন্ত্রী
উপরে